ঢাকা ০২:৫৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ২৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আর্থিক খাতসহ অর্থনৈতিক সেক্টরে কোনো ধরনের রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ থাকবে না রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানে ওআইসি সদস্য দেশগুলোর সক্রিয় সমর্থন কামনা: প্রধানমন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি বাতিল নয়, পুনর্মূল্যায়নের ইঙ্গিত সরকারের নিজেদের জ্বালানি থাকতে বিদেশ  নির্ভরতা কেন: জ্বালানিমন্ত্রী রাজপথে আন্দোলনের স্মৃতি আর নেতাদের সঙ্গে ছবি, কোনোভাবেই অপরাধের ঢাল হতে পারে না পাকিস্তানকে ৫ উইকেটে হারিয়ে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয় বক্ষব্যাধি হাসপাতালে দালাল চক্রের দৌরাত্ম্য: পদে পদে হয়রানির শিকার রোগীরা উৎপাদন সক্ষমতার  নামে বিপর্যয়:  ৭ বছর ভর্তুকি বেড়েছে প্রায় ৬৩৩ শতাংশ ২,২৭৬ নেতাকর্মীকে গুম ও হত্যার অভিযোগে আবারও ট্রাইব্যুনালে বিএনপি চীন সফরে ট্রাম্প: মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ, বাণিজ্য ও ভূ-রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত

ইউরোপ যাত্রায় প্রাণ হারিয়েছে ২৫০০ অভিবাসন প্রত্যাশী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:০৭:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ২১৭ বার পড়া হয়েছে

ছবি সংগৃহীত

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

চলতি বছরে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে যাওয়ার চেষ্টাকালে ২ হাজার ৫০০ জনেরও বেশি অভিবাসী মারা গেছেন বা নিখোঁজ হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনরের তরফে তথ্য জানান হয়।

ইউএনএইচসিআর নিউইয়র্ক অফিসের পরিচালক রুভেন মেনিকদিওয়েলা নিরাপত্তা পরিষদকে বলেছেন, ২০২৩ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ২,৫০০ জনেরও বেশি লোককে মৃত বা নিখোঁজ হিসাবে গণ্য করা হয়েছে।

এই সংখ্যাটি ২০২২ সালের একই সময়ের মধ্যে ১,৬৮০ মৃত বা নিখোঁজ অভিবাসীর চেয়ে অনেক বেশি। তিনি বলেন, জনগণের মনোযোগ থেকে দূরে, স্থলেও অনেকে প্রাণ হারিয়েছে।

মেনিকদিওয়েলা বলেন, সাব-সাহারান আফ্রিকান দেশগুলো থেকে স্থলপথে যাত্রার পর অভিবাসীরা তিউনিসিয়া এবং লিবিয়ান উপকূল থেকে সমুদ্র পাড়ি দেওয়ার এই রুট ‘বিশ্বের সবচেয়ে বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে।

তিনি বলেন, অভিবাসী এবং উদ্বাস্তুরা প্রতি পদক্ষেপে মৃত্যু এবং চরম মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঝুঁকিতে রয়েছে।

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দক্ষিণ ইউরোপে সমুদ্রপথে মোট প্রায় ১ লাখ ৮৬ হাজার লোক ইতালি, গ্রীস, স্পেন, সাইপ্রাস এবং মাল্টায় এসেছে। ১ লাখ ৩০ হাজারের বেশি মানুষ ইতালিতে এসেছেন, যা ২০২২ সালের একই সময়ের তুলনায় ৮৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

অনুমান করা হয়, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে আগস্ট মাসের মধ্যে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ১ লাখ ২ হাজারের বেশি তিউনিসিয়া থেকে এবং লিবিয়া থেকে ৪৫ হাজার অভিবাসী সাগর পাড়ি দেওয়ার চেষ্টা করেছিল।

মেনিকদিওয়েলা বলেন, তিউনিসিয়ায় আনুমানিক ৩১ হাজার জনকে সমুদ্র থেকে উদ্ধার করা হয়েছে বা আটকানো বা নামানো হয়েছে এবং লিবিয়ায় ১০ হাজার ৬০০ জনকে আটকানো বা নামানো হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ইউরোপ যাত্রায় প্রাণ হারিয়েছে ২৫০০ অভিবাসন প্রত্যাশী

আপডেট সময় : ০৩:০৭:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

চলতি বছরে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে যাওয়ার চেষ্টাকালে ২ হাজার ৫০০ জনেরও বেশি অভিবাসী মারা গেছেন বা নিখোঁজ হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনরের তরফে তথ্য জানান হয়।

ইউএনএইচসিআর নিউইয়র্ক অফিসের পরিচালক রুভেন মেনিকদিওয়েলা নিরাপত্তা পরিষদকে বলেছেন, ২০২৩ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ২,৫০০ জনেরও বেশি লোককে মৃত বা নিখোঁজ হিসাবে গণ্য করা হয়েছে।

এই সংখ্যাটি ২০২২ সালের একই সময়ের মধ্যে ১,৬৮০ মৃত বা নিখোঁজ অভিবাসীর চেয়ে অনেক বেশি। তিনি বলেন, জনগণের মনোযোগ থেকে দূরে, স্থলেও অনেকে প্রাণ হারিয়েছে।

মেনিকদিওয়েলা বলেন, সাব-সাহারান আফ্রিকান দেশগুলো থেকে স্থলপথে যাত্রার পর অভিবাসীরা তিউনিসিয়া এবং লিবিয়ান উপকূল থেকে সমুদ্র পাড়ি দেওয়ার এই রুট ‘বিশ্বের সবচেয়ে বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে।

তিনি বলেন, অভিবাসী এবং উদ্বাস্তুরা প্রতি পদক্ষেপে মৃত্যু এবং চরম মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঝুঁকিতে রয়েছে।

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দক্ষিণ ইউরোপে সমুদ্রপথে মোট প্রায় ১ লাখ ৮৬ হাজার লোক ইতালি, গ্রীস, স্পেন, সাইপ্রাস এবং মাল্টায় এসেছে। ১ লাখ ৩০ হাজারের বেশি মানুষ ইতালিতে এসেছেন, যা ২০২২ সালের একই সময়ের তুলনায় ৮৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

অনুমান করা হয়, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে আগস্ট মাসের মধ্যে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ১ লাখ ২ হাজারের বেশি তিউনিসিয়া থেকে এবং লিবিয়া থেকে ৪৫ হাজার অভিবাসী সাগর পাড়ি দেওয়ার চেষ্টা করেছিল।

মেনিকদিওয়েলা বলেন, তিউনিসিয়ায় আনুমানিক ৩১ হাজার জনকে সমুদ্র থেকে উদ্ধার করা হয়েছে বা আটকানো বা নামানো হয়েছে এবং লিবিয়ায় ১০ হাজার ৬০০ জনকে আটকানো বা নামানো হয়েছে।