ঢাকা ০১:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঢাকাকে ‘ক্লিন–গ্রিন’ নগরী গড়তে সরকারের বহুমাত্রিক পরিকল্পনা দেশজুড়ে কালবৈশাখীর দাপট: স্বস্তির বৃষ্টি, সঙ্গে ভোগান্তি ও সতর্কতা জব্বারের বলীখেলায় ইতিহাস: হ্যাটট্রিক চ্যাম্পিয়ন বাঘা শরীফ উত্তরাঞ্চলে অতিবৃষ্টির শঙ্কা: সিলেট-সুনামগঞ্জে সাময়িক বন্যার পূর্বাভাস বিয়াম স্কুলে শিশুদের সঙ্গে প্রাণবন্ত সময় কাটালেন প্রধানমন্ত্রী উদ্ভাবকদের স্বীকৃতি ও সুরক্ষায় আধুনিক ব্যবস্থা গড়ে তুলছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে উত্তরণ কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়নের ২৯ তম বার্ষিক সাধারণ সভা পৃষ্ঠপোষকতার অর্থনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে সংস্কারে জোর দিচ্ছে সরকার : অর্থমন্ত্রী গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার শঙ্কা: নজরদারি বাড়িয়েছে সিটিটিসি নির্বাচনের আগেই অস্থিতিশীলতার ষড়যন্ত্র: জামায়াতকে কড়া জবাব মির্জা ফখরুলের

পোশাক উৎপাদনের বিশ্বে দ্বিতীয় বাংলাদেশ

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৭:৪১:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২ জুন ২০২১ ৩৩১ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পোশাক উৎপাদনের বিশ্বে  প্রথমস্থান দখলের চেষ্টা বাংলাদেশের 

‘সূচকে তৃতীয় স্থানে রয়েছে বাংলাদেশের প্রতিদ্বন্দ্বী ভিয়েতনাম। আর চীনের অবস্থান ৭ম। সাপ্লাই চেইন কমপ্লায়েন্সসহ সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান কিউআইএমএ’র সর্বশেষ এই মান নির্ধারণের ঘোষণা দিয়েছে। চীন ভিত্তিক প্রতিষ্ঠানটি বিশ্বের বড় বড় ব্র্যান্ড এবং ক্রেতা প্রতিষ্ঠানকে সেবা সরবরাহ করে থাকে (কিউআইএমএ’র) প্রতিবেদন’

প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলোকে  পেছনে ফেলে বাংলাদেশি পোশাক খাত আন্তর্জাতিক মান সূচকে অগ্রগামী হয়েছে। সর্বশেষ ইথিক্যাল অডিট সূচকে বাংলাদেশি পোশাক কারখানার উৎপাদন ব্যবস্থা দ্বিতীয় স্থানে ওঠে এসেছে।   প্রথম স্থানে রয়েছে তাইওয়ান। তাইওয়ানকে টপকানোর চেষ্টা বাংলাদেশের। 

বাংলাদেশের পোশাক খাতে প্রথমবারের মত এই স্বীকৃতি অর্জন রফতানি ও দেশের ভাবমূর্তি বাড়াতে ভূমিকা রাখবে এবং ক্রেতাদের কাছেও কদর বাড়বে।

 

সূচকে তৃতীয় স্থানে রয়েছে বাংলাদেশের প্রতিদ্বন্দ্বী ভিয়েতনাম। আর চীনের অবস্থান ৭ম। সাপ্লাই চেইন কমপ্লায়েন্সসহ সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান কিউআইএমএ’র সর্বশেষ এই মান নির্ধারণের ঘোষণা দিয়েছে। চীন ভিত্তিক প্রতিষ্ঠানটি বিশ্বের বড় বড় ব্র্যান্ড এবং ক্রেতা প্রতিষ্ঠানকে সেবা সরবরাহ করে থাকে।

