ঢাকা ০৭:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাজনৈতিক ব্যবহারের অবসান চায় সরকার, আসছে নতুন এলিট ফোর্স রাতে মদের আসরে তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, সকালে ধৃত ৩ ধর্ষক ২০২৬-২৭ অর্থবছরে এডিপির আকার নির্ধারণ ৩ লাখ কোটি টাকা : অর্থমন্ত্রী দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী পালনে বিএনপির ৮ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা চাঁদাবাজ সন্ত্রাসীদের  হত্যার ফরমান নিয়ে দিনযাপন করছেন, জুলাই যোদ্ধা আমিরুল সীমান্তে অবৈধ গবাদিপশু প্রবেশ ঠেকাতে বিজিবিকে কঠোর নজরদারির নির্দেশ হরমুজ প্রণালিতে ইরানের পূর্ণ সামরিক নিয়ন্ত্রণ: মধ্যপ্রাচ্যে শক্তির নতুন বার্তা গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিতে স্বাধীন কমিশন গঠন করা হবে: তথ্যমন্ত্রী পেট্রোবাংলার  চেয়ারম্যানের দায়িত্বে অতিরিক্ত সচিব মো. আব্দুল মান্নান প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সম্পাদক পরিষদের সৌহার্দ্যপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত

Grenade: রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী নবীর ঘরে মিলল গ্রেনেড!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৪৬:৫৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৩ ২৯৬ বার পড়া হয়েছে

উখিয়ার বালুখালী আশ্রয়শিবি (ক্যাম্প-৮ পশ্চিম) থেকে উদ্ধার করা হয় গ্রেনেড ছবি: সংগৃহীত

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক

রোহিঙ্গা আশ্রয় শিবিরে অপরাধ প্রকাশ্যে আসছে। উখিয়ার বালুখালী আশ্রয়শিবিরের এক রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীর ঘর থেকে একটি অবিস্ফোরিত গ্রেনেড উদ্ধার করেছে পুলিশ। শিবির (ক্যাম্প-৮ পশ্চিম) গ্রেনেডটি উদ্ধারের পর থেকেই নানা প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে। শিবিরে গ্রেনেড আসল কিভাবে?

গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তাদের বক্তব্য এটি দেখতে আর্জেস গ্রেনেড মনে হলেও এটি মিয়ানমারের তৈরি হতে পারে। গ্রেনেডের গায়ে কোনো সিল বা লেখা নেই। ধারণা করা হচ্ছে, মিয়ানমার থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে।

শিবিরে মোহাম্মদ নবীর যে ঘর থেকে গ্রেনেড উদ্ধার হয়েছে। নবী রোহিঙ্গা শিবিরের একজন মাদক কারবারি। আশ্রয়শিবিরে মাদক বাণিজ্যের অন্যতম পাণ্ডা রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী গোষ্ঠী নবী গ্রুপের প্রধান নবী হোসেনের সহযোগী। মাদক কারবারের টাকার ভাগাভাগি নিয়ে গুলিবিদ্ধ মোহাম্মদ নবীর বিরোধ ছিল। এরই জেরে মিয়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান স্যালভেশন আর্মির (আরসা) হামলায় সন্ত্রাসী মোহাম্মদ নবী (৪০) গুলিবিদ্ধ হয়।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী মোহাম্মদ নবী : ছবি সংগ্রহ

ঘটনার দিন শুক্রবার ১০-১২ জনের আরসা সন্ত্রাসী শিবিরে ঢুকে নবীকে তুলে নিতে ব্যর্থ হয়ে কয়েকটি গুলি করে পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ আহত নবীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।

পুলিশ সূত্রের খবর, এদিন বিকেলে এপিবিএন নবীর ঘরে অভিযান চালিয়ে গ্রেনেডটি উদ্ধার করে। শনিবার দুপুরে সেনাবাহিনীর ৩০ জনের একটি বিস্ফোরক দল ঘটনাস্থলে গ্রেনেডটি দেখে আসেন।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও আশ্রয়শিবিরগুলোর রোহিঙ্গা নেতাদের দেওয়া তথ্যমতে, মিয়ানমারের আরাকান রাজ্যে চার মাস ধরে প্রায়ই স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মির (এএ) সঙ্গে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনীর সংঘর্ষ হচ্ছে। এসব সংঘর্ষে এ ধরনের গ্রেনেড ব্যবহার হয়ে আসছে।

