ঢাকা ১২:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
একটানে জালে ওঠে আসে ২৬ লাখ টাকার ২ হাজার ২০০টি কাঙ্খিত  ইলিশ  কৃষিপণ্যের আমদানি কমিয়ে উৎপাদন  বাড়ানোর তাগিদ  প্রধানমন্ত্রীর সংযুক্ত আরব  আমিরাতে ৪,৮০০ বাংলাদেশির ভিসা বাতিল ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক রিসেট চায় বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রীর দ্বিপক্ষীয় সফর হওয়া উচিত হুমায়ুন ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফর বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের নতুন ভিশন অগ্রাধিকার তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী হঠাৎ রামপালের এক ইউনিট বন্ধ বিদ্যুৎ উৎপাদন কমেছে অর্ধেক শেরপুর সীমান্তে বিজিবির অভিযান ভারতীয় ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট জব্দ শেরপুরে ৫ লাখ টাকার ভারতীয় ওষুধের চালান জব্দ ‘আমেরিকানরা যোদ্ধা হলে ইরানের বীর বাহিনীর মুখোমুখি হোক’: পেজেশকিয়ান আসুন এবার রাষ্ট্রকে আমরা পুনর্গঠন করি’: প্রধানমন্ত্রী

লকডাউনেই রবিবার থেকে দোকান শপিংমল খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:২৪:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ এপ্রিল ২০২১ ৩২৫ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

কঠোর লকডাউনের মধ্যেই রবিবার থেকে মার্কেট, দোকান ও শপিংমল খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধি চলে সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত এসব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা রাখা যাবে।

বাংলাদেশে করোনায় একদিনে ৮৮ জনের মৃত্যু এবং ৩ হাজার ৬২৯ জন আক্রান্তর খবর সঙ্গী করেই রবিবার থেকে মার্কেট, শপিংমল, দোকানপাট খুলে দেওয়ার নির্দেশনাটি আসলো। কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মেনে হচ্ছে প্রতিদিন সকাল ১০টা বিকাল ৫টা পর্যন্ত খোলা থাকবে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।

শুক্রবার ছুটির দিনে মন্ত্রী পরিষদের তরফে এই নির্দেশনা এলো। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপসচিব রেজাউল ইসলাম স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ব্যাপক সংখ্যক মানুষের জীবন-জীবিকার বিষয় বিবেচনা করে নির্দেশনা জারি করা হলো।

ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলার ঘোষণা আসলেও গণপরিবহণ, ট্রেন এবং নৌযান কবে নাগাদ উন্মুক্ত হচ্ছে, সে বিষয়ে কোন প্রকারের নির্দেশনা আসেনি প্রজ্ঞাপনে।

লকডাউনের প্রতি যেখানে মানুষের অনিহা, সেখানে কতটুকু স্বাস্থ্যবিধি মেনে মার্কেট ও দোকানে ঈদের কেনাকাটা করবে মানুষ?

বাংলাদেশে চলছে রমজান মাস। এ অবস্থায় বিপুল পরিমাণের বিনিয়োগ এবং খেটে খাওয়া মানুষের অবস্থার কথা বিবেচনায় এনে সরকারের তরফে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
মার্কেট, শপিংমল বা অন্যন্য দোকান-ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠানে কেনাকাটা ও চলাচলের সময় অবশ্যই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার তাগিদ রয়েছে নির্দেদেশনায়।

শর্তে বলা হয়েছে, করোনার রুখতে কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যে দোকানপাট ও শপিংমল খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট বাজার/সংস্থার ব্যবস্থাপনা কমিটিকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এর আগে ১৮ এপ্রিল বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি ২২ এপ্রিল থেকে দেশের মার্কেট, দোকানপাট ও শপিংমল খুলে দেওয়ার দাবি জানায়।

বাংলাদেশে মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে হাঠাৎ করোনার উর্ধমুখি সংক্রমণ আক্রান্ত ও মৃত্যুর সখ্যা বেড়ে যায়। একদিনে ১১২ জনের মৃত্যু রেকর্ড রয়েছে।

 

মানুষকে রক্ষার বিষয়টি মাথায় রেখে ১৪ এপ্রিল থেকে সার্বিক লকডাউন ঘোষণা করে সরকার। ১২ এপ্রিল এ সংক্রান্ত জারিকৃত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, নিত্যপ্রয়োজনীয় ছাড়া সকল ধরনের গণপরিবহন, ট্রেন, নৌযান, ব্যবস্থাপ্রতিষ্ঠান, মার্কেট, দোকান ও শপিংমল বন্ধ থাকবে।
লকডাউন চলাকালে পণ্যবাহী ট্রেন, লড়ি চলাচল করবে। লকডাউন সফলে মাঠে নামে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। চালু করা হয়, মুভমেন্ট পাসের। নির্দেশনা উপেক্ষাকারীকে জরিমানা পর্যন্ত গুণতে হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

লকডাউনেই রবিবার থেকে দোকান শপিংমল খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত

আপডেট সময় : ০৬:২৪:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ এপ্রিল ২০২১

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

কঠোর লকডাউনের মধ্যেই রবিবার থেকে মার্কেট, দোকান ও শপিংমল খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধি চলে সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত এসব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা রাখা যাবে।

বাংলাদেশে করোনায় একদিনে ৮৮ জনের মৃত্যু এবং ৩ হাজার ৬২৯ জন আক্রান্তর খবর সঙ্গী করেই রবিবার থেকে মার্কেট, শপিংমল, দোকানপাট খুলে দেওয়ার নির্দেশনাটি আসলো। কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মেনে হচ্ছে প্রতিদিন সকাল ১০টা বিকাল ৫টা পর্যন্ত খোলা থাকবে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।

শুক্রবার ছুটির দিনে মন্ত্রী পরিষদের তরফে এই নির্দেশনা এলো। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপসচিব রেজাউল ইসলাম স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ব্যাপক সংখ্যক মানুষের জীবন-জীবিকার বিষয় বিবেচনা করে নির্দেশনা জারি করা হলো।

ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলার ঘোষণা আসলেও গণপরিবহণ, ট্রেন এবং নৌযান কবে নাগাদ উন্মুক্ত হচ্ছে, সে বিষয়ে কোন প্রকারের নির্দেশনা আসেনি প্রজ্ঞাপনে।

লকডাউনের প্রতি যেখানে মানুষের অনিহা, সেখানে কতটুকু স্বাস্থ্যবিধি মেনে মার্কেট ও দোকানে ঈদের কেনাকাটা করবে মানুষ?

বাংলাদেশে চলছে রমজান মাস। এ অবস্থায় বিপুল পরিমাণের বিনিয়োগ এবং খেটে খাওয়া মানুষের অবস্থার কথা বিবেচনায় এনে সরকারের তরফে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
মার্কেট, শপিংমল বা অন্যন্য দোকান-ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠানে কেনাকাটা ও চলাচলের সময় অবশ্যই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার তাগিদ রয়েছে নির্দেদেশনায়।

শর্তে বলা হয়েছে, করোনার রুখতে কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যে দোকানপাট ও শপিংমল খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট বাজার/সংস্থার ব্যবস্থাপনা কমিটিকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এর আগে ১৮ এপ্রিল বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি ২২ এপ্রিল থেকে দেশের মার্কেট, দোকানপাট ও শপিংমল খুলে দেওয়ার দাবি জানায়।

বাংলাদেশে মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে হাঠাৎ করোনার উর্ধমুখি সংক্রমণ আক্রান্ত ও মৃত্যুর সখ্যা বেড়ে যায়। একদিনে ১১২ জনের মৃত্যু রেকর্ড রয়েছে।

 

মানুষকে রক্ষার বিষয়টি মাথায় রেখে ১৪ এপ্রিল থেকে সার্বিক লকডাউন ঘোষণা করে সরকার। ১২ এপ্রিল এ সংক্রান্ত জারিকৃত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, নিত্যপ্রয়োজনীয় ছাড়া সকল ধরনের গণপরিবহন, ট্রেন, নৌযান, ব্যবস্থাপ্রতিষ্ঠান, মার্কেট, দোকান ও শপিংমল বন্ধ থাকবে।
লকডাউন চলাকালে পণ্যবাহী ট্রেন, লড়ি চলাচল করবে। লকডাউন সফলে মাঠে নামে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। চালু করা হয়, মুভমেন্ট পাসের। নির্দেশনা উপেক্ষাকারীকে জরিমানা পর্যন্ত গুণতে হয়েছে।