৮৫ দেশে কিউআইএমএ’র স্থানীয় অফিস রয়েছে। সাম্প্রতিককালে বাংলাদেশের পোশাক খাত কমপ্লায়েন্স ইস্যুতে বেশ এগিয়েছে এবং ক্রেতাদের কাছে সুনাম কুড়িয়েছে। তবে পণ্যের দরকষাকষিতে বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানগুলো দুর্বল ছিল। ইথিক্যাল অডিটে এগিয়ে থাকায় দরকষাকষিতে বাড়তি সুবিধা পাওয়া যাবে।

প্রসঙ্গত, ইথিক্যাল অডিট কারখানাগুলোর উৎপাদন ব্যবস্থায় আন্তর্জাতিক মান নিশ্চিত হচ্ছে কি না, তা নিরীক্ষা করে। শ্রমিকের বেতন-ভাতা, কর্মপরিবেশ, সাধারণ ও মাতৃত্বকালীন ছুটি, সামাজিক ও পরিবেশগত নিরাপত্তার শর্ত এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক সুবিধাদি বিশ্লেষণ করা হয়।

সাধারণ আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের শর্তমেনে শ্রমঅধিকার নিশ্চিত করার বিষয়টি এর মাধ্যমে খোলাসা হয়ে ওঠে। এই সূচক তৈরিতে সরেজমিন কারখানা পরিদর্শন, শ্রমিকদের সাক্ষাতকার, কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনাও করা হয়।

তথ্য অনুযায়ী গত ইথিক্যাল অডিট সূচকে ১০ পয়েন্টের মধ্যে বাংলাদেশের সূচক ৭ দশমিক ৭। ভিয়েতনামের ৭ দশমিক ৬। চীন ৭ দশমিক ৩ পয়েন্ট পেয়ে সপ্তম স্থানে রয়েছে।

এই অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেছে পোশাক শিল্প মালিকরা। বিজিএমইএ সহসভাপতি শহীদুল্লাহ আজিম বলেন, এটি বাংলাদেশের অনন্য অর্জন। রানা প্লাজা ধসের পর যে দুর্নাম হয়েছিল, তা কাটিয়ে উঠতে সহায়ক হবে। ক্রেতাদের কাছ থেকে বেশি রপ্তানি আদেশ পাওয়া যাবে।

পোশাক খাতের ইতিহাসে প্রথম এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির নেপথ্যে রানা প্লাজা ঘটনা পরবর্তী ক্রেতাদের জোট অ্যাকর্ড এবং অ্যালায়েন্সের কর্মতৎপরতায় কারখানার পরিবেশ উন্নয়নে যুগান্তকারী কাজ হয়। যদিও এই সংস্কারের বিষয়টি ব্যয়বহুল হওয়ায় উৎপাদকদের বাড়তি খরচ করতে হয়েছিল। তবে এই স্বীকৃতি আগামী দিনে ব্যবসা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

পোশাক উৎপাদনের বিশ্বে দ্বিতীয় বাংলাদেশ

আপডেট সময় : ০৭:৪১:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২ জুন ২০২১

পোশাক উৎপাদনের বিশ্বে  প্রথমস্থান দখলের চেষ্টা বাংলাদেশের 

‘সূচকে তৃতীয় স্থানে রয়েছে বাংলাদেশের প্রতিদ্বন্দ্বী ভিয়েতনাম। আর চীনের অবস্থান ৭ম। সাপ্লাই চেইন কমপ্লায়েন্সসহ সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান কিউআইএমএ’র সর্বশেষ এই মান নির্ধারণের ঘোষণা দিয়েছে। চীন ভিত্তিক প্রতিষ্ঠানটি বিশ্বের বড় বড় ব্র্যান্ড এবং ক্রেতা প্রতিষ্ঠানকে সেবা সরবরাহ করে থাকে (কিউআইএমএ’র) প্রতিবেদন’

প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলোকে  পেছনে ফেলে বাংলাদেশি পোশাক খাত আন্তর্জাতিক মান সূচকে অগ্রগামী হয়েছে। সর্বশেষ ইথিক্যাল অডিট সূচকে বাংলাদেশি পোশাক কারখানার উৎপাদন ব্যবস্থা দ্বিতীয় স্থানে ওঠে এসেছে।   প্রথম স্থানে রয়েছে তাইওয়ান। তাইওয়ানকে টপকানোর চেষ্টা বাংলাদেশের। 

বাংলাদেশের পোশাক খাতে প্রথমবারের মত এই স্বীকৃতি অর্জন রফতানি ও দেশের ভাবমূর্তি বাড়াতে ভূমিকা রাখবে এবং ক্রেতাদের কাছেও কদর বাড়বে।

 

সূচকে তৃতীয় স্থানে রয়েছে বাংলাদেশের প্রতিদ্বন্দ্বী ভিয়েতনাম। আর চীনের অবস্থান ৭ম। সাপ্লাই চেইন কমপ্লায়েন্সসহ সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান কিউআইএমএ’র সর্বশেষ এই মান নির্ধারণের ঘোষণা দিয়েছে। চীন ভিত্তিক প্রতিষ্ঠানটি বিশ্বের বড় বড় ব্র্যান্ড এবং ক্রেতা প্রতিষ্ঠানকে সেবা সরবরাহ করে থাকে।

৮৫ দেশে কিউআইএমএ’র স্থানীয় অফিস রয়েছে। সাম্প্রতিককালে বাংলাদেশের পোশাক খাত কমপ্লায়েন্স ইস্যুতে বেশ এগিয়েছে এবং ক্রেতাদের কাছে সুনাম কুড়িয়েছে। তবে পণ্যের দরকষাকষিতে বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানগুলো দুর্বল ছিল। ইথিক্যাল অডিটে এগিয়ে থাকায় দরকষাকষিতে বাড়তি সুবিধা পাওয়া যাবে।

প্রসঙ্গত, ইথিক্যাল অডিট কারখানাগুলোর উৎপাদন ব্যবস্থায় আন্তর্জাতিক মান নিশ্চিত হচ্ছে কি না, তা নিরীক্ষা করে। শ্রমিকের বেতন-ভাতা, কর্মপরিবেশ, সাধারণ ও মাতৃত্বকালীন ছুটি, সামাজিক ও পরিবেশগত নিরাপত্তার শর্ত এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক সুবিধাদি বিশ্লেষণ করা হয়।

সাধারণ আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের শর্তমেনে শ্রমঅধিকার নিশ্চিত করার বিষয়টি এর মাধ্যমে খোলাসা হয়ে ওঠে। এই সূচক তৈরিতে সরেজমিন কারখানা পরিদর্শন, শ্রমিকদের সাক্ষাতকার, কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনাও করা হয়।

তথ্য অনুযায়ী গত ইথিক্যাল অডিট সূচকে ১০ পয়েন্টের মধ্যে বাংলাদেশের সূচক ৭ দশমিক ৭। ভিয়েতনামের ৭ দশমিক ৬। চীন ৭ দশমিক ৩ পয়েন্ট পেয়ে সপ্তম স্থানে রয়েছে।

এই অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেছে পোশাক শিল্প মালিকরা। বিজিএমইএ সহসভাপতি শহীদুল্লাহ আজিম বলেন, এটি বাংলাদেশের অনন্য অর্জন। রানা প্লাজা ধসের পর যে দুর্নাম হয়েছিল, তা কাটিয়ে উঠতে সহায়ক হবে। ক্রেতাদের কাছ থেকে বেশি রপ্তানি আদেশ পাওয়া যাবে।

পোশাক খাতের ইতিহাসে প্রথম এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির নেপথ্যে রানা প্লাজা ঘটনা পরবর্তী ক্রেতাদের জোট অ্যাকর্ড এবং অ্যালায়েন্সের কর্মতৎপরতায় কারখানার পরিবেশ উন্নয়নে যুগান্তকারী কাজ হয়। যদিও এই সংস্কারের বিষয়টি ব্যয়বহুল হওয়ায় উৎপাদকদের বাড়তি খরচ করতে হয়েছিল। তবে এই স্বীকৃতি আগামী দিনে ব্যবসা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।