ঢাকা ০৬:১১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশের স্বার্থে বিরোধী দলের সঙ্গে আলোচনায় প্রস্তুত সরকার: তারেক রহমান সোনার ভরিতে ৩২৬৫ ও রুপার ভরিতে ৩৫০ টাকা কমলো জাতীয় মহিলা পার্টির আহ্বায়ক নুরুন নাহার বেগম সদস্য সচিব জেসমীন নূর প্রিয়াংকা পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন প্রথম দফায় ১৫২ আসনে ভোটগ্রহণ চলছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান অবরোধে অচলাবস্থা, আলোচনায় চাপ বাড়াচ্ছে পাকিস্তান হরমুজে নৌ-সংঘাত: ইরানের হামলায় তিন জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত, আটক দুটি ১০ বছর পর তনু হত্যা রহস্যে অগ্রগতি, সাবেক সেনা সদস্য রিমান্ডে পাচারের অর্থ উদ্ধারে ১০ দেশের সঙ্গে চুক্তি প্রক্রিয়াধীন: সংসদে প্রধানমন্ত্রী ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডারে টান: প্যাট্রিয়ট ও থাডের অর্ধেক প্রায় শেষ ভারত-শাসিত কাশ্মীরে যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে অন্তত ২১ জনের প্রাণহানি

Mahmuda Sultana : মাহমুদা সুলতানা’র কবিতা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:০৫:৩৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ মার্চ ২০২২ ৪৯৭ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

স্বাধীনতা তুমি

স্বাধীনতা তুমি দেখতে কেমন?
তুমি তো আমার স্বাধীনতা।

তবে তোমাকে আমি দেখতে পারিনা কেন?
তুমি কোথায় লুকিয়ে আছে
ঐ বাজারের
নিত্যপন্যের দরের শরমের
আড়ালে?

এক সাগর রক্তের বিনিময়ে তোমাকে
ছিনিয়ে এনেছি বিশ্বের দরবারে মাথা উচু করে দাড়াবো বলে।
বাজার দরের ভয়ে লুকিয়ে থাকার জন্য নয়।

স্বাধীনতা তুমি কি গণতন্ত্রের আড়ালে লুকিয়ে আছো?
গণতন্ত্র একটু অসুস্থ তবে এই এল বলে।
সূর্যের মত প্রবল শক্তি নিয়ে।

স্বাধীনতা তুমি আমার ভাইয়ের রক্ত
মায়ের চোখের জল বোনের সম্ভাম জলাঞ্জলির বিনিময়ে পেয়েছ।
স্বাধীনতা তুমি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গেটে বসে কাদঁছো কোন?
আহ! ঘুষ খোরের শরমে তুমি লুকিয়ে কেন?

তুমি লুকিয়ে নয় মাথা উঁচু করে থাকবে সব জঞ্জাল সাফ করে।
দুখিনী মা কাঁদে তুমি বেরিয়ে আসো
তোমার বজ্র কঠিন কন্ঠ নিয়ে
তর্জনী উঁচুয়ে।

১১/৩/২২

(চলার সঙ্গে ভাবনার মিল হলেই অনায়াসে কাজটা সেরে নিতে পারেন। শৈশবকাল থেকেই লেখালেখির জগতে বিচরণ। গীটার তার প্রিয় বাদ্যযন্ত্র। কোন কিছু ভেবে নিয়ে অনায়াসে লিখে যেতে পারেন বিরামহীন। মাহমুদা সুলতানা একাধারে লেখক, সমাজচিন্তক, গীটার বাদক, বাদিকশিল্পী এবং সাংস্কৃতিক জগতের বাসিন্দা। মুক্তমনা এই লেখক আলোকিত সমাজ গঠনে বিশ্বাসী। তার লেখার মাধ্যমে সমাজের মলিনতা দূর করতেই নিরন্তন কাজ করে চলেছেন। অগ্রসর চিন্তা নিয়ে সমাজের সঙ্গে ভালোবাসার বন্ধনীটা মজবুত করতে নিজেকে নিয়োজিত করেছেন। জীবনভর কঠোর সংগ্রামী এবং প্রতিকূলতাকে অতিক্রম করা হার না মানা এক নারী। লেখার প্রেরণাটা আসে তার ভেতর থেকেই। আর্থ-সমাজিক উন্নয়নে নারী সমাজের অংশ গ্রহন আলাদা কোন বিষয় নয়, বরং এক কাতারেই হওয়া উচিত বলে মনে করেন তিনি। নিজেকে আত্মকেন্দ্রিকতার দেয়ালে বন্দী না রেখে সমর্পিত হয়েছেন বহুজনের মাঝে শুভ, সুন্দর, কল্যাণের মঙ্গলালোকে। তিনি সমাজের শুভবোধের সারথী)

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

Mahmuda Sultana : মাহমুদা সুলতানা’র কবিতা

আপডেট সময় : ১০:০৫:৩৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ মার্চ ২০২২

স্বাধীনতা তুমি

স্বাধীনতা তুমি দেখতে কেমন?
তুমি তো আমার স্বাধীনতা।

তবে তোমাকে আমি দেখতে পারিনা কেন?
তুমি কোথায় লুকিয়ে আছে
ঐ বাজারের
নিত্যপন্যের দরের শরমের
আড়ালে?

এক সাগর রক্তের বিনিময়ে তোমাকে
ছিনিয়ে এনেছি বিশ্বের দরবারে মাথা উচু করে দাড়াবো বলে।
বাজার দরের ভয়ে লুকিয়ে থাকার জন্য নয়।

স্বাধীনতা তুমি কি গণতন্ত্রের আড়ালে লুকিয়ে আছো?
গণতন্ত্র একটু অসুস্থ তবে এই এল বলে।
সূর্যের মত প্রবল শক্তি নিয়ে।

স্বাধীনতা তুমি আমার ভাইয়ের রক্ত
মায়ের চোখের জল বোনের সম্ভাম জলাঞ্জলির বিনিময়ে পেয়েছ।
স্বাধীনতা তুমি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গেটে বসে কাদঁছো কোন?
আহ! ঘুষ খোরের শরমে তুমি লুকিয়ে কেন?

তুমি লুকিয়ে নয় মাথা উঁচু করে থাকবে সব জঞ্জাল সাফ করে।
দুখিনী মা কাঁদে তুমি বেরিয়ে আসো
তোমার বজ্র কঠিন কন্ঠ নিয়ে
তর্জনী উঁচুয়ে।

১১/৩/২২

(চলার সঙ্গে ভাবনার মিল হলেই অনায়াসে কাজটা সেরে নিতে পারেন। শৈশবকাল থেকেই লেখালেখির জগতে বিচরণ। গীটার তার প্রিয় বাদ্যযন্ত্র। কোন কিছু ভেবে নিয়ে অনায়াসে লিখে যেতে পারেন বিরামহীন। মাহমুদা সুলতানা একাধারে লেখক, সমাজচিন্তক, গীটার বাদক, বাদিকশিল্পী এবং সাংস্কৃতিক জগতের বাসিন্দা। মুক্তমনা এই লেখক আলোকিত সমাজ গঠনে বিশ্বাসী। তার লেখার মাধ্যমে সমাজের মলিনতা দূর করতেই নিরন্তন কাজ করে চলেছেন। অগ্রসর চিন্তা নিয়ে সমাজের সঙ্গে ভালোবাসার বন্ধনীটা মজবুত করতে নিজেকে নিয়োজিত করেছেন। জীবনভর কঠোর সংগ্রামী এবং প্রতিকূলতাকে অতিক্রম করা হার না মানা এক নারী। লেখার প্রেরণাটা আসে তার ভেতর থেকেই। আর্থ-সমাজিক উন্নয়নে নারী সমাজের অংশ গ্রহন আলাদা কোন বিষয় নয়, বরং এক কাতারেই হওয়া উচিত বলে মনে করেন তিনি। নিজেকে আত্মকেন্দ্রিকতার দেয়ালে বন্দী না রেখে সমর্পিত হয়েছেন বহুজনের মাঝে শুভ, সুন্দর, কল্যাণের মঙ্গলালোকে। তিনি সমাজের শুভবোধের সারথী)