ঢাকা ০৭:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নৃশংস ৭ বছরের শিশুর হাত চেপে ধরেন স্ত্রী আঙ্গুল কাটেন পুলিশ  কনস্টেবল জাতিসংঘ সফর শেষে সচিবালয়ে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী, শুরু দাপ্তরিক কার্যক্রম জাতিসংঘ অধিবেশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ সার্থক হয়েছে : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশের উন্নয়ন প্রচেষ্টায় চীনের সমর্থন অব্যাহত থাকবে: রাষ্ট্রদূত ১৮ দেশের বাজারকেন্দ্রিক রপ্তানি কৌশল প্রণয়ন করছে সরকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি সরকারের সমালোচনা এনসিপি আহ্বায়কের কাগজে নদীর সংখ্যা বাড়ছে নদী রক্ষাই এখন সবচেয়ে বড় সংকট সাশ্রয়ী আবাসন অর্থায়নে বাংলাদেশকে ১০ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে এডিবি শেরপুর সীমান্তে ভারতীয় সাবান-মদ জব্দ বিজিবির গরু আটক নিয়ে চাঞ্চল্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘাতের সমাধান কেবল কূটনীতিতেই: ইরান

ইসলামবিদ্বেষ রোধে বৈশ্বিক জিরো টলারেন্স নীতির ডাক বেইজিংয়ের

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৫:৩৫:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬ ১৩৫ বার পড়া হয়েছে

ইসলামবিদ্বেষ রোধে বৈশ্বিক জিরো টলারেন্স নীতির ডাক বেইজিংয়ের

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আন্তর্জাতিক ইসলামবিদ্বেষ বিরোধী দিবস উপলক্ষে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের এক উচ্চপর্যায়ের সভায় চীন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে ইসলামবিদ্বেষের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ ও কার্যকর বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছে।

সভায় বক্তব্য প্রদানকালে জাতিসংঘে নিযুক্ত চীনের উপস্থায়ী প্রতিনিধি সুন লেই বলেন, ধর্ম বা বিশ্বাসের ভিত্তিতে ঘৃণা, বৈষম্য ও অসহিষ্ণুতার যেকোনো উসকানি দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা সকল রাষ্ট্রের দায়িত্ব। তিনি চরমপন্থি মতাদর্শ ও তথাকথিত ‘সভ্যতার সংঘাত’ ধারণাকে প্রত্যাখ্যান করে শান্তি, সহনশীলতা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনে সম্মিলিত প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, ইসলামোফোবিয়া জাতিসংঘ সনদের মৌলিক উদ্দেশ্য ও নীতিমালার পরিপন্থী। এ প্রবণতা মানবতার অভিন্ন মূল্যবোধকে ক্ষুণ্ণ করে, বৈশ্বিক শান্তি ও উন্নয়নের জন্য হুমকি সৃষ্টি করে এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও সংহতি জোরদারের প্রচেষ্টাকে বাধাগ্রস্ত করে।

সুন লেই উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে মুসলমানদের বিরুদ্ধে কুসংস্কার, বৈষম্য ও সহিংসতার ঘটনা বৃদ্ধি পাচ্ছে। তার মতে, ইসলামোফোবিয়া আঞ্চলিক সংঘাত, সামাজিক বৈষম্য এবং ডিজিটাল প্রযুক্তির অপব্যবহারের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত, যা এ সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক উদ্যোগকে জটিল করে তুলছে।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, ইসলামবিদ্বেষ সম্পূর্ণরূপে নির্মূল করতে হলে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে, বিশ্বে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা, পারস্পরিক আস্থা ও সংহতি জোরদার, এবং সংলাপ ও আলোচনার মাধ্যমে বিরোধ ও মতপার্থক্য নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে। পাশাপাশি টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করে সকল মানুষের কাছে উন্নয়নের সুফল ও প্রযুক্তিগত অগ্রগতির সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

বক্তব্যের শেষাংশে তিনি বলেন, বৈষম্য ও অসহিষ্ণুতার মূল কারণ, দারিদ্র্য ও অসমতা–দূরীকরণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি। একইসঙ্গে বিভিন্ন সভ্যতা, সংস্কৃতি ও ধর্মের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সংলাপ ও সহযোগিতা বৃদ্ধির মাধ্যমে অন্তর্ভুক্তিমূলক সহাবস্থান নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসতে হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :