ঢাকা ১০:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারে ঢাকা-নয়াদিল্লির নতুন প্রত্যাশা খুব দ্রুত বিশ্ববাজারে কমবে জ্বালানি তেলের দাম: ট্রাম্প ইসরায়েলে বহুমুখী হামলার প্রস্তুতি, মিত্রদের একজোট করছে ইরান এলএনজি সংরক্ষণ ও গ্যাসে রূপান্তরে বিনিয়োগে আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র নিউ মেক্সিকো’র নাম পরিবর্তন করে নিউ আমেরিকা রাখার প্রস্তাব ট্রাম্পের রোহিঙ্গা সংকট বাংলাদেশের অন্যতম বড় সংকট : প্রধানমন্ত্রী সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অবৈধ ব্যাটারিচালিত অটো নিয়ন্ত্রণে কঠোর পদক্ষেপ গঙ্গার পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিতের আহ্বান জনপ্রশাসন উপদেষ্টার ডেঙ্গুর ভয়াবহ ছোবল একদিনে রেকর্ড ১,৫৫৮ ভর্তি, মৃত্যু ৪ বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক সুদৃঢ় করতে সাংস্কৃতিক আদান-প্রদানে গুরুত্ব

Mother Worship : মাতৃ আরাধনা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৩৯:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অক্টোবর ২০২২ ৩১৩ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
ড. বিরাজলক্ষী ঘোষ 
পৃথিবীটা মানুষের হোক
ধর্ম থাকুক অন্তরে
মসজিদে আজান হোক
ঘন্টা বাজুক মন্দিরে”
অষ্টমী ও নবমীর পূজা
সন্ধিপূজা ও বলিদান
অষ্টমীর দিন অপরাজিতা,বেল, বকুল,কুদ ও জবা ফুল সহযোগে পূজা করার বিশেষ নিয়ম প্রচলিত।এছাড়া প্রতিদিন থাকে শিউলি ফুল।অষ্টমী পুজো সমাপ্ত হলে অষ্টমী ও নবমীর সন্ধিক্ষণে শুরু হয় সন্ধি পুজো।এই পুজোয় থাকে কিছু বিশেষ উপাচার।
এই দিন কুড়ি কেজি ওজনের চালের ভোগ দেওয়া হয় তার ওপর দেওয়া হয় একটি রাজ নাড়ু। মাকে সোনার নথ ও রূপার নোয়া দেওয়া হয় নতুন বস্ত্রের সঙ্গে।একশো আট পদ্ম ও একশো আট প্রদীপ সহযোগে দেবীর আরাধনা করা হয়। পুজো শেষে ব্রাহ্মণ কে দান করা হয়। প্রাচীন প্রথা অনুযায়ী গুরু বাড়িতে বাসন শয্যা দান করার প্রথা প্রচলিত।পূর্বে সন্ধী পুজো শুরু হবার পাঁচ মিনিট পূর্বে বাড়ির কামান দাগা হতো।এবং সন্ধি পুজো শুরু হবার সময় আবার দাগা হতো।এতে এলকাবাসী বুঝতেন পারতেন যে পুজো শুরু হবার সময় এসেছে এবং সকলে যোগ দিতেন।
সন্ধি পুজো শেষ হবার পর যে অনুষ্ঠানটি হয় সেটি হলো বলি।তবে ঘোষ বাড়ির সদস্যরা হিংস পন্থায় বিশ্বাসী নন।কারণ এখা পুজো সম্পন্ন হয় বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত মতে।তাই এখানে অহিংস বলির জন্য ব্যাবহার করা হয় চালকুমড়া,আখ ও আদা।শোনা যায় মা এসময় চামুণ্ডা রূপ ধরেন এবং সেই কারণে মার আসন থেকে বলির স্থান পর্যন্ত পথ শূন্য করে রাখা হয়। যাতে মা বলি গ্রহণ করতে পারেন।বলির পর নবমীর পুজো শুরু হয়।নবমীর পুজো শেষে হোম ও পুজো উদযাপন হয়।
পুজোর প্রতিদিন মাকে নিরামিষ ভোগ নিবেদন করা হয়।লুচি ভাজা মিষ্টি নৈবেদ্য সহ ভোগ নিবেদন করা হয়।বাড়িতে কেবল মাত্র অষ্টমী বাদে সব দিন আমিষ খাবার প্রথা প্রচলিত।নবমীর পুজো শেষে বাইরের অতিথি দের খাওয়াবার নিয়ম আছে।শোনা যায় পূর্বে পাঁঠার মাংস সহ মহা ভোজ প্রচলিত ছিল।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

