ঢাকা ০৮:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নৃশংস ৭ বছরের শিশুর হাত চেপে ধরেন স্ত্রী আঙ্গুল কাটেন পুলিশ  কনস্টেবল জাতিসংঘ সফর শেষে সচিবালয়ে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী, শুরু দাপ্তরিক কার্যক্রম জাতিসংঘ অধিবেশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ সার্থক হয়েছে : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশের উন্নয়ন প্রচেষ্টায় চীনের সমর্থন অব্যাহত থাকবে: রাষ্ট্রদূত ১৮ দেশের বাজারকেন্দ্রিক রপ্তানি কৌশল প্রণয়ন করছে সরকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি সরকারের সমালোচনা এনসিপি আহ্বায়কের কাগজে নদীর সংখ্যা বাড়ছে নদী রক্ষাই এখন সবচেয়ে বড় সংকট সাশ্রয়ী আবাসন অর্থায়নে বাংলাদেশকে ১০ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে এডিবি শেরপুর সীমান্তে ভারতীয় সাবান-মদ জব্দ বিজিবির গরু আটক নিয়ে চাঞ্চল্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘাতের সমাধান কেবল কূটনীতিতেই: ইরান

woman killed  :  স্বজনের হাতে প্রতি ১১ মিনিটে খুন হন এক নারী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৫১:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ নভেম্বর ২০২২ ২৩৩ বার পড়া হয়েছে

আন্তোনিও গুতেরেস : ছবি সংগ্রহ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাষ্ট্রপুঞ্জ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেছেন, প্রতি ১১ মিনিটে একজন নারী তার সঙ্গী বা পরিবারের সদস্যদের হাতে খুন হচ্ছেন। নারীদের বিরুদ্ধে হিংসা সবচেয়ে বড় ‘মানবাধিকার লঙ্ঘন’

 

ভয়েস নিউজ ডেস্ক

রাষ্ট্রপুঞ্জ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেছেন, প্রতি ১১ মিনিটে একজন নারী তার সঙ্গী বা পরিবারের সদস্যদের হাতে খুন হচ্ছেন। নারীদের বিরুদ্ধে হিংসা সবচেয়ে বড় ‘মানবাধিকার লঙ্ঘন’।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকারকে এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে আরো কঠিন আইন নিয়ে আসার জন্য অনুরোধ করেন গুতেরেস। তার মতে করোনাভাইরাস মহামারি, অর্থনৈতিক চাপ ইত্যাদি কারণে নারীরা বেশি করে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন।

আন্তোনিও গুতেরেস আরো বলেছেন, বিদ্বেষমূলক বক্তব্য থেকে শুরু করে যৌন হয়রানি, ছবির অপব্যবহার-নানাভাবে অনলাইনে হিংসার সম্মুখীন হন নারীরা। এই বিদ্বেষের কারণে নারীরা অনেক ক্ষেত্রেই পিছু হটে যেতে বাধ্য হন। অথচ বিশ্বজুড়ে অর্থনীতির পুনরুদ্ধারের জন্য নারী স্বাধীনতা ও নারীদের মৌলিক অধিকারগুলোকে আরো বেশি করে সম্মান দিতে হবে।

তিনি বলেছেন, নারীদের বিরুদ্ধে অত্যাচার ও হিংসার অবসান ঘটাতে হবে। এজন্য জাতীয় সরকারকে যত দ্রুত সম্ভব নির্দিষ্ট পরিকল্পনা করতে হবে। এবং পরিকল্পনাগুলোকে বাস্তবায়ন করতে আইনের কিছু বদলও করতে হবে। আইনগুলো আদৌ কাজে আসছে কি না, তাও নিশ্চিত করতে হবে।
২০২৬ সালের মধ্যে নারী সুরক্ষার জন্য বরাদ্দ টাকা প্রত্যেক দেশকে ৫০ শতাংশ বাড়ানোর অনুরোধ করেছেন আন্তোনিও গুতেরেস।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :