ঢাকা ০৮:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আসুন এবার রাষ্ট্রকে আমরা পুনর্গঠন করি’: প্রধানমন্ত্রী বিদ্যুৎকেন্দ্রে একের পর এক কারিগরি ত্রুটি, নাশকতার আশঙ্কা রিজভীর বাসে উঠে সন্দেহ কিছু দূর যেতেই বুকে ছুরি চাওয়া হয় ৫ লাখ টাকা ভারতে যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর ঘোষণার পরই বিদ্যুৎ নিয়ে তালবাহানা ভারতের আদানির! বিশ্বের সেরা অভিনেত্রী শেখ হাসিনা, নিজেই গুমের নির্দেশদাতা ছিলেন: স্পিকার হাফিজ রবীন্দ্রনাথের ‘বৃক্ষ বন্দনা’ অবলম্বনে আইজিসিসির আয়োজনে ‘ধরা তরু কাব্য’ পরিবেশন স্বাস্থ্যমন্ত্রীর হুশিয়ারি হয়তো আমি থাকব, আর নাহয় অনিয়ম থাকবে হাসিনা আমলে ভারতের সঙ্গে ১০১ চুক্তি দেশবিরোধী হলে বাতিল করবে ঢাকা ২৭-এ শুরু ৩৪ হাজার ৪৯৭ কোটি টাকার পদ্মা ব্যারেজের নির্মাণকাজ ইলিশের ভরা মৌসুমেও আকাল, চড়া দামে পাতে ওঠছে না জাতীয় মাছ

বাসে উঠে সন্দেহ কিছু দূর যেতেই বুকে ছুরি চাওয়া হয় ৫ লাখ টাকা

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৭:৩৩:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৭ বার পড়া হয়েছে

র‍্যাবের হাতে আটক ডাকাত দলের সদস্য জাবেদ ইকবাল ওরফে বিহারি বাদল

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নারায়ণগঞ্জে ফেরার পথে বাসে উঠে যাত্রীদের আচরণে সন্দেহ হয়েছিল জাহাঙ্গীর আলমের। কিছু দূর যাওয়ার পরই তাঁর সন্দেহ সত্যি হয়। বাসে থাকা কয়েকজন ব্যক্তি সাধারণ যাত্রীদের কাছ থেকে টাকা ও মুঠোফোন ছিনিয়ে নিয়ে তাঁদের রাস্তায় নামিয়ে দেন। এরপর জাহাঙ্গীরকে বাসে আটকে রেখে শুরু করেন মারধর। একপর্যায়ে তাঁর বুকে ছুরি ঠেকিয়ে দাবি করা হয় পাঁচ লাখ টাকা মুক্তিপণ।

বাঁচার আশায় জাহাঙ্গীর তাঁর ছোট ভাই ও সহকর্মীদের ফোন করে বিষয়টি জানান। তাঁদের কাছ থেকে বিকাশের মাধ্যমে প্রথমে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা নিয়ে ডাকাতদের দেন তিনি। তাঁর এটিএম কার্ডও ছিনিয়ে নেয় চক্রের সদস্যরা। কিন্তু এতেও তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়নি। বাকি টাকার জন্য তাঁকে জিম্মি করেই বাসটি ঢাকার আবদুল্লাহপুর ঘুরে আবার ময়মনসিংহের দিকে রওনা হয়।

পরে প্রযুক্তির সহায়তায় বাসটির অবস্থান শনাক্ত করে অভিযান চালিয়ে জাহাঙ্গীরকে উদ্ধার করেছে র‍্যাব-১৪। এ ঘটনায় চক্রটির মূল হোতা হিসেবে জাবেদ ইকবাল ওরফে বিহারি বাদল (৪০) নামের একজনকে আটক করা হয়েছে। তাঁর কাছ থেকে দেশীয় ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।

র‍্যাব সূত্রে জানা যায়, জাহাঙ্গীর তাঁর ছোট ভাই শাহারুল আলমকে ফোন করে দ্রুত আরও দুই লাখ টাকা একটি বিকাশ নম্বরে পাঠাতে বলেন। এ সময় তিনি ভাইকে বলেন, বেঁচে থাকলে তোর টাকা ফেরত দিয়ে দেব।

ভাইয়ের কাছে জাহাঙ্গীরের এমন কথা অস্বাভাবিক মনে হয়। এতে সন্দেহ হলে শাহারুল বিষয়টি র‍্যাবকে জানান। এরপর বিকাশে টাকা পাঠানোর সূত্র এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় বাসটির অবস্থান শনাক্ত করার চেষ্টা শুরু করে র‍্যাব-১৪।

র‍্যাবের সদস্যরা জানতে পারেন, বাসটি ত্রিশাল পেরিয়ে ময়মনসিংহ বাইপাসের দিকে এগিয়ে আসছে। পরে রাত ১২টার দিকে ময়মনসিংহ নগরের দিঘারকান্দা এলাকায় বাসটির পথ রোধ করতে দুটি তল্লাশিচৌকি বসানো হয়।

র‍্যাব-১৪-এর সদস্যরা জানান, প্রথম তল্লাশিচৌকি দেখতে পেয়ে বাসটি দ্রুতগতিতে সেটি ভেঙে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। তবে সামনে থাকা দ্বিতীয় তল্লাশিচৌকির কাছে গিয়ে বাসটি থামাতে বাধ্য হয়। এ সময় বাস থেকে কয়েকজন নেমে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন।

পরে কিছু দূর দৌড়ানোর পর চক্রটির মূল হোতা জাবেদ ইকবাল ওরফে বিহারি বাদলকে আটক করা হয়। বাসের ভেতর থেকে উদ্ধার করা হয় জিম্মি জাহাঙ্গীর আলমকে। একই সঙ্গে বাসে তল্লাশি চালিয়ে কয়েকটি দেশীয় ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

আটক জাবেদ ইকবাল ময়মনসিংহ নগরের পাটগুদাম মদের ডিপো এলাকার বাসিন্দা।

জাহাঙ্গীর আলম সোনালী লাইফ ইনস্যুরেন্সের নারায়ণগঞ্জ ইউনিটের ইনচার্জ হিসেবে কর্মরত। তাঁর বাড়ি বরগুনার আমতলী এলাকায়। জাহাঙ্গীর জানান, অফিসের কাজে তিনি ভালুকায় গিয়েছিলেন। কাজ শেষে শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে নারায়ণগঞ্জে ফেরার উদ্দেশ্যে মহাসড়কের পাশে দাঁড়িয়ে একটি বাসে ওঠেন।

তিনি বলেন, বাসে ওঠার কিছুক্ষণ পরই তাঁর সন্দেহ হয়। দুই-তিনজন সাধারণ যাত্রী ছাড়া বাসে থাকা অন্য সাত-আটজনকে তাঁর কাছে চক্রটির সদস্য বলে মনে হয়।

জাহাঙ্গীরের ভাষ্য, কিছুক্ষণ পর ওই ব্যক্তিরা সাধারণ যাত্রীদের মুঠোফোন ও টাকা কেড়ে নিয়ে তাঁদের বাস থেকে নামিয়ে দেন। এরপর বাসের জানালা ও পর্দা বন্ধ করে তাঁকে মারধর শুরু করেন।

জাহাঙ্গীর বলেন, তাঁর বুকে ছুরি ঠেকিয়ে পাঁচ লাখ টাকা দাবি করা হয়। টাকা না দিলে তাঁকে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়। একপর্যায়ে বাধ্য হয়ে তিনি স্বজন ও সহকর্মীদের কাছ থেকে বিকাশের মাধ্যমে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা এনে দেন। কিন্তু ওই টাকা পাওয়ার পরও তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়নি।

র‍্যাব-১৪ ময়মনসিংহের কোম্পানি কমান্ডার মো. সামসুজ্জামান বলেন, চলন্ত বাসকে ব্যবহার করে চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে যাত্রীদের জিম্মি করে টাকা ও মূল্যবান সামগ্রী ছিনিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি মুক্তিপণ আদায় করে আসছিল বলে প্রাথমিকভাবে তথ্য পাওয়া গেছে।

