ঢাকা ০৯:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিয়াম স্কুলে শিশুদের সঙ্গে প্রাণবন্ত সময় কাটালেন প্রধানমন্ত্রী উদ্ভাবকদের স্বীকৃতি ও সুরক্ষায় আধুনিক ব্যবস্থা গড়ে তুলছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে উত্তরণ কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়নের ২৯ তম বার্ষিক সাধারণ সভা পৃষ্ঠপোষকতার অর্থনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে সংস্কারে জোর দিচ্ছে সরকার : অর্থমন্ত্রী গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার শঙ্কা: নজরদারি বাড়িয়েছে সিটিটিসি নির্বাচনের আগেই অস্থিতিশীলতার ষড়যন্ত্র: জামায়াতকে কড়া জবাব মির্জা ফখরুলের লোডশেডিং ৩০০০ মেগাওয়াট : গ্যাস সংকটের কারণে বিদ্যুতের লোডশেডিং বাড়ছে ১৭ জেলায় তাপপ্রবাহ অব্যাহত, ঢাকায় তাপমাত্রা সামান্য কমলেও ভ্যাপসা গরম লাইনে দাঁড়িয়ে স্বস্তি: অল্প সময়েই তেল পেলেন বাইকচালক মোহাম্মদ আলী দেশের স্বার্থে বিরোধী দলের সঙ্গে আলোচনায় প্রস্তুত সরকার: তারেক রহমান

সাপের মতো ফণা তুলে বাড়ি-ঘরে হানা দিচ্ছে বানের জল!

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১২:০০:৩২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ জুন ২০২৪ ১৮৪ বার পড়া হয়েছে

পাহাড়ি ঢলে সুনামগঞ্জের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত, ভোগান্তি চরমে

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

পাহাড়ি ঢল আর বৃষ্টিপাতের জলে একের পর এক ডুবছে নিম্নাঞ্চলের রাস্তাঘাট ও ঘরবাড়ি

বাংলাদেশের সুনামগঞ্জ জেলার অবস্থান ভারতের মেঘালয় এবং আসাম রাজ্যের নিচে। সেখানে বৃষ্টি হলেই পাহাড় বেয়ে জল নেমে আসে নিচু এলাকা বাংলাদেশের সুনামগঞ্জে। তাতে সুনামগঞ্জের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়। ভাসিয়ে নেয় নেয় ক্ষেতের ফসল, ঘরবাড়ি।

এটি প্রতিবছরই হয়ে থাকে। মেঘালয়ের চেরাপুঞ্জিতে সবসময়ই ভারী বর্ষণ হয়ে থাকে। গ্রিষ্মকালে তেমন অসুবিধা না হয়েও বর্ষায় বাংলাধের সুনামগঞ্জ ও পাশ্ববর্তী এলাকা প্লাবিত হয়। এরই মধ্যে নিম্নাঞ্চাল প্লাবিত হয়ে সাপের মতো ফণা তুলে বাড়িঘরে হানা দিচ্ছে বানের জল।

উজানের ঢলে হু হু করে বাড়ছে সুনামগঞ্জের ২৬টি নদ-নদীর জল। একের পর এক ডুবছে নিম্নাঞ্চলের রাস্তাঘাট ও ঘরবাড়ি। বিচ্ছিন্ন হয়েছে যোগাযোগব্যবস্থা। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন ৬ লাখেরও বেশি মানুষ।

চেরাপুঞ্জিতে বৃষ্টির কারণে সুনামগঞ্জের নিম্নাঞ্চলগুলো প্লাবিত হচ্ছে বলে জানান জেলা জল উন্নয়ন বের্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার। ২০২২ সালের এই দিনে ঢলের জলে তলিয়ে যায় পুরো সুনামগঞ্জ। তাতে জলবন্দি হয়ে পড়েন ২৫ লাখেরও বেশি মানুষ। সেইসঙ্গে ঢলের জলে ৫০ হাজার ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

সাপের মতো ফণা তুলে বাড়িঘরে হানা দিচ্ছে বানের জল

জানা যায়, এরইমধ্যে জেলার দোয়ারাবাজার উপজেলার সুরমা, চেলা, চলতি, মরা চেলা, খাসিয়ামারা, মৌলা, কালিউরি, ধূমখালিসহ সব নদীর জল বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। সেইসঙ্গে ঢলের পানিতে প্লাবিত হয়েছে নিম্নাঞ্চলের লক্ষ্মীপুর, নোয়াপাড়া, রসরাই, সুলতানপুর, হাছনবাহারসহ পাঁচটি গ্রাম। তলিয়ে গেছে ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট, আমনের বীজতলা ও সবজিক্ষেত। ভোগান্তিতে পড়েছেন দুই লাখেরও বেশি মানুষ।

