ঢাকা ০৭:২৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গাইডের নির্দেশনা অমান্য বান্দরবানে মোটরসাইকেল খাদে পড়ে প্রাণ হারালেন দুই পর্যটক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর এস কে সুরের ৩ বছরের কারাদণ্ড জ্বালানি তেলের দামে বড় পতন স্বস্তির আভাস তবুও কাটেনি শঙ্কা সমঝোতা স্মারক লঙ্ঘনের পর যুক্তরাষ্ট্রের নিহত ২০০ ছাড়িয়েছে: আইআরজিসি প্রকৃতি ও পরিবেশ চাঁইয়ের ফাঁদে পাঙাশ নিধন উপকূলের নদ-নদীতে মাছশূন্য ভবিষ্যতের অশনিসংকেত এলএনজি টার্মিনাল সচলে আরও পাঁচ দিন দেশজুড়ে গ্যাস সংকট তীব্র, বাসা-বাড়ি, শিল্প ও যানবাহনে চরম ভোগান্তি পরিবেশের মারাত্মক প্রভাবে হুমকির মুখে সুন্দরবন সশস্ত্র বাহিনীকে দলীয় হাতিয়ার হতে দেওয়া হবে না বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান ভারতের ঐতিহাসিক বৌদ্ধ তীর্থস্থান সারনাথ স্বামীর নির্যাতন বরিশালে আওয়ামী লীগ নেত্রীর আত্মহত্যা

রাষ্ট্রপতির তিন অপরাধে ভাষণ বর্জন: জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৮:১২:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬ ১০৬ বার পড়া হয়েছে

রাষ্ট্রপতির তিন অপরাধে ভাষণ বর্জন: জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণ বর্জন করেছে বিরোধী দল। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনএর ভাষণ বর্জনের কারণ হিসেবে বিরোধীদলীয় নেতা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, রাষ্ট্রপতির তিনটি অপরাধের কারণেই তার ভাষণ বর্জন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সংসদের অধিবেশন শুরু হলে প্রথা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি ভাষণ দিতে দাঁড়ান। সময় বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান। একপর্যায়ে তারা অধিবেশন কক্ষ থেকে ওয়াকআউট করেন।

ওয়াকআউটের পর সংসদ ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, এই সংসদ জুলাই শহীদদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে আছে। আমরা অনুরোধ করেছিলাম, এই সংসদে ফ্যাসিস্টের কোনো দোসর বা খুনের সহযোগী যেন বক্তব্য রাখতে না পারে।

রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে তিনটি অভিযোগ তুলে ধরে তিনি বলেন, প্রথমত, তিনি সব খুনের সহযোগী ছিলেন। দ্বিতীয়ত, ২০২৪ সালের আগস্ট জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি বলেছিলেন, তৎকালীন ফ্যাসিস্ট প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন এবং তিনি তা গ্রহণ করেছেন। কিন্তু পরে তিনি তা অস্বীকার করেন। এর মাধ্যমে তিনি জাতির সামনে মিথ্যাবাদী হিসেবে প্রমাণিত হয়েছেন।

তৃতীয় অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি নিজ হাতে একটি অধ্যাদেশে স্বাক্ষর করেছিলেন, যেখানে বলা হয়েছিল নির্বাচনে দুটি ভোট হবে, একটি সংসদ সদস্য নির্বাচনের জন্য এবং অন্যটি সংস্কার সংশোধন পরিষদের সদস্য নির্বাচনের জন্য। একই দিনে উভয় নির্বাচনে বিজয়ীদের শপথ একই ব্যক্তি পড়াবেন বলেও উল্লেখ ছিল।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমরা সেই শপথ নিলেও সরকারি দল তা নেয়নি। রাষ্ট্রপতির প্রথম দায়িত্ব ছিল অধ্যাদেশ জারির ৩০ দিনের মধ্যে সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বান করা। কিন্তু তিনি তা করেননি। গণভোটে ৭০ শতাংশ মানুষহ্যাঁভোট দিলেও রাষ্ট্রপতি সেই জনমতকে উপেক্ষা করেছেন। এতে তিনি জনগণকে অপমান করেছেন।

এদিকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম স্পিকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, সংসদকে কলুষিত করতে পারে, এমন কোনো ফ্যাসিস্ট বা তাদের দোসর যেন এই সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ না পায়।

প্রথা অনুযায়ী, নতুন সংসদের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি ভাষণ দিয়ে সরকারের নীতিমালা কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেন। তবে এদিন বিরোধী দলের বর্জন ওয়াকআউটের মধ্যেই রাষ্ট্রপতির ভাষণ পর্ব শুরু হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

রাষ্ট্রপতির তিন অপরাধে ভাষণ বর্জন: জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান

আপডেট সময় : ০৮:১২:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণ বর্জন করেছে বিরোধী দল। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনএর ভাষণ বর্জনের কারণ হিসেবে বিরোধীদলীয় নেতা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, রাষ্ট্রপতির তিনটি অপরাধের কারণেই তার ভাষণ বর্জন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সংসদের অধিবেশন শুরু হলে প্রথা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি ভাষণ দিতে দাঁড়ান। সময় বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান। একপর্যায়ে তারা অধিবেশন কক্ষ থেকে ওয়াকআউট করেন।

ওয়াকআউটের পর সংসদ ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, এই সংসদ জুলাই শহীদদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে আছে। আমরা অনুরোধ করেছিলাম, এই সংসদে ফ্যাসিস্টের কোনো দোসর বা খুনের সহযোগী যেন বক্তব্য রাখতে না পারে।

রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে তিনটি অভিযোগ তুলে ধরে তিনি বলেন, প্রথমত, তিনি সব খুনের সহযোগী ছিলেন। দ্বিতীয়ত, ২০২৪ সালের আগস্ট জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি বলেছিলেন, তৎকালীন ফ্যাসিস্ট প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন এবং তিনি তা গ্রহণ করেছেন। কিন্তু পরে তিনি তা অস্বীকার করেন। এর মাধ্যমে তিনি জাতির সামনে মিথ্যাবাদী হিসেবে প্রমাণিত হয়েছেন।

তৃতীয় অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি নিজ হাতে একটি অধ্যাদেশে স্বাক্ষর করেছিলেন, যেখানে বলা হয়েছিল নির্বাচনে দুটি ভোট হবে, একটি সংসদ সদস্য নির্বাচনের জন্য এবং অন্যটি সংস্কার সংশোধন পরিষদের সদস্য নির্বাচনের জন্য। একই দিনে উভয় নির্বাচনে বিজয়ীদের শপথ একই ব্যক্তি পড়াবেন বলেও উল্লেখ ছিল।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমরা সেই শপথ নিলেও সরকারি দল তা নেয়নি। রাষ্ট্রপতির প্রথম দায়িত্ব ছিল অধ্যাদেশ জারির ৩০ দিনের মধ্যে সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বান করা। কিন্তু তিনি তা করেননি। গণভোটে ৭০ শতাংশ মানুষহ্যাঁভোট দিলেও রাষ্ট্রপতি সেই জনমতকে উপেক্ষা করেছেন। এতে তিনি জনগণকে অপমান করেছেন।

এদিকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম স্পিকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, সংসদকে কলুষিত করতে পারে, এমন কোনো ফ্যাসিস্ট বা তাদের দোসর যেন এই সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ না পায়।

প্রথা অনুযায়ী, নতুন সংসদের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি ভাষণ দিয়ে সরকারের নীতিমালা কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেন। তবে এদিন বিরোধী দলের বর্জন ওয়াকআউটের মধ্যেই রাষ্ট্রপতির ভাষণ পর্ব শুরু হয়।