তিনি জানান, ভুক্তভোগীর ভাইয়ের কাছ থেকে তথ্য পাওয়ার পর প্রযুক্তির সহায়তায় বাসটির গতিবিধি অনুসরণ করা হয়। বাসটি ত্রিশাল পেরিয়ে ময়মনসিংহ বাইপাসের দিকে আসার সময় দিঘারকান্দা এলাকায় তল্লাশিচৌকি বসিয়ে সেটি থামানো হয়।

র‍্যাবের এই কর্মকর্তা আরও জানান, আটক জাবেদ ইকবালের বিরুদ্ধে ১০টির বেশি ডাকাতির মামলা রয়েছে। এর আগেও তিনি র‍্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জাবেদ ইকবাল তাঁর সহযোগীদের বিষয়ে তথ্য দিয়েছেন বলে জানিয়েছে র‍্যাব। তাঁদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

এ ঘটনায় চলন্ত বাসে যাত্রীদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে এমন সংঘবদ্ধ চক্রের বিরুদ্ধে দ্রুত ও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

বাসে উঠে সন্দেহ কিছু দূর যেতেই বুকে ছুরি চাওয়া হয় ৫ লাখ টাকা

আপডেট সময় : ০৭:৩৩:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নারায়ণগঞ্জে ফেরার পথে বাসে উঠে যাত্রীদের আচরণে সন্দেহ হয়েছিল জাহাঙ্গীর আলমের। কিছু দূর যাওয়ার পরই তাঁর সন্দেহ সত্যি হয়। বাসে থাকা কয়েকজন ব্যক্তি সাধারণ যাত্রীদের কাছ থেকে টাকা ও মুঠোফোন ছিনিয়ে নিয়ে তাঁদের রাস্তায় নামিয়ে দেন। এরপর জাহাঙ্গীরকে বাসে আটকে রেখে শুরু করেন মারধর। একপর্যায়ে তাঁর বুকে ছুরি ঠেকিয়ে দাবি করা হয় পাঁচ লাখ টাকা মুক্তিপণ।

বাঁচার আশায় জাহাঙ্গীর তাঁর ছোট ভাই ও সহকর্মীদের ফোন করে বিষয়টি জানান। তাঁদের কাছ থেকে বিকাশের মাধ্যমে প্রথমে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা নিয়ে ডাকাতদের দেন তিনি। তাঁর এটিএম কার্ডও ছিনিয়ে নেয় চক্রের সদস্যরা। কিন্তু এতেও তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়নি। বাকি টাকার জন্য তাঁকে জিম্মি করেই বাসটি ঢাকার আবদুল্লাহপুর ঘুরে আবার ময়মনসিংহের দিকে রওনা হয়।

পরে প্রযুক্তির সহায়তায় বাসটির অবস্থান শনাক্ত করে অভিযান চালিয়ে জাহাঙ্গীরকে উদ্ধার করেছে র‍্যাব-১৪। এ ঘটনায় চক্রটির মূল হোতা হিসেবে জাবেদ ইকবাল ওরফে বিহারি বাদল (৪০) নামের একজনকে আটক করা হয়েছে। তাঁর কাছ থেকে দেশীয় ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।

র‍্যাব সূত্রে জানা যায়, জাহাঙ্গীর তাঁর ছোট ভাই শাহারুল আলমকে ফোন করে দ্রুত আরও দুই লাখ টাকা একটি বিকাশ নম্বরে পাঠাতে বলেন। এ সময় তিনি ভাইকে বলেন, বেঁচে থাকলে তোর টাকা ফেরত দিয়ে দেব।

ভাইয়ের কাছে জাহাঙ্গীরের এমন কথা অস্বাভাবিক মনে হয়। এতে সন্দেহ হলে শাহারুল বিষয়টি র‍্যাবকে জানান। এরপর বিকাশে টাকা পাঠানোর সূত্র এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় বাসটির অবস্থান শনাক্ত করার চেষ্টা শুরু করে র‍্যাব-১৪।

র‍্যাবের সদস্যরা জানতে পারেন, বাসটি ত্রিশাল পেরিয়ে ময়মনসিংহ বাইপাসের দিকে এগিয়ে আসছে। পরে রাত ১২টার দিকে ময়মনসিংহ নগরের দিঘারকান্দা এলাকায় বাসটির পথ রোধ করতে দুটি তল্লাশিচৌকি বসানো হয়।

র‍্যাব-১৪-এর সদস্যরা জানান, প্রথম তল্লাশিচৌকি দেখতে পেয়ে বাসটি দ্রুতগতিতে সেটি ভেঙে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। তবে সামনে থাকা দ্বিতীয় তল্লাশিচৌকির কাছে গিয়ে বাসটি থামাতে বাধ্য হয়। এ সময় বাস থেকে কয়েকজন নেমে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন।

পরে কিছু দূর দৌড়ানোর পর চক্রটির মূল হোতা জাবেদ ইকবাল ওরফে বিহারি বাদলকে আটক করা হয়। বাসের ভেতর থেকে উদ্ধার করা হয় জিম্মি জাহাঙ্গীর আলমকে। একই সঙ্গে বাসে তল্লাশি চালিয়ে কয়েকটি দেশীয় ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

আটক জাবেদ ইকবাল ময়মনসিংহ নগরের পাটগুদাম মদের ডিপো এলাকার বাসিন্দা।

জাহাঙ্গীর আলম সোনালী লাইফ ইনস্যুরেন্সের নারায়ণগঞ্জ ইউনিটের ইনচার্জ হিসেবে কর্মরত। তাঁর বাড়ি বরগুনার আমতলী এলাকায়। জাহাঙ্গীর জানান, অফিসের কাজে তিনি ভালুকায় গিয়েছিলেন। কাজ শেষে শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে নারায়ণগঞ্জে ফেরার উদ্দেশ্যে মহাসড়কের পাশে দাঁড়িয়ে একটি বাসে ওঠেন।

তিনি বলেন, বাসে ওঠার কিছুক্ষণ পরই তাঁর সন্দেহ হয়। দুই-তিনজন সাধারণ যাত্রী ছাড়া বাসে থাকা অন্য সাত-আটজনকে তাঁর কাছে চক্রটির সদস্য বলে মনে হয়।

জাহাঙ্গীরের ভাষ্য, কিছুক্ষণ পর ওই ব্যক্তিরা সাধারণ যাত্রীদের মুঠোফোন ও টাকা কেড়ে নিয়ে তাঁদের বাস থেকে নামিয়ে দেন। এরপর বাসের জানালা ও পর্দা বন্ধ করে তাঁকে মারধর শুরু করেন।

জাহাঙ্গীর বলেন, তাঁর বুকে ছুরি ঠেকিয়ে পাঁচ লাখ টাকা দাবি করা হয়। টাকা না দিলে তাঁকে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়। একপর্যায়ে বাধ্য হয়ে তিনি স্বজন ও সহকর্মীদের কাছ থেকে বিকাশের মাধ্যমে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা এনে দেন। কিন্তু ওই টাকা পাওয়ার পরও তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়নি।

র‍্যাব-১৪ ময়মনসিংহের কোম্পানি কমান্ডার মো. সামসুজ্জামান বলেন, চলন্ত বাসকে ব্যবহার করে চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে যাত্রীদের জিম্মি করে টাকা ও মূল্যবান সামগ্রী ছিনিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি মুক্তিপণ আদায় করে আসছিল বলে প্রাথমিকভাবে তথ্য পাওয়া গেছে।

তিনি জানান, ভুক্তভোগীর ভাইয়ের কাছ থেকে তথ্য পাওয়ার পর প্রযুক্তির সহায়তায় বাসটির গতিবিধি অনুসরণ করা হয়। বাসটি ত্রিশাল পেরিয়ে ময়মনসিংহ বাইপাসের দিকে আসার সময় দিঘারকান্দা এলাকায় তল্লাশিচৌকি বসিয়ে সেটি থামানো হয়।

র‍্যাবের এই কর্মকর্তা আরও জানান, আটক জাবেদ ইকবালের বিরুদ্ধে ১০টির বেশি ডাকাতির মামলা রয়েছে। এর আগেও তিনি র‍্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জাবেদ ইকবাল তাঁর সহযোগীদের বিষয়ে তথ্য দিয়েছেন বলে জানিয়েছে র‍্যাব। তাঁদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

এ ঘটনায় চলন্ত বাসে যাত্রীদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে এমন সংঘবদ্ধ চক্রের বিরুদ্ধে দ্রুত ও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।