ঢাকা ০১:৪৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬, ২৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কোরবানির পশুর হাটে জাল নোট প্রতিরোধে বাংলাদেশ ব্যাংকের ১০ নির্দেশনা ইরানের ইউরেনিয়াম নিয়ে ‘টানাটানি’ ট্রাম্প-পুতিনের, কোন দিকে যাবে তেহরান? বাংলাদেশ থেকে পোশাক ও চামড়াজাত পণ্য আমদানিতে আগ্রহী ইতালি মার্কিন আদালতের রায়েও বহাল ১০ শতাংশ পাল্টা শুল্ক, নতুন অনিশ্চয়তায় রফতানিকারকরা পুলিশের যৌক্তিক দাবিগুলো পূরণ করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জুনে ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার হিসাবে যোগ দেবেন দিনেশ ত্রিবেদী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমেদের পদত্যাগ হামে মৃত্যু: ৩৫২ শিশুর পরিবারকে দুই কোটি টাকা করে ক্ষতিপূরণ চেয়ে রিট মোহাম্মদপুরে ৯ হত্যা: সাবেক মন্ত্রী   নানকসহ ২৮ জনের বিচার শুরু দেশে শান্তি ও গণতন্ত্র রক্ষায় মানবিক পুলিশ বাহিনী গড়ে তোলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

ইসলামবিদ্বেষ রোধে বৈশ্বিক জিরো টলারেন্স নীতির ডাক বেইজিংয়ের

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৫:৩৫:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬ ৩৪ বার পড়া হয়েছে

ইসলামবিদ্বেষ রোধে বৈশ্বিক জিরো টলারেন্স নীতির ডাক বেইজিংয়ের

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আন্তর্জাতিক ইসলামবিদ্বেষ বিরোধী দিবস উপলক্ষে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের এক উচ্চপর্যায়ের সভায় চীন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে ইসলামবিদ্বেষের বিরুদ্ধেজিরো টলারেন্সনীতি গ্রহণ কার্যকর বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছে।

সভায় বক্তব্য প্রদানকালে জাতিসংঘে নিযুক্ত চীনের উপস্থায়ী প্রতিনিধি সুন লেই বলেন, ধর্ম বা বিশ্বাসের ভিত্তিতে ঘৃণা, বৈষম্য অসহিষ্ণুতার যেকোনো উসকানি দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা সকল রাষ্ট্রের দায়িত্ব। তিনি চরমপন্থি মতাদর্শ তথাকথিতসভ্যতার সংঘাতধারণাকে প্রত্যাখ্যান করে শান্তি, সহনশীলতা অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনে সম্মিলিত প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, ইসলামোফোবিয়া জাতিসংঘ সনদের মৌলিক উদ্দেশ্য নীতিমালার পরিপন্থী। প্রবণতা মানবতার অভিন্ন মূল্যবোধকে ক্ষুণ্ণ করে, বৈশ্বিক শান্তি উন্নয়নের জন্য হুমকি সৃষ্টি করে এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংহতি জোরদারের প্রচেষ্টাকে বাধাগ্রস্ত করে।

সুন লেই উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে মুসলমানদের বিরুদ্ধে কুসংস্কার, বৈষম্য সহিংসতার ঘটনা বৃদ্ধি পাচ্ছে। তার মতে, ইসলামোফোবিয়া আঞ্চলিক সংঘাত, সামাজিক বৈষম্য এবং ডিজিটাল প্রযুক্তির অপব্যবহারের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত, যা সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক উদ্যোগকে জটিল করে তুলছে।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, ইসলামবিদ্বেষ সম্পূর্ণরূপে নির্মূল করতে হলে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে, বিশ্বে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা, পারস্পরিক আস্থা সংহতি জোরদার, এবং সংলাপ আলোচনার মাধ্যমে বিরোধ মতপার্থক্য নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে। পাশাপাশি টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করে সকল মানুষের কাছে উন্নয়নের সুফল প্রযুক্তিগত অগ্রগতির সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

বক্তব্যের শেষাংশে তিনি বলেন, বৈষম্য অসহিষ্ণুতার মূল কারণ, দারিদ্র্য অসমতাদূরীকরণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি। একইসঙ্গে বিভিন্ন সভ্যতা, সংস্কৃতি ধর্মের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সংলাপ সহযোগিতা বৃদ্ধির মাধ্যমে অন্তর্ভুক্তিমূলক সহাবস্থান নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসতে হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ইসলামবিদ্বেষ রোধে বৈশ্বিক জিরো টলারেন্স নীতির ডাক বেইজিংয়ের

আপডেট সময় : ০৫:৩৫:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬

আন্তর্জাতিক ইসলামবিদ্বেষ বিরোধী দিবস উপলক্ষে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের এক উচ্চপর্যায়ের সভায় চীন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে ইসলামবিদ্বেষের বিরুদ্ধেজিরো টলারেন্সনীতি গ্রহণ কার্যকর বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছে।

সভায় বক্তব্য প্রদানকালে জাতিসংঘে নিযুক্ত চীনের উপস্থায়ী প্রতিনিধি সুন লেই বলেন, ধর্ম বা বিশ্বাসের ভিত্তিতে ঘৃণা, বৈষম্য অসহিষ্ণুতার যেকোনো উসকানি দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা সকল রাষ্ট্রের দায়িত্ব। তিনি চরমপন্থি মতাদর্শ তথাকথিতসভ্যতার সংঘাতধারণাকে প্রত্যাখ্যান করে শান্তি, সহনশীলতা অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনে সম্মিলিত প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, ইসলামোফোবিয়া জাতিসংঘ সনদের মৌলিক উদ্দেশ্য নীতিমালার পরিপন্থী। প্রবণতা মানবতার অভিন্ন মূল্যবোধকে ক্ষুণ্ণ করে, বৈশ্বিক শান্তি উন্নয়নের জন্য হুমকি সৃষ্টি করে এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংহতি জোরদারের প্রচেষ্টাকে বাধাগ্রস্ত করে।

সুন লেই উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে মুসলমানদের বিরুদ্ধে কুসংস্কার, বৈষম্য সহিংসতার ঘটনা বৃদ্ধি পাচ্ছে। তার মতে, ইসলামোফোবিয়া আঞ্চলিক সংঘাত, সামাজিক বৈষম্য এবং ডিজিটাল প্রযুক্তির অপব্যবহারের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত, যা সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক উদ্যোগকে জটিল করে তুলছে।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, ইসলামবিদ্বেষ সম্পূর্ণরূপে নির্মূল করতে হলে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে, বিশ্বে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা, পারস্পরিক আস্থা সংহতি জোরদার, এবং সংলাপ আলোচনার মাধ্যমে বিরোধ মতপার্থক্য নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে। পাশাপাশি টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করে সকল মানুষের কাছে উন্নয়নের সুফল প্রযুক্তিগত অগ্রগতির সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

বক্তব্যের শেষাংশে তিনি বলেন, বৈষম্য অসহিষ্ণুতার মূল কারণ, দারিদ্র্য অসমতাদূরীকরণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি। একইসঙ্গে বিভিন্ন সভ্যতা, সংস্কৃতি ধর্মের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সংলাপ সহযোগিতা বৃদ্ধির মাধ্যমে অন্তর্ভুক্তিমূলক সহাবস্থান নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসতে হবে।