পুলিশের দেওয়া তথ্যমতে, চার মাসে উখিয়ার একাধিক আশ্রয়শিবিরে আরসার সঙ্গে নবী হোসেন বাহিনীর একাধিক সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনায় অন্তত ২৩ জন রোহিঙ্গার মৃত্যু হয়েছে। তার মধ্যে ১০ রোহিঙ্গা মাঝি ও পাঁচজন আরসার সদস্য। নিহত মাঝি নবী হোসেন গ্রুপের সমর্থক।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

Grenade: রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী নবীর ঘরে মিলল গ্রেনেড!

আপডেট সময় : ০৮:৪৬:৫৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৩

অনলাইন ডেস্ক

রোহিঙ্গা আশ্রয় শিবিরে অপরাধ প্রকাশ্যে আসছে। উখিয়ার বালুখালী আশ্রয়শিবিরের এক রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীর ঘর থেকে একটি অবিস্ফোরিত গ্রেনেড উদ্ধার করেছে পুলিশ। শিবির (ক্যাম্প-৮ পশ্চিম) গ্রেনেডটি উদ্ধারের পর থেকেই নানা প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে। শিবিরে গ্রেনেড আসল কিভাবে?

গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তাদের বক্তব্য এটি দেখতে আর্জেস গ্রেনেড মনে হলেও এটি মিয়ানমারের তৈরি হতে পারে। গ্রেনেডের গায়ে কোনো সিল বা লেখা নেই। ধারণা করা হচ্ছে, মিয়ানমার থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে।

শিবিরে মোহাম্মদ নবীর যে ঘর থেকে গ্রেনেড উদ্ধার হয়েছে। নবী রোহিঙ্গা শিবিরের একজন মাদক কারবারি। আশ্রয়শিবিরে মাদক বাণিজ্যের অন্যতম পাণ্ডা রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী গোষ্ঠী নবী গ্রুপের প্রধান নবী হোসেনের সহযোগী। মাদক কারবারের টাকার ভাগাভাগি নিয়ে গুলিবিদ্ধ মোহাম্মদ নবীর বিরোধ ছিল। এরই জেরে মিয়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান স্যালভেশন আর্মির (আরসা) হামলায় সন্ত্রাসী মোহাম্মদ নবী (৪০) গুলিবিদ্ধ হয়।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী মোহাম্মদ নবী : ছবি সংগ্রহ

ঘটনার দিন শুক্রবার ১০-১২ জনের আরসা সন্ত্রাসী শিবিরে ঢুকে নবীকে তুলে নিতে ব্যর্থ হয়ে কয়েকটি গুলি করে পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ আহত নবীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।

পুলিশ সূত্রের খবর, এদিন বিকেলে এপিবিএন নবীর ঘরে অভিযান চালিয়ে গ্রেনেডটি উদ্ধার করে। শনিবার দুপুরে সেনাবাহিনীর ৩০ জনের একটি বিস্ফোরক দল ঘটনাস্থলে গ্রেনেডটি দেখে আসেন।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও আশ্রয়শিবিরগুলোর রোহিঙ্গা নেতাদের দেওয়া তথ্যমতে, মিয়ানমারের আরাকান রাজ্যে চার মাস ধরে প্রায়ই স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মির (এএ) সঙ্গে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনীর সংঘর্ষ হচ্ছে। এসব সংঘর্ষে এ ধরনের গ্রেনেড ব্যবহার হয়ে আসছে।

পুলিশের দেওয়া তথ্যমতে, চার মাসে উখিয়ার একাধিক আশ্রয়শিবিরে আরসার সঙ্গে নবী হোসেন বাহিনীর একাধিক সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনায় অন্তত ২৩ জন রোহিঙ্গার মৃত্যু হয়েছে। তার মধ্যে ১০ রোহিঙ্গা মাঝি ও পাঁচজন আরসার সদস্য। নিহত মাঝি নবী হোসেন গ্রুপের সমর্থক।