ঢলের জলে তলিয়ে গেছে ছাতক, তাহিরপুর, জগন্নাথপুর, ধর্মপাশাসহ আরও চার উপজেলার নিম্নাঞ্চলের পথ ঘাট। বিশেষ করে জগন্নাথপুর উপজেলার বেগমপুর, লাউতলা-রসুলগঞ্জ সড়কসহ বেশ কয়েকটি গ্রামীণ সড়ক তলিয়ে গেছে। পাশাপাশি পাইলগাঁও ইউনিয়নের আলাগদি, জালালপুর, খানপুর, আলীপুরসহ অর্ধশতাধিক গ্রামের লাখো মানুষ জলবন্দি হয়ে পড়েছেন।

বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার দুর্গাপুর ও শক্তিয়ার খলা সড়ক ডুবে যাওয়ায় সুনামগঞ্জ জেলা শহরের সঙ্গে তাহিরপুর উপজেলার সরাসরি সড়কপথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন পাঁচ উপজেলার ছয় লাখেরও বেশি মানুষ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সাপের মতো ফণা তুলে বাড়ি-ঘরে হানা দিচ্ছে বানের জল!

আপডেট সময় : ১২:০০:৩২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ জুন ২০২৪

 

পাহাড়ি ঢল আর বৃষ্টিপাতের জলে একের পর এক ডুবছে নিম্নাঞ্চলের রাস্তাঘাট ও ঘরবাড়ি

বাংলাদেশের সুনামগঞ্জ জেলার অবস্থান ভারতের মেঘালয় এবং আসাম রাজ্যের নিচে। সেখানে বৃষ্টি হলেই পাহাড় বেয়ে জল নেমে আসে নিচু এলাকা বাংলাদেশের সুনামগঞ্জে। তাতে সুনামগঞ্জের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়। ভাসিয়ে নেয় নেয় ক্ষেতের ফসল, ঘরবাড়ি।

এটি প্রতিবছরই হয়ে থাকে। মেঘালয়ের চেরাপুঞ্জিতে সবসময়ই ভারী বর্ষণ হয়ে থাকে। গ্রিষ্মকালে তেমন অসুবিধা না হয়েও বর্ষায় বাংলাধের সুনামগঞ্জ ও পাশ্ববর্তী এলাকা প্লাবিত হয়। এরই মধ্যে নিম্নাঞ্চাল প্লাবিত হয়ে সাপের মতো ফণা তুলে বাড়িঘরে হানা দিচ্ছে বানের জল।

উজানের ঢলে হু হু করে বাড়ছে সুনামগঞ্জের ২৬টি নদ-নদীর জল। একের পর এক ডুবছে নিম্নাঞ্চলের রাস্তাঘাট ও ঘরবাড়ি। বিচ্ছিন্ন হয়েছে যোগাযোগব্যবস্থা। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন ৬ লাখেরও বেশি মানুষ।

চেরাপুঞ্জিতে বৃষ্টির কারণে সুনামগঞ্জের নিম্নাঞ্চলগুলো প্লাবিত হচ্ছে বলে জানান জেলা জল উন্নয়ন বের্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার। ২০২২ সালের এই দিনে ঢলের জলে তলিয়ে যায় পুরো সুনামগঞ্জ। তাতে জলবন্দি হয়ে পড়েন ২৫ লাখেরও বেশি মানুষ। সেইসঙ্গে ঢলের জলে ৫০ হাজার ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

সাপের মতো ফণা তুলে বাড়িঘরে হানা দিচ্ছে বানের জল

জানা যায়, এরইমধ্যে জেলার দোয়ারাবাজার উপজেলার সুরমা, চেলা, চলতি, মরা চেলা, খাসিয়ামারা, মৌলা, কালিউরি, ধূমখালিসহ সব নদীর জল বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। সেইসঙ্গে ঢলের পানিতে প্লাবিত হয়েছে নিম্নাঞ্চলের লক্ষ্মীপুর, নোয়াপাড়া, রসরাই, সুলতানপুর, হাছনবাহারসহ পাঁচটি গ্রাম। তলিয়ে গেছে ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট, আমনের বীজতলা ও সবজিক্ষেত। ভোগান্তিতে পড়েছেন দুই লাখেরও বেশি মানুষ।

ঢলের জলে তলিয়ে গেছে ছাতক, তাহিরপুর, জগন্নাথপুর, ধর্মপাশাসহ আরও চার উপজেলার নিম্নাঞ্চলের পথ ঘাট। বিশেষ করে জগন্নাথপুর উপজেলার বেগমপুর, লাউতলা-রসুলগঞ্জ সড়কসহ বেশ কয়েকটি গ্রামীণ সড়ক তলিয়ে গেছে। পাশাপাশি পাইলগাঁও ইউনিয়নের আলাগদি, জালালপুর, খানপুর, আলীপুরসহ অর্ধশতাধিক গ্রামের লাখো মানুষ জলবন্দি হয়ে পড়েছেন।

বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার দুর্গাপুর ও শক্তিয়ার খলা সড়ক ডুবে যাওয়ায় সুনামগঞ্জ জেলা শহরের সঙ্গে তাহিরপুর উপজেলার সরাসরি সড়কপথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন পাঁচ উপজেলার ছয় লাখেরও বেশি মানুষ।