ঢাকা ১২:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
তারল্য  সকট মোকাবিলায় ২,৫০০ কোটি টাকার ঋণ দিল বাংলাদেশ ব্যাংক  অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার রোধে সম্মিলিত উদ্যোগ জরুরি: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী  দুবাইয়ে গ্রেপ্তার সাবেক আইজিপি বেনজীর প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া শুরু অভিনেত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু হত্যার অভিযোগে স্বামী কারাগারে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তিচুক্তি, ঘোষণা পাকিস্তানের সমর্থক ভাইয়ারা না থাকলে ঘটনা অন্য রকম হয়ে যেতো: নাঈম হাসান আদ্-দ্বীনের কোটি টাকার চাপ উপেক্ষা করে লাইসেন্স বাতিল: স্বাস্থ্যমন্ত্রী গুণীজনদের জীবদ্দশায় সম্মান জানালে সমাজসেবায় উৎসাহ বাড়বে: কৃষিমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর কক্সবাজার সফর শনিবার, উন্নয়ন প্রত্যাশায় মুখিয়ে স্থানীয়রা যৌথ টহল ও গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়ে সম্মত বিজিবি-বিএসএফ, নভেম্বরে ঢাকায় পরবর্তী বৈঠক

৯ এপ্রিল থেকে বাংলাদেশসহ তিন দেশের নাগরিকদের যুক্তরাজ্য প্রবেশ বন্ধ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:২১:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ এপ্রিল ২০২১ ৩৪৪ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

করোনার সংক্রমণের ঊর্ধমুখির কারণে বাংলাদেশ, পাকিস্তান, কেনিয়া ও ফিলিপাইনের নাগরিকদের যুক্তরাজ্যে প্রবেশ নিষিদ্ধ হতে যাচ্ছে। শুক্রবার আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো গিয়েছে। ৯ এপ্রিল থেকে নিষেধাজ্ঞা কার্যকরের কথা বলা হয়েছে।

এর আগের ১০ দিনে যেসব যাত্রী এই দেশগুলো থেকে যাত্রা শুরু করেছেন, কিংবা ট্রানজিট করেছেন, তাঁদের যুক্তরাজ্যে ঢুকতে দেওয়া হবে না বলে যুক্তরাজ্য সরকারের পরিবহন মন্ত্রকের ওয়েবসাইট থেকে জানা গিয়েছে।

যদিও যুক্তরাজ্যে টিকাদান কর্মসূচি পুরোদমে চলছে। এরই মধ্যে যাতে করোনার নতুন ধরন দেশটিতে প্রবেশ করতে না পারে, সে জন্যই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে ওয়েবসাইটে ।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ৯ এপ্রিল শুক্রবার ভোর চারটা থেকে ফিলিপাইন, পাকিস্তান, কেনিয়া ও বাংলাদেশের নাম নিষিদ্ধ দেশের লাল তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে। তালিকায় মোট ৩৯টি দেশের নাম রয়েছে।

নিষেধাজ্ঞার নির্দেশনাটি ৯ এপ্রিল থেকে কার্যকর হলেও হিসাব করা হবে তার আগের ১০ দিন থেকে।

এই সময়ে যেসব বাংলাদেশি যাত্রা শুরু করবেন কিংবা যেসব যাত্রী বাংলাদেশসহ তিনদেশের যাত্রী ট্রানজিট করবেন, তাদের যুক্তরাজ্যের কোনো বন্দরেই প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।

ওয়েবসাইটে বলা হয়, ব্রিটিশ কিংবা আইরিশ পাসপোর্টধারী যাত্রী, যাঁদের ব্রিটেনে বসবাসের অনুমতি রয়েছে, তারা এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়ছেন না। তাদের সরকার অনুমোদিত কোয়ারেন্টিন সেন্টারে ১০ দিন থাকতে হবে।

যদিও বাংলাদেশ বা অন্য তিনটি দেশ থেকে সরাসরি ফ্লাইট বাতিলের কোনো পরিকল্পনা এখন পর্যন্ত নেই বলে যুক্তরাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

৯ এপ্রিল থেকে বাংলাদেশসহ তিন দেশের নাগরিকদের যুক্তরাজ্য প্রবেশ বন্ধ

আপডেট সময় : ০৬:২১:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ এপ্রিল ২০২১

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

করোনার সংক্রমণের ঊর্ধমুখির কারণে বাংলাদেশ, পাকিস্তান, কেনিয়া ও ফিলিপাইনের নাগরিকদের যুক্তরাজ্যে প্রবেশ নিষিদ্ধ হতে যাচ্ছে। শুক্রবার আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো গিয়েছে। ৯ এপ্রিল থেকে নিষেধাজ্ঞা কার্যকরের কথা বলা হয়েছে।

এর আগের ১০ দিনে যেসব যাত্রী এই দেশগুলো থেকে যাত্রা শুরু করেছেন, কিংবা ট্রানজিট করেছেন, তাঁদের যুক্তরাজ্যে ঢুকতে দেওয়া হবে না বলে যুক্তরাজ্য সরকারের পরিবহন মন্ত্রকের ওয়েবসাইট থেকে জানা গিয়েছে।

যদিও যুক্তরাজ্যে টিকাদান কর্মসূচি পুরোদমে চলছে। এরই মধ্যে যাতে করোনার নতুন ধরন দেশটিতে প্রবেশ করতে না পারে, সে জন্যই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে ওয়েবসাইটে ।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ৯ এপ্রিল শুক্রবার ভোর চারটা থেকে ফিলিপাইন, পাকিস্তান, কেনিয়া ও বাংলাদেশের নাম নিষিদ্ধ দেশের লাল তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে। তালিকায় মোট ৩৯টি দেশের নাম রয়েছে।

নিষেধাজ্ঞার নির্দেশনাটি ৯ এপ্রিল থেকে কার্যকর হলেও হিসাব করা হবে তার আগের ১০ দিন থেকে।

এই সময়ে যেসব বাংলাদেশি যাত্রা শুরু করবেন কিংবা যেসব যাত্রী বাংলাদেশসহ তিনদেশের যাত্রী ট্রানজিট করবেন, তাদের যুক্তরাজ্যের কোনো বন্দরেই প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।

ওয়েবসাইটে বলা হয়, ব্রিটিশ কিংবা আইরিশ পাসপোর্টধারী যাত্রী, যাঁদের ব্রিটেনে বসবাসের অনুমতি রয়েছে, তারা এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়ছেন না। তাদের সরকার অনুমোদিত কোয়ারেন্টিন সেন্টারে ১০ দিন থাকতে হবে।

যদিও বাংলাদেশ বা অন্য তিনটি দেশ থেকে সরাসরি ফ্লাইট বাতিলের কোনো পরিকল্পনা এখন পর্যন্ত নেই বলে যুক্তরাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে।