ঢাকা ০৬:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শিশুহত্যার অভিযুক্ত বাবা-ছেলেকে ঘিরে আদিতমারীতে রণক্ষেত্র, এসপিসহ আহত ২০ ইরান-মার্কিন চুক্তি আলোচনায় তিন হাজার কোটি ডলার রাজশাহীর আম ও কালাইরুটি স্বাদে মুগ্ধ মার্কিন অতিথি   বেনজীরকে বিচারের মুখোমুখি করতে দেশে ফেরানো প্রক্রিয়া চলছে: উপদেষ্টা চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চলে সবুজ অবকাঠামো নিশ্চিতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর তারল্য  সকট মোকাবিলায় ২,৫০০ কোটি টাকার ঋণ দিল বাংলাদেশ ব্যাংক  অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার রোধে সম্মিলিত উদ্যোগ জরুরি: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী  দুবাইয়ে গ্রেপ্তার সাবেক আইজিপি বেনজীর প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া শুরু অভিনেত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু হত্যার অভিযোগে স্বামী কারাগারে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তিচুক্তি, ঘোষণা পাকিস্তানের

জ্বালানি সহযোগিতায় বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের সমঝোতা সই

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৪:০০:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬ ১০০ বার পড়া হয়েছে

ছবি সংগ্রহ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে জ্বালানি খাতে কৌশলগত সহযোগিতা জোরদারের লক্ষ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে দেশটির জ্বালানি মন্ত্রণালয়ে এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।

সমঝোতা স্মারকে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে স্বাক্ষর করেন দেশটির জ্বালানিমন্ত্রী ক্রিস রাইট এবং বাংলাদেশের পক্ষে স্বাক্ষর করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাস এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এই সমঝোতা স্মারক বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সাশ্রয়ী মূল্য ও টেকসই সরবরাহব্যবস্থা নিশ্চিতের মাধ্যমে জ্বালানি উৎসের বৈচিত্র্য বৃদ্ধির যে উদ্যোগ বাংলাদেশ গ্রহণ করেছে, এমওইউ সেই প্রচেষ্টাকে আরও শক্তিশালী করবে।

এছাড়া এই সমঝোতার আওতায় দুই দেশের মধ্যে তেল, গ্যাস, ভূতাপীয় ও জৈবশক্তি বিষয়ে জ্ঞান, প্রযুক্তি ও দক্ষতা বিনিময়ের সুযোগ সৃষ্টি হবে। গবেষণা কার্যক্রম সহজ করার পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র থেকে সাশ্রয়ী মূল্যে এলএনজি, এলপিজি এবং অন্যান্য জ্বালানি পণ্য আমদানির ক্ষেত্রেও এটি সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

এমওইউ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান এই চুক্তিকে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি এ উদ্যোগে সমর্থনের জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-কে ধন্যবাদ জানান।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানিমন্ত্রী ক্রিস রাইট এই সমঝোতাকে বাংলাদেশ-মার্কিন সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি ঐতিহাসিক অগ্রগতি হিসেবে অভিহিত করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

জ্বালানি সহযোগিতায় বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের সমঝোতা সই

আপডেট সময় : ০৪:০০:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬

বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে জ্বালানি খাতে কৌশলগত সহযোগিতা জোরদারের লক্ষ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে দেশটির জ্বালানি মন্ত্রণালয়ে এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।

সমঝোতা স্মারকে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে স্বাক্ষর করেন দেশটির জ্বালানিমন্ত্রী ক্রিস রাইট এবং বাংলাদেশের পক্ষে স্বাক্ষর করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাস এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এই সমঝোতা স্মারক বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সাশ্রয়ী মূল্য ও টেকসই সরবরাহব্যবস্থা নিশ্চিতের মাধ্যমে জ্বালানি উৎসের বৈচিত্র্য বৃদ্ধির যে উদ্যোগ বাংলাদেশ গ্রহণ করেছে, এমওইউ সেই প্রচেষ্টাকে আরও শক্তিশালী করবে।

এছাড়া এই সমঝোতার আওতায় দুই দেশের মধ্যে তেল, গ্যাস, ভূতাপীয় ও জৈবশক্তি বিষয়ে জ্ঞান, প্রযুক্তি ও দক্ষতা বিনিময়ের সুযোগ সৃষ্টি হবে। গবেষণা কার্যক্রম সহজ করার পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র থেকে সাশ্রয়ী মূল্যে এলএনজি, এলপিজি এবং অন্যান্য জ্বালানি পণ্য আমদানির ক্ষেত্রেও এটি সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

এমওইউ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান এই চুক্তিকে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি এ উদ্যোগে সমর্থনের জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-কে ধন্যবাদ জানান।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানিমন্ত্রী ক্রিস রাইট এই সমঝোতাকে বাংলাদেশ-মার্কিন সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি ঐতিহাসিক অগ্রগতি হিসেবে অভিহিত করেন।