ঢাকা ০৫:৫৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার দ্রুত খোলার আহ্বান জানালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আন্তর্জাতিক বাজারে ইলিশ রপ্তানির সক্ষমতা বাড়ানোর তাগিদ ভূরাজনীতিতে নতুন সমীকরণ মালয়েশিয়া ও চীন সফরে বাংলাদেশের কূটনৈতিক অগ্রযাত্রা পলাশীর ইতিহাস বাংলাকে শ্মশানে পরিণত করার ইতিহাস দুর্যোগকবলিত উপকূল সুরক্ষায় জাতীয় বাজেটে বিশেষ বরাদ্দের দাবি সুইজারল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক স্থগিত ট্রাম্পের অযৌক্তিক যুদ্ধ ও অবাস্তব প্রত্যাশার ফল  ইরান চুক্তি যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে নতুন মোড় দশকের বৈরিতার পর সমঝোতা নতুন অধ্যায়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান পরীমনির সঙ্গে ‘অনৈতিক সম্পর্ক’ অভিযোগে চাকরি হারালেন অতিরিক্ত এসপি গোলাম সাকলায়েন এক বছরে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের আমানত ৪১ শতাংশ বৃদ্ধি

শুভ জন্মাষ্টমী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৫০:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ২২০ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা

কৃষ্ণ জন্মাষ্টমী হিন্দু ধর্মের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উৎসব। হিন্দু শাস্ত্র মতে প্রায় সাড়ে ৫ হাজার বছর আগে দ্বাপর যুগে ভাদ্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে অবতার ভগবান শ্রীকৃষ্ণ আবির্ভূত হয়েছিলেন। রোহিণী নক্ষত্রে মথুরায় মাঝরাতে জন্মগ্রহণ করেছিলেন কৃষ্ণ। কৃষ্ণ লীলায় মাতোয়ারা নন এমন ব্যক্তির সংখ্যা কমই।

জন্মাষ্টমীর দিনে মন্দির ও ঘরে ঘরে কৃষ্ণ জন্মতিথি ও পুজোর বিশেষ আয়োজন করা হয়। সাধারণত বৈষ্ণবদের কাছে এই উৎসবের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। রাত ১২টা নাগাদ বিধি-আচার মেনে কৃষ্ণের পুজোর আয়োজন করা হয়ে থাকে। কিন্তু মথুরা-বৃন্দাবনে শ্রীকৃষ্ণ জন্মাষ্টমীর দিনটি জাঁকজমক করে পালন করা হয়।

হিন্দু ক্যালেন্ডার মতে প্রতি বছর ভাদ্রমাসের কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে পালিত হয় জন্মাষ্টমী উৎসব। এই দিনেই শ্রীকৃষ্ণের জন্ম হয়েছিল বলে বিশ্বাস করা হয়। কৃষ্ণকে বিষ্ণুর অষ্টম অবতার বলেই মনে করা হয়।

দ্বাপর যুগের সন্ধিক্ষণে আবির্ভূত হিন্দুধর্মের মহাবতার ভগবান শ্রীকৃষ্ণের শুভ জন্মতিথিতে আনন্দ ছিল বর্ণময়। এই আয়োজনের প্রাণের উচ্ছাসে ভেসেছে কৃষ্ণভক্তরা। বাদ্যযন্ত্রের তালে নেচে-গেয়ে রাজপথে নান্দনিকতা ছড়িয়ে উৎসবকে আরও বর্ণময় করে তোলে।

এ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। রাজধানী ঢাকা নয়, দেশের প্রতিটি প্রান্তরে বিভিন্ন মন্দির ও ঘরে ঘরে পূজা-অর্চনা, তারকব্রহ্ম হরিনাম সংকীর্তন ও তারকব্রহ্ম নামযজ্ঞেরও আয়োজন করেছে হিন্দু সম্প্রদায়।

ষোড়শ উপচারে পূজা শেষে প্রসাদ বিতরণ ও ধর্মীয় আলোচনার আয়োজন থাকবে। ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনায় গীতাযজ্ঞ, ঐতিহাসিক জন্মাষ্টমী মিছিল ও রাতে কৃষ্ণপূজা অনুষ্ঠিত হবে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

শুভ জন্মাষ্টমী

আপডেট সময় : ১১:৫০:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা

কৃষ্ণ জন্মাষ্টমী হিন্দু ধর্মের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উৎসব। হিন্দু শাস্ত্র মতে প্রায় সাড়ে ৫ হাজার বছর আগে দ্বাপর যুগে ভাদ্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে অবতার ভগবান শ্রীকৃষ্ণ আবির্ভূত হয়েছিলেন। রোহিণী নক্ষত্রে মথুরায় মাঝরাতে জন্মগ্রহণ করেছিলেন কৃষ্ণ। কৃষ্ণ লীলায় মাতোয়ারা নন এমন ব্যক্তির সংখ্যা কমই।

জন্মাষ্টমীর দিনে মন্দির ও ঘরে ঘরে কৃষ্ণ জন্মতিথি ও পুজোর বিশেষ আয়োজন করা হয়। সাধারণত বৈষ্ণবদের কাছে এই উৎসবের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। রাত ১২টা নাগাদ বিধি-আচার মেনে কৃষ্ণের পুজোর আয়োজন করা হয়ে থাকে। কিন্তু মথুরা-বৃন্দাবনে শ্রীকৃষ্ণ জন্মাষ্টমীর দিনটি জাঁকজমক করে পালন করা হয়।

হিন্দু ক্যালেন্ডার মতে প্রতি বছর ভাদ্রমাসের কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে পালিত হয় জন্মাষ্টমী উৎসব। এই দিনেই শ্রীকৃষ্ণের জন্ম হয়েছিল বলে বিশ্বাস করা হয়। কৃষ্ণকে বিষ্ণুর অষ্টম অবতার বলেই মনে করা হয়।

দ্বাপর যুগের সন্ধিক্ষণে আবির্ভূত হিন্দুধর্মের মহাবতার ভগবান শ্রীকৃষ্ণের শুভ জন্মতিথিতে আনন্দ ছিল বর্ণময়। এই আয়োজনের প্রাণের উচ্ছাসে ভেসেছে কৃষ্ণভক্তরা। বাদ্যযন্ত্রের তালে নেচে-গেয়ে রাজপথে নান্দনিকতা ছড়িয়ে উৎসবকে আরও বর্ণময় করে তোলে।

এ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। রাজধানী ঢাকা নয়, দেশের প্রতিটি প্রান্তরে বিভিন্ন মন্দির ও ঘরে ঘরে পূজা-অর্চনা, তারকব্রহ্ম হরিনাম সংকীর্তন ও তারকব্রহ্ম নামযজ্ঞেরও আয়োজন করেছে হিন্দু সম্প্রদায়।

ষোড়শ উপচারে পূজা শেষে প্রসাদ বিতরণ ও ধর্মীয় আলোচনার আয়োজন থাকবে। ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনায় গীতাযজ্ঞ, ঐতিহাসিক জন্মাষ্টমী মিছিল ও রাতে কৃষ্ণপূজা অনুষ্ঠিত হবে।