ঢাকা ১০:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
চীন সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিনিয়োগ, কৌশলগত অংশীদারত্ব ও রাজনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার দ্রুত খোলার আহ্বান জানালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আন্তর্জাতিক বাজারে ইলিশ রপ্তানির সক্ষমতা বাড়ানোর তাগিদ ভূরাজনীতিতে নতুন সমীকরণ মালয়েশিয়া ও চীন সফরে বাংলাদেশের কূটনৈতিক অগ্রযাত্রা পলাশীর ইতিহাস বাংলাকে শ্মশানে পরিণত করার ইতিহাস দুর্যোগকবলিত উপকূল সুরক্ষায় জাতীয় বাজেটে বিশেষ বরাদ্দের দাবি সুইজারল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক স্থগিত ট্রাম্পের অযৌক্তিক যুদ্ধ ও অবাস্তব প্রত্যাশার ফল  ইরান চুক্তি যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে নতুন মোড় দশকের বৈরিতার পর সমঝোতা নতুন অধ্যায়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান পরীমনির সঙ্গে ‘অনৈতিক সম্পর্ক’ অভিযোগে চাকরি হারালেন অতিরিক্ত এসপি গোলাম সাকলায়েন

চীন থেকে কেনা আরও ২০ লাখ ডোজ টিকা পৌঁছালো ঢাকায়

ভয়েস রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ০৪:৩৪:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জুলাই ২০২১ ২৬৯ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চীনের কাছ থেকে কেনা টিকার দ্বিতীয় চালানে আরও ২০ লাখ ডোজ টিকা শনিবার মধ্যরাতে ঢাকায় পৌঁছে ছবি:  চীনা দূতাবাস

চীনা প্রতিষ্ঠান সিনোফার্ম থেকে কেনা টিকার মধ্যে দ্বিতীয় চালানে ২০ লাখ ডোজ টিকা ঢাকায় পৌছেছে। শনিবার মধ্যরাতে রাতে বাংলাদেশ বিমানের দুটি পৃথক ফ্লাইটে ১০ লাখ করে ২০ লাখ ডোজ সিনোফার্মের টিকা ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছায়।

চীনের কাছ থেকে কেনা টিকার দ্বিতীয় চালান এটি। সিনোফার্মের কাছ থেকে দেড় কোটি টিকা কিনছে বাংলাদেশ সরকার। সে অনুযায়ী ১ জুলাই ২০ লাখ ডোজ টিকা বাংলাদেশে পৌঁছে। আগামী আগস্টে আরও ৪০ থেকে ৫০ লাখ টিকা পাঠানোর কথা রয়েছে।

বিদেশ মন্ত্রকের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বাংলাদেশকে নিরবচ্ছিন্নভাবে টিকা সরবরাহের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে চীন।

দুই দফায় উপহার হিসেবে বাংলাদেশকে চীন সিনোফার্মের ১১ লাখ টিকা দিয়েছে। এর মধ্যে চীন মে মাসে সিনোফার্মের তৈরি পাঁচ লাখ এবং জুনে ছয় লাখ ডোজ উপহারের টিকা বাংলাদেশে পাঠায়।

সোমবারের বৈশ্বিক উদ্যোগ কোভ্যাক্সের মাধ্যমে ৩০ লাখ ডোজ দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। আশা করা হচ্ছে, কোভ্যাক্সের মাধ্যমে এই ৩০ লাখসহ মোট ১ কোটি ২৯ লাখ টিকা সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহের মধ্যেই পাবে বাংলাদেশ।

রাশিয়া থেকে পাওয়া যেতে পারে ১০ লাখ টিকা। সব মিলিয়ে সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে টিকার সংস্থান হতে পারে অন্তত ২ কোটি ডোজ। সংশ্লিষ্ট জানিয়েছেন, দেশে গণটিকাদান কর্মসূচি চালিয়ে নিতে আপাতত টিকার সংকট হবে না।

বাংলাদেশ গণটিকাদান কর্মসূচি শুরু করেছিল গত ৭ ফেব্রুয়ারি। টিকার উৎস ছিল ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট। ভারত গত মার্চে টিকা রপ্তানি বন্ধ করে দেওয়ার পর বাংলাদেশে গণটিকাদান কর্মসূচি বিঘ্নিত হয়। ২৫ এপ্রিল থেকে প্রথম ডোজ টিকা দেওয়া বন্ধ ছিল। যা চালু হয় চলতি মাসে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, গতকাল পর্যন্ত ৬৬ লাখ ৩১ হাজার ১৩৪ জনকে টিকার প্রথম ডোজ ও ৪২ লাখ ৯৮ হাজার ৯৯৭ জনকে দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

চীন থেকে কেনা আরও ২০ লাখ ডোজ টিকা পৌঁছালো ঢাকায়

আপডেট সময় : ০৪:৩৪:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জুলাই ২০২১

চীনের কাছ থেকে কেনা টিকার দ্বিতীয় চালানে আরও ২০ লাখ ডোজ টিকা শনিবার মধ্যরাতে ঢাকায় পৌঁছে ছবি:  চীনা দূতাবাস

চীনা প্রতিষ্ঠান সিনোফার্ম থেকে কেনা টিকার মধ্যে দ্বিতীয় চালানে ২০ লাখ ডোজ টিকা ঢাকায় পৌছেছে। শনিবার মধ্যরাতে রাতে বাংলাদেশ বিমানের দুটি পৃথক ফ্লাইটে ১০ লাখ করে ২০ লাখ ডোজ সিনোফার্মের টিকা ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছায়।

চীনের কাছ থেকে কেনা টিকার দ্বিতীয় চালান এটি। সিনোফার্মের কাছ থেকে দেড় কোটি টিকা কিনছে বাংলাদেশ সরকার। সে অনুযায়ী ১ জুলাই ২০ লাখ ডোজ টিকা বাংলাদেশে পৌঁছে। আগামী আগস্টে আরও ৪০ থেকে ৫০ লাখ টিকা পাঠানোর কথা রয়েছে।

বিদেশ মন্ত্রকের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বাংলাদেশকে নিরবচ্ছিন্নভাবে টিকা সরবরাহের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে চীন।

দুই দফায় উপহার হিসেবে বাংলাদেশকে চীন সিনোফার্মের ১১ লাখ টিকা দিয়েছে। এর মধ্যে চীন মে মাসে সিনোফার্মের তৈরি পাঁচ লাখ এবং জুনে ছয় লাখ ডোজ উপহারের টিকা বাংলাদেশে পাঠায়।

সোমবারের বৈশ্বিক উদ্যোগ কোভ্যাক্সের মাধ্যমে ৩০ লাখ ডোজ দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। আশা করা হচ্ছে, কোভ্যাক্সের মাধ্যমে এই ৩০ লাখসহ মোট ১ কোটি ২৯ লাখ টিকা সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহের মধ্যেই পাবে বাংলাদেশ।

রাশিয়া থেকে পাওয়া যেতে পারে ১০ লাখ টিকা। সব মিলিয়ে সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে টিকার সংস্থান হতে পারে অন্তত ২ কোটি ডোজ। সংশ্লিষ্ট জানিয়েছেন, দেশে গণটিকাদান কর্মসূচি চালিয়ে নিতে আপাতত টিকার সংকট হবে না।

বাংলাদেশ গণটিকাদান কর্মসূচি শুরু করেছিল গত ৭ ফেব্রুয়ারি। টিকার উৎস ছিল ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট। ভারত গত মার্চে টিকা রপ্তানি বন্ধ করে দেওয়ার পর বাংলাদেশে গণটিকাদান কর্মসূচি বিঘ্নিত হয়। ২৫ এপ্রিল থেকে প্রথম ডোজ টিকা দেওয়া বন্ধ ছিল। যা চালু হয় চলতি মাসে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, গতকাল পর্যন্ত ৬৬ লাখ ৩১ হাজার ১৩৪ জনকে টিকার প্রথম ডোজ ও ৪২ লাখ ৯৮ হাজার ৯৯৭ জনকে দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হয়েছে।