Mother Worship : মাতৃ আরাধনা

আপডেট সময় : ০৭:৩৯:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অক্টোবর ২০২২
ড. বিরাজলক্ষী ঘোষ 
পৃথিবীটা মানুষের হোক
ধর্ম থাকুক অন্তরে
মসজিদে আজান হোক
ঘন্টা বাজুক মন্দিরে”
অষ্টমী ও নবমীর পূজা
সন্ধিপূজা ও বলিদান
অষ্টমীর দিন অপরাজিতা,বেল, বকুল,কুদ ও জবা ফুল সহযোগে পূজা করার বিশেষ নিয়ম প্রচলিত।এছাড়া প্রতিদিন থাকে শিউলি ফুল।অষ্টমী পুজো সমাপ্ত হলে অষ্টমী ও নবমীর সন্ধিক্ষণে শুরু হয় সন্ধি পুজো।এই পুজোয় থাকে কিছু বিশেষ উপাচার।
এই দিন কুড়ি কেজি ওজনের চালের ভোগ দেওয়া হয় তার ওপর দেওয়া হয় একটি রাজ নাড়ু। মাকে সোনার নথ ও রূপার নোয়া দেওয়া হয় নতুন বস্ত্রের সঙ্গে।একশো আট পদ্ম ও একশো আট প্রদীপ সহযোগে দেবীর আরাধনা করা হয়। পুজো শেষে ব্রাহ্মণ কে দান করা হয়। প্রাচীন প্রথা অনুযায়ী গুরু বাড়িতে বাসন শয্যা দান করার প্রথা প্রচলিত।পূর্বে সন্ধী পুজো শুরু হবার পাঁচ মিনিট পূর্বে বাড়ির কামান দাগা হতো।এবং সন্ধি পুজো শুরু হবার সময় আবার দাগা হতো।এতে এলকাবাসী বুঝতেন পারতেন যে পুজো শুরু হবার সময় এসেছে এবং সকলে যোগ দিতেন।
সন্ধি পুজো শেষ হবার পর যে অনুষ্ঠানটি হয় সেটি হলো বলি।তবে ঘোষ বাড়ির সদস্যরা হিংস পন্থায় বিশ্বাসী নন।কারণ এখা পুজো সম্পন্ন হয় বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত মতে।তাই এখানে অহিংস বলির জন্য ব্যাবহার করা হয় চালকুমড়া,আখ ও আদা।শোনা যায় মা এসময় চামুণ্ডা রূপ ধরেন এবং সেই কারণে মার আসন থেকে বলির স্থান পর্যন্ত পথ শূন্য করে রাখা হয়। যাতে মা বলি গ্রহণ করতে পারেন।বলির পর নবমীর পুজো শুরু হয়।নবমীর পুজো শেষে হোম ও পুজো উদযাপন হয়।
পুজোর প্রতিদিন মাকে নিরামিষ ভোগ নিবেদন করা হয়।লুচি ভাজা মিষ্টি নৈবেদ্য সহ ভোগ নিবেদন করা হয়।বাড়িতে কেবল মাত্র অষ্টমী বাদে সব দিন আমিষ খাবার প্রথা প্রচলিত।নবমীর পুজো শেষে বাইরের অতিথি দের খাওয়াবার নিয়ম আছে।শোনা যায় পূর্বে পাঁঠার মাংস সহ মহা ভোজ প্রচলিত ছিল।