ঢাকা ০৬:৫৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
লোডশেডিং ৩০০০ মেগাওয়াট : গ্যাস সংকটের কারণে বিদ্যুতের লোডশেডিং বাড়ছে ১৭ জেলায় তাপপ্রবাহ অব্যাহত, ঢাকায় তাপমাত্রা সামান্য কমলেও ভ্যাপসা গরম লাইনে দাঁড়িয়ে স্বস্তি: অল্প সময়েই তেল পেলেন বাইকচালক মোহাম্মদ আলী দেশের স্বার্থে বিরোধী দলের সঙ্গে আলোচনায় প্রস্তুত সরকার: তারেক রহমান সোনার ভরিতে ৩২৬৫ ও রুপার ভরিতে ৩৫০ টাকা কমলো জাতীয় মহিলা পার্টির আহ্বায়ক নুরুন নাহার বেগম সদস্য সচিব জেসমীন নূর প্রিয়াংকা পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন প্রথম দফায় ১৫২ আসনে ভোটগ্রহণ চলছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান অবরোধে অচলাবস্থা, আলোচনায় চাপ বাড়াচ্ছে পাকিস্তান হরমুজে নৌ-সংঘাত: ইরানের হামলায় তিন জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত, আটক দুটি ১০ বছর পর তনু হত্যা রহস্যে অগ্রগতি, সাবেক সেনা সদস্য রিমান্ডে

আ. লীগ আমলের আর্থিক অপরাধ তদন্তে কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৯:১৫:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৫ ১৯৮ বার পড়া হয়েছে

আ. লীগ আমলের আর্থিক অপরাধ তদন্তে কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, গত ১৫ বছরে বাংলাদেশ থেকে ২৮ উপায়ে দুর্নীতির মাধ্যমে ২৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অবৈধভাবে পাচার হয়েছে

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের ১৫ বছরের শাসনামলে অর্থপাচার ও ব্যাংক থেকে বিপুল অংকের ঋণ নিয়ে আত্মসাতের বহুসংখ্যক অভিযোগ রয়েছে। একই গোষ্ঠী কমপক্ষে সাতটি ব্যাংকের মালিকানার দখল নিয়ে নিয়ম বহির্ভূতভাবে ঋণ নিয়ে ব্যাংকগুলোকে দেউলিয়াত্বের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে দিয়েছে।

শেখ হাসিনা সরকারের শাসনামলে বিভিন্ন এইসব আর্থিক অপরাধের ঘটনা তদন্তে একটি কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ।

বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কথা জানান, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান জানিয়েছেন।

বাংলাদেশের অর্থনীতির অবস্থা পর্যালোচনার জন্য অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ১৫ বছরে বাংলাদেশ থেকে ২৮ উপায়ে দুর্নীতির মাধ্যমে ২৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অবৈধভাবে পাচার হয়েছে।

শেখ হাসিনার শাসনামলে প্রতি বছর গড়ে ১৬ বিলিয়ন ডলার অর্থ তছরূপ ও অবৈধভাবে পাচার হয়েছে বলে ধারণা দেওয়া হয়েছে শ্বেতপত্রে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ধারাবাহিক ঋণ খেলাপের ঘটনা এবং বড় ধরনের কেলেঙ্কারিগুলো আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতাকে ধ্বংস করেছে এবং উৎপাদনশীল খাত থেকে পুঁজি অন্য দিকে সরিয়ে নিয়ে গেছে।

এছাড়া অভিবাসন খাতে গত এক দশকে প্রায় সাড়ে তের লাখ কোটি টাকা সরানো হয়েছে হুন্ডিতে লেনদেনের মাধ্যমে, যা মতিঝিল-উত্তরা মেট্রোরেল নির্মাণ খরচের চারগুণ।

উপদেষ্টা পরিষদের সিদ্ধান্ত জানিয়ে সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, আজকে উপদেষ্টা পরিষদে অনেকগুলো অধ্যাদেশ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এগুলো হচ্ছে সরকারি হিসাব নিরীক্ষা অধ্যাদেশ, ব্যাংক রিজুলেশন অধ্যাদেশ ও রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

আ. লীগ আমলের আর্থিক অপরাধ তদন্তে কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত

আপডেট সময় : ০৯:১৫:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৫

শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, গত ১৫ বছরে বাংলাদেশ থেকে ২৮ উপায়ে দুর্নীতির মাধ্যমে ২৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অবৈধভাবে পাচার হয়েছে

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের ১৫ বছরের শাসনামলে অর্থপাচার ও ব্যাংক থেকে বিপুল অংকের ঋণ নিয়ে আত্মসাতের বহুসংখ্যক অভিযোগ রয়েছে। একই গোষ্ঠী কমপক্ষে সাতটি ব্যাংকের মালিকানার দখল নিয়ে নিয়ম বহির্ভূতভাবে ঋণ নিয়ে ব্যাংকগুলোকে দেউলিয়াত্বের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে দিয়েছে।

শেখ হাসিনা সরকারের শাসনামলে বিভিন্ন এইসব আর্থিক অপরাধের ঘটনা তদন্তে একটি কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ।

বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কথা জানান, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান জানিয়েছেন।

বাংলাদেশের অর্থনীতির অবস্থা পর্যালোচনার জন্য অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ১৫ বছরে বাংলাদেশ থেকে ২৮ উপায়ে দুর্নীতির মাধ্যমে ২৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অবৈধভাবে পাচার হয়েছে।

শেখ হাসিনার শাসনামলে প্রতি বছর গড়ে ১৬ বিলিয়ন ডলার অর্থ তছরূপ ও অবৈধভাবে পাচার হয়েছে বলে ধারণা দেওয়া হয়েছে শ্বেতপত্রে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ধারাবাহিক ঋণ খেলাপের ঘটনা এবং বড় ধরনের কেলেঙ্কারিগুলো আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতাকে ধ্বংস করেছে এবং উৎপাদনশীল খাত থেকে পুঁজি অন্য দিকে সরিয়ে নিয়ে গেছে।

এছাড়া অভিবাসন খাতে গত এক দশকে প্রায় সাড়ে তের লাখ কোটি টাকা সরানো হয়েছে হুন্ডিতে লেনদেনের মাধ্যমে, যা মতিঝিল-উত্তরা মেট্রোরেল নির্মাণ খরচের চারগুণ।

উপদেষ্টা পরিষদের সিদ্ধান্ত জানিয়ে সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, আজকে উপদেষ্টা পরিষদে অনেকগুলো অধ্যাদেশ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এগুলো হচ্ছে সরকারি হিসাব নিরীক্ষা অধ্যাদেশ, ব্যাংক রিজুলেশন অধ্যাদেশ ও রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশ।