ঢাকা ১২:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এলএনজি টার্মিনাল সচলে আরও পাঁচ দিন দেশজুড়ে গ্যাস সংকট তীব্র, বাসা-বাড়ি, শিল্প ও যানবাহনে চরম ভোগান্তি পরিবেশের মারাত্মক প্রভাবে হুমকির মুখে সুন্দরবন সশস্ত্র বাহিনীকে দলীয় হাতিয়ার হতে দেওয়া হবে না বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান ভারতের ঐতিহাসিক বৌদ্ধ তীর্থস্থান সারনাথ স্বামীর নির্যাতন বরিশালে আওয়ামী লীগ নেত্রীর আত্মহত্যা রোববার বঙ্গভবন ছাড়ছেন সদ্যবিদায়ি রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ মেনে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছি: স্পিকার রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাঁর পদত্যাগপত্রে যা লিখেন রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের গুঞ্জন আপনারা যেমন শুনেছেন, আমিও তেমনই শুনেছি  স্পিকার রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করতে যাচ্ছেন, জোরালো হচ্ছে রাজনৈতিক আলোচনা

৫০ কোটি টাকা আত্মসাত

ভয়েস রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ০৪:৫৯:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ জুন ২০২১ ২৮৩ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

এক, দুই হাজার বা লাখও নয়। কোটির ঘরে সীমাবদ্ধ থাকলেও স্বাভাবিক ঘটনার কাছাকাছি ভেবে নেওয়া যেতো। কিন্তু ৫০ কোটি? তাও আবার আত্মাসাত!

ঠিকই শুনেছেন।  ৪২ বছর বয়সের মশিউর রহমান খান ওরফে বাবু প্রতারণা করে ৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে অবশেষে গ্রেপ্তার হয়েছেন। মঙ্গলবার ঢাকার কাফরুল এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে সিআইডি।

তার বাড়ি মশিউর রহমানের গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায়। তিনি মহাখালীর ডিওএইচএসের একটি বাড়িতে আবরার গ্রুপ নামে একটি কম্পানির অফিস খুলে নিজেকে কোম্পানির ক্রয় কর্মকর্তার পরিচয় দিতেন।

বুধবার সিআইডি সদর দপ্তরে জানানো হয়, মশিউর নিজেকে আবরার গ্রুপের ক্রয় কর্মকর্তা (বায়ার) হিসেবে পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন কম্পানি বা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে পণ্য কেনার চুক্তি করতেন। চুক্তি অনুযায়ী পণ্যের মূল্য বাবদ ১০ থেকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত নগদ পরিশোধ করে বাকি টাকার চেক দিতেন।

কিন্তু ব্যাংকে গিয়ে ব্যবসায়ীরা সেই টাকা আর তুলতে পারতেন না। এভাবে প্রতারণা করে প্রায় ৫০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন তিনি। পরে ভুক্তভোগীরা থানায় মামলা করেন। তার নামে ৯২টিরও বেশি মামলা রয়েছে।

মশিউরের গ্রেপ্তারের খবর জানতে পেরে বিভিন্ন জায়গা থেকে সিআইডি কার্যালয়ে শতাধিক ব্যবসায়ী ছুটে আসেন। দারা সবাই প্রতারণার শিকার। তারা জানান, ব্যবসায়ীরা টাকা চাইলে মশিউর তাদের প্রাণনাশের হুমকি দিতেন। দেশের প্রভাবশালী লোকদের সঙ্গে পরিচয়ের কথা বলেও তিনি ভয় দেখাতেন।

সম্প্রতি নারায়ণগঞ্জের দেলোয়ার ফ্লাওয়ার্স মিলের মালিক দেলোয়ার হোসেনের অভিযোগের ভিত্তিতে মশিউরের বিরুদ্ধে তদন্তে নামে সিআইডি। সিআইডির ঢাকা মেট্রো উত্তর বিভাগের অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার জাকির হোসাইন ও সহকারী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জহিরুল হকের নেতৃত্বে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

৫০ কোটি টাকা আত্মসাত

আপডেট সময় : ০৪:৫৯:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ জুন ২০২১

এক, দুই হাজার বা লাখও নয়। কোটির ঘরে সীমাবদ্ধ থাকলেও স্বাভাবিক ঘটনার কাছাকাছি ভেবে নেওয়া যেতো। কিন্তু ৫০ কোটি? তাও আবার আত্মাসাত!

ঠিকই শুনেছেন।  ৪২ বছর বয়সের মশিউর রহমান খান ওরফে বাবু প্রতারণা করে ৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে অবশেষে গ্রেপ্তার হয়েছেন। মঙ্গলবার ঢাকার কাফরুল এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে সিআইডি।

তার বাড়ি মশিউর রহমানের গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায়। তিনি মহাখালীর ডিওএইচএসের একটি বাড়িতে আবরার গ্রুপ নামে একটি কম্পানির অফিস খুলে নিজেকে কোম্পানির ক্রয় কর্মকর্তার পরিচয় দিতেন।

বুধবার সিআইডি সদর দপ্তরে জানানো হয়, মশিউর নিজেকে আবরার গ্রুপের ক্রয় কর্মকর্তা (বায়ার) হিসেবে পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন কম্পানি বা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে পণ্য কেনার চুক্তি করতেন। চুক্তি অনুযায়ী পণ্যের মূল্য বাবদ ১০ থেকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত নগদ পরিশোধ করে বাকি টাকার চেক দিতেন।

কিন্তু ব্যাংকে গিয়ে ব্যবসায়ীরা সেই টাকা আর তুলতে পারতেন না। এভাবে প্রতারণা করে প্রায় ৫০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন তিনি। পরে ভুক্তভোগীরা থানায় মামলা করেন। তার নামে ৯২টিরও বেশি মামলা রয়েছে।

মশিউরের গ্রেপ্তারের খবর জানতে পেরে বিভিন্ন জায়গা থেকে সিআইডি কার্যালয়ে শতাধিক ব্যবসায়ী ছুটে আসেন। দারা সবাই প্রতারণার শিকার। তারা জানান, ব্যবসায়ীরা টাকা চাইলে মশিউর তাদের প্রাণনাশের হুমকি দিতেন। দেশের প্রভাবশালী লোকদের সঙ্গে পরিচয়ের কথা বলেও তিনি ভয় দেখাতেন।

সম্প্রতি নারায়ণগঞ্জের দেলোয়ার ফ্লাওয়ার্স মিলের মালিক দেলোয়ার হোসেনের অভিযোগের ভিত্তিতে মশিউরের বিরুদ্ধে তদন্তে নামে সিআইডি। সিআইডির ঢাকা মেট্রো উত্তর বিভাগের অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার জাকির হোসাইন ও সহকারী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জহিরুল হকের নেতৃত্বে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।