ঢাকা ০২:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ওমানে ড্রোন বিধ্বস্ত : দুই শ্রমিক নিহত হরমুজ সংকটে তেলের দাম আবার ১০০ ডলারের ওপরে বিয়ের শোভাযাত্রা থেকে লাশের মিছিল, স্ত্রী-সন্তানসহ ৯ স্বজন হারিয়ে স্তব্ধ জনি রাষ্ট্রপতির তিন অপরাধে ভাষণ বর্জন: জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান খুলনা-মোংলা মহাসড়কে ভয়াবহ সংঘর্ষ, নিহত ১৩ মানুষই ছিল অ্যালার্ম ঘড়ি: ব্রিটেন-আয়ারল্যান্ডের এক বিস্মৃত পেশার গল্প ফ্যাসিবাদী আমলে পুলিশকে দলীয় বাহিনী হিসেবে ব্যবহার করা হয় সংসদে রাষ্ট্রপতি সংসদের প্রথম অধিবেশনে উপস্থিত ছিলেন সিইসি, ড. ইউনূস ও বিদেশি রাষ্ট্রদূতরা পাটপণ্যের ব্যবহার বাড়াতে উদ্যোগী সরকার: কৃষক-উদ্যোক্তা উৎসাহিত হবে: বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী নন্দনে নিউজ কলকাতার ত্রৈমাসিক সাহিত্য অনুষ্ঠান ও গুণীজন সংবর্ধনা

শেখ হাসিনাকে হত্যার প্রচেষ্টা, ১৪ জঙ্গিকে ফায়ারিং স্কোয়াডে ফাঁসি কার্যকরের নির্দেশ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৫৫:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ মার্চ ২০২১ ৩০১ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভয়েস রিপোর্ট, ঢাকা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে কোটালীপাড়ায় সমাবেশস্থলের পাশে বোমা পুঁতে রাখার দায়ে ১৪ জঙ্গির সবাইকে প্রকাশ্যে ফায়ারিং স্কোয়াডে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। ২০০০ সালের ২১ জুলাই গোপালগঞ্জের কোটালিপাড়ায় তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেতা শেখ হাসিনার সমাবেশস্থলের পাশ থেকে ৭৬ কেজি ওজনের একটি বোমা উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় কোটালিপাড়া থানায় বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা হয়।

২০০১ সালের ১৫ নভেম্বর মুফতি হান্নানসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। ২০০৪ সালের ২১ নভেম্বর আদালতে আসামিদের বিরুদ্ধে বিচার শুরু হয়। অপর এক মামলায় হরকাতুল জেহাদ (হুজি) নেতা মুফতি হান্নানের ফাঁসি কার্যকর হয়েছে।

মঙ্গলবার ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামানের আদালত অভিযুক্তদের মৃত্যুদণ্ড প্রদান করা হয়। এ সময় বিচারক আদেশে জঙ্গিদের ফায়ারিং স্কোয়াডে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করের নির্দেশ দেন। তবে ফায়ারিং স্কোয়াডে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে কোনো বিধিনিষেধ থাকলে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে প্রত্যেকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার আদেশ দেন বিচারক।

আসামিদের ক্ষমার বিষয়ে আদালত বলেন, হুজি ও জেএমবির মতো সন্ত্রাসী ও জঙ্গিদের দৃষ্টান্তমূলক সাজা দেওয়া প্রয়োজন। তাই তারা ক্ষমা পেতে পারে না।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- মো. আজিজুল হক ওরফে শাহনেওয়াজ, মো. লোকমান, মো. ইউসুফ ওরফে মোছহাব মোড়ল, মোছহাব হাসান ওরফে রাশু, শেখ মো. এনামুল হক, মো. মফিজুর রহমান ওরফে মফিজ, মো. মাহমুদ আজহার ওরফে মামুনুর রশিদ, মো. রাশেদুজ্জামান ওরফে শিমুল, মো. তারেক, মো. ওয়াদুদ শেখ ওরফে গাজী খান, মো. আনিসুল ইসলাম ও সারোয়ার হোসেন মিয়া। আসামিদের মধ্যে মাওলানা আমিরুল ইসলাম ওরফে জেন্নাত মুন্সী ও মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান জামিনে রয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

শেখ হাসিনাকে হত্যার প্রচেষ্টা, ১৪ জঙ্গিকে ফায়ারিং স্কোয়াডে ফাঁসি কার্যকরের নির্দেশ

আপডেট সময় : ০৩:৫৫:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ মার্চ ২০২১

ভয়েস রিপোর্ট, ঢাকা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে কোটালীপাড়ায় সমাবেশস্থলের পাশে বোমা পুঁতে রাখার দায়ে ১৪ জঙ্গির সবাইকে প্রকাশ্যে ফায়ারিং স্কোয়াডে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। ২০০০ সালের ২১ জুলাই গোপালগঞ্জের কোটালিপাড়ায় তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেতা শেখ হাসিনার সমাবেশস্থলের পাশ থেকে ৭৬ কেজি ওজনের একটি বোমা উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় কোটালিপাড়া থানায় বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা হয়।

২০০১ সালের ১৫ নভেম্বর মুফতি হান্নানসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। ২০০৪ সালের ২১ নভেম্বর আদালতে আসামিদের বিরুদ্ধে বিচার শুরু হয়। অপর এক মামলায় হরকাতুল জেহাদ (হুজি) নেতা মুফতি হান্নানের ফাঁসি কার্যকর হয়েছে।

মঙ্গলবার ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামানের আদালত অভিযুক্তদের মৃত্যুদণ্ড প্রদান করা হয়। এ সময় বিচারক আদেশে জঙ্গিদের ফায়ারিং স্কোয়াডে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করের নির্দেশ দেন। তবে ফায়ারিং স্কোয়াডে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে কোনো বিধিনিষেধ থাকলে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে প্রত্যেকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার আদেশ দেন বিচারক।

আসামিদের ক্ষমার বিষয়ে আদালত বলেন, হুজি ও জেএমবির মতো সন্ত্রাসী ও জঙ্গিদের দৃষ্টান্তমূলক সাজা দেওয়া প্রয়োজন। তাই তারা ক্ষমা পেতে পারে না।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- মো. আজিজুল হক ওরফে শাহনেওয়াজ, মো. লোকমান, মো. ইউসুফ ওরফে মোছহাব মোড়ল, মোছহাব হাসান ওরফে রাশু, শেখ মো. এনামুল হক, মো. মফিজুর রহমান ওরফে মফিজ, মো. মাহমুদ আজহার ওরফে মামুনুর রশিদ, মো. রাশেদুজ্জামান ওরফে শিমুল, মো. তারেক, মো. ওয়াদুদ শেখ ওরফে গাজী খান, মো. আনিসুল ইসলাম ও সারোয়ার হোসেন মিয়া। আসামিদের মধ্যে মাওলানা আমিরুল ইসলাম ওরফে জেন্নাত মুন্সী ও মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান জামিনে রয়েছেন।