ঢাকা ০৮:১৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দখল-ভাঙচুরে ছাড় নয়, জাইমার নিয়োগেও সম্পৃক্ততা নেই সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর সার্বিক পরিবেশ ইতিবাচক প্রবীণদের আর্থিক নিরাপত্তা ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী রাড্ডা সেন্টার গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় স্থানীয় এমপির বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলা  মরিয়মের পরিবারের সঙ্গে আপসের দাবি, এমপি নজরুলের জামিন নামঞ্জুর  হরমুজ থেকে ৫০০ কিলোমিটার দূরে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ, দাবি ইরানের ফুটপাতে হাঁটা পথচারীর অধিকার এটি কারও ব্যক্তিগত সম্পদ নয় সময় হলেই বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর: দীনেশ ত্রিবেদী দুর্গাপূজার ছুটি একদিন বাড়ানোর উদ্যোগে স্বস্তির বার্তা হিন্দু সম্প্রদায়ে প্রকল্প বাস্তবায়নে বিলম্বে জবাবদিহিতা পরামর্শক ব্যয় কমানোর নির্দেশ

রাষ্ট্রপতির তিন অপরাধে ভাষণ বর্জন: জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৮:১২:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬ ১৪৩ বার পড়া হয়েছে

রাষ্ট্রপতির তিন অপরাধে ভাষণ বর্জন: জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণ বর্জন করেছে বিরোধী দল। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন–এর ভাষণ বর্জনের কারণ হিসেবে বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, রাষ্ট্রপতির তিনটি অপরাধের কারণেই তার ভাষণ বর্জন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সংসদের অধিবেশন শুরু হলে প্রথা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি ভাষণ দিতে দাঁড়ান। এ সময় বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান। একপর্যায়ে তারা অধিবেশন কক্ষ থেকে ওয়াকআউট করেন।

ওয়াকআউটের পর সংসদ ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, এই সংসদ জুলাই শহীদদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে আছে। আমরা অনুরোধ করেছিলাম, এই সংসদে ফ্যাসিস্টের কোনো দোসর বা খুনের সহযোগী যেন বক্তব্য রাখতে না পারে।

রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে তিনটি অভিযোগ তুলে ধরে তিনি বলেন, প্রথমত, তিনি সব খুনের সহযোগী ছিলেন। দ্বিতীয়ত, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি বলেছিলেন, তৎকালীন ফ্যাসিস্ট প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন এবং তিনি তা গ্রহণ করেছেন। কিন্তু পরে তিনি তা অস্বীকার করেন। এর মাধ্যমে তিনি জাতির সামনে মিথ্যাবাদী হিসেবে প্রমাণিত হয়েছেন।

তৃতীয় অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি নিজ হাতে একটি অধ্যাদেশে স্বাক্ষর করেছিলেন, যেখানে বলা হয়েছিল নির্বাচনে দুটি ভোট হবে, একটি সংসদ সদস্য নির্বাচনের জন্য এবং অন্যটি সংস্কার সংশোধন পরিষদের সদস্য নির্বাচনের জন্য। একই দিনে উভয় নির্বাচনে বিজয়ীদের শপথ একই ব্যক্তি পড়াবেন বলেও উল্লেখ ছিল।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমরা সেই শপথ নিলেও সরকারি দল তা নেয়নি। রাষ্ট্রপতির প্রথম দায়িত্ব ছিল অধ্যাদেশ জারির ৩০ দিনের মধ্যে সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বান করা। কিন্তু তিনি তা করেননি। গণভোটে ৭০ শতাংশ মানুষ ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলেও রাষ্ট্রপতি সেই জনমতকে উপেক্ষা করেছেন। এতে তিনি জনগণকে অপমান করেছেন।

এদিকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম স্পিকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, সংসদকে কলুষিত করতে পারে, এমন কোনো ফ্যাসিস্ট বা তাদের দোসর যেন এই সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ না পায়।

প্রথা অনুযায়ী, নতুন সংসদের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি ভাষণ দিয়ে সরকারের নীতিমালা ও কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেন। তবে এদিন বিরোধী দলের বর্জন ও ওয়াকআউটের মধ্যেই রাষ্ট্রপতির ভাষণ পর্ব শুরু হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :