ঢাকা ১২:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সুরের মায়ায় সুজাতা সোম রাগসংগীত থেকে লোকগান, শৈশবের আসর পেরিয়ে সংগীত শিক্ষার বিস্তৃত ভুবনে বিশ্ববাজারে কমল তেলের দাম যুক্তরাষ্ট্রে মজুত বৃদ্ধির প্রভাব এশিয়ান গেমস উপলক্ষে জাপান সফরে সেনাবাহিনী প্রধান ৬০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঋণ বিতরণে ধীরগতি  বন্ধ শিল্প পুনরায় চালুর চ্যালেঞ্জ নিরাপদ প্রজননের লক্ষ্যে ৮ অক্টোবর ২২ দিন দেশজুড়ে ইলিশ আহরণ বন্ধ নিষিদ্ধ আ.লীগের ৭ নেতার মৃত্যুদন্ড সম্পত্তির অর্ধেক জুলাইযোদ্ধাদের একটানে জালে ওঠে আসে ২৬ লাখ টাকার ২ হাজার ২০০টি কাঙ্খিত  ইলিশ  কৃষিপণ্যের আমদানি কমিয়ে উৎপাদন  বাড়ানোর তাগিদ  প্রধানমন্ত্রীর সংযুক্ত আরব  আমিরাতে ৪,৮০০ বাংলাদেশির ভিসা বাতিল ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক রিসেট চায় বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রীর দ্বিপক্ষীয় সফর হওয়া উচিত হুমায়ুন

আ. লীগ আমলের আর্থিক অপরাধ তদন্তে কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৯:১৫:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৫ ২২০ বার পড়া হয়েছে

আ. লীগ আমলের আর্থিক অপরাধ তদন্তে কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, গত ১৫ বছরে বাংলাদেশ থেকে ২৮ উপায়ে দুর্নীতির মাধ্যমে ২৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অবৈধভাবে পাচার হয়েছে

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের ১৫ বছরের শাসনামলে অর্থপাচার ও ব্যাংক থেকে বিপুল অংকের ঋণ নিয়ে আত্মসাতের বহুসংখ্যক অভিযোগ রয়েছে। একই গোষ্ঠী কমপক্ষে সাতটি ব্যাংকের মালিকানার দখল নিয়ে নিয়ম বহির্ভূতভাবে ঋণ নিয়ে ব্যাংকগুলোকে দেউলিয়াত্বের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে দিয়েছে।

শেখ হাসিনা সরকারের শাসনামলে বিভিন্ন এইসব আর্থিক অপরাধের ঘটনা তদন্তে একটি কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ।

বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কথা জানান, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান জানিয়েছেন।

বাংলাদেশের অর্থনীতির অবস্থা পর্যালোচনার জন্য অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ১৫ বছরে বাংলাদেশ থেকে ২৮ উপায়ে দুর্নীতির মাধ্যমে ২৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অবৈধভাবে পাচার হয়েছে।

শেখ হাসিনার শাসনামলে প্রতি বছর গড়ে ১৬ বিলিয়ন ডলার অর্থ তছরূপ ও অবৈধভাবে পাচার হয়েছে বলে ধারণা দেওয়া হয়েছে শ্বেতপত্রে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ধারাবাহিক ঋণ খেলাপের ঘটনা এবং বড় ধরনের কেলেঙ্কারিগুলো আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতাকে ধ্বংস করেছে এবং উৎপাদনশীল খাত থেকে পুঁজি অন্য দিকে সরিয়ে নিয়ে গেছে।

এছাড়া অভিবাসন খাতে গত এক দশকে প্রায় সাড়ে তের লাখ কোটি টাকা সরানো হয়েছে হুন্ডিতে লেনদেনের মাধ্যমে, যা মতিঝিল-উত্তরা মেট্রোরেল নির্মাণ খরচের চারগুণ।

উপদেষ্টা পরিষদের সিদ্ধান্ত জানিয়ে সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, আজকে উপদেষ্টা পরিষদে অনেকগুলো অধ্যাদেশ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এগুলো হচ্ছে সরকারি হিসাব নিরীক্ষা অধ্যাদেশ, ব্যাংক রিজুলেশন অধ্যাদেশ ও রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

আ. লীগ আমলের আর্থিক অপরাধ তদন্তে কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত

আপডেট সময় : ০৯:১৫:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৫

শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, গত ১৫ বছরে বাংলাদেশ থেকে ২৮ উপায়ে দুর্নীতির মাধ্যমে ২৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অবৈধভাবে পাচার হয়েছে

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের ১৫ বছরের শাসনামলে অর্থপাচার ও ব্যাংক থেকে বিপুল অংকের ঋণ নিয়ে আত্মসাতের বহুসংখ্যক অভিযোগ রয়েছে। একই গোষ্ঠী কমপক্ষে সাতটি ব্যাংকের মালিকানার দখল নিয়ে নিয়ম বহির্ভূতভাবে ঋণ নিয়ে ব্যাংকগুলোকে দেউলিয়াত্বের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে দিয়েছে।

শেখ হাসিনা সরকারের শাসনামলে বিভিন্ন এইসব আর্থিক অপরাধের ঘটনা তদন্তে একটি কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ।

বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কথা জানান, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান জানিয়েছেন।

বাংলাদেশের অর্থনীতির অবস্থা পর্যালোচনার জন্য অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ১৫ বছরে বাংলাদেশ থেকে ২৮ উপায়ে দুর্নীতির মাধ্যমে ২৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অবৈধভাবে পাচার হয়েছে।

শেখ হাসিনার শাসনামলে প্রতি বছর গড়ে ১৬ বিলিয়ন ডলার অর্থ তছরূপ ও অবৈধভাবে পাচার হয়েছে বলে ধারণা দেওয়া হয়েছে শ্বেতপত্রে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ধারাবাহিক ঋণ খেলাপের ঘটনা এবং বড় ধরনের কেলেঙ্কারিগুলো আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতাকে ধ্বংস করেছে এবং উৎপাদনশীল খাত থেকে পুঁজি অন্য দিকে সরিয়ে নিয়ে গেছে।

এছাড়া অভিবাসন খাতে গত এক দশকে প্রায় সাড়ে তের লাখ কোটি টাকা সরানো হয়েছে হুন্ডিতে লেনদেনের মাধ্যমে, যা মতিঝিল-উত্তরা মেট্রোরেল নির্মাণ খরচের চারগুণ।

উপদেষ্টা পরিষদের সিদ্ধান্ত জানিয়ে সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, আজকে উপদেষ্টা পরিষদে অনেকগুলো অধ্যাদেশ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এগুলো হচ্ছে সরকারি হিসাব নিরীক্ষা অধ্যাদেশ, ব্যাংক রিজুলেশন অধ্যাদেশ ও রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশ।