ঢাকা ০৪:৫৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নৃশংস ৭ বছরের শিশুর হাত চেপে ধরেন স্ত্রী আঙ্গুল কাটেন পুলিশ  কনস্টেবল জাতিসংঘ সফর শেষে সচিবালয়ে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী, শুরু দাপ্তরিক কার্যক্রম জাতিসংঘ অধিবেশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ সার্থক হয়েছে : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশের উন্নয়ন প্রচেষ্টায় চীনের সমর্থন অব্যাহত থাকবে: রাষ্ট্রদূত ১৮ দেশের বাজারকেন্দ্রিক রপ্তানি কৌশল প্রণয়ন করছে সরকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি সরকারের সমালোচনা এনসিপি আহ্বায়কের কাগজে নদীর সংখ্যা বাড়ছে নদী রক্ষাই এখন সবচেয়ে বড় সংকট সাশ্রয়ী আবাসন অর্থায়নে বাংলাদেশকে ১০ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে এডিবি শেরপুর সীমান্তে ভারতীয় সাবান-মদ জব্দ বিজিবির গরু আটক নিয়ে চাঞ্চল্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘাতের সমাধান কেবল কূটনীতিতেই: ইরান

পাকিস্তানে ধর্ম অবমাননা, তরুণকে থানা থেকে ছিনিয়ে নিয়ে হত্যা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৫০:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ২৩০ বার পড়া হয়েছে

ধর্ম অবমাননার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে হত্যার আগে থানায় হামলা চালান বিক্ষুব্ধ লোকজনছবি: টুইটার ভিডিও থেকে নেওয়া

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ধর্ম অবমাননার অভিযোগে হামলার ঘটনা পাকিস্তানে নতুন নয়। ২০২১ সালে দেশটিতে শ্রীলঙ্কার এক নাগরিককে এমন অভিযোগ তুলে হত্যা করা হয়েছিল। সে ঘটনায় পাকিস্তান ও দেশটির বাইরে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। পরে ওই হত্যাকাণ্ডের দায়ে ছয়জনকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছিলেন পাকিস্তান আদালত

 

অনলাইন ডেস্ক

ধর্ম অবমাননার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে হত্যার আগে থানায় হামলা চালান বিক্ষুব্ধ লোকজনছবি: টুইটার ভিডিও থেকে নেওয়া

ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে এক ব্যক্তিকে থানা থেকে ছিনিয়ে নিয়ে হত্যা করেছে বিক্ষুব্ধ জনতা। শনিবার পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের নানকানা সাহিব শহরে এ ঘটনা বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পাকিস্তান পুলিশের মুখপাত্র মুহাম্মদ ওয়াকাস সংবাদমাধ্যমকে বলেন, নিহত ব্যক্তির নাম মুহাম্মদ ওয়ারিস। বয়স বিশের কোঠায়। পবিত্র কোরআন অবমাননার অভিযোগে তার ওপর হামলা চালানো হয়। পরে পুলিশ তাকে থানা হেফাজতে নিয়ে আসে।

কিন্তু বিক্ষুব্ধ লোকজন থানায় হামলা চালায়। এ সময় মুহাম্মদ ওয়ারিসকে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেয় এবং পিটিয়ে হত্যা করে। ওয়ারিসের শরীর আগুনে পুড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল বলে জানায় পুলিশের এই কর্মকর্তা।

মুহাম্মদ ওয়াকাস বলেন, থানায় থাকা পুলিশ সদস্যরা সংখ্যায় কম ছিল এবং তারা হামলাকারীদের ঠেকাতে পারেননি। তবে মুহাম্মদ ওয়ারিসের শরীরে আগুন দেওয়া ঠেকানো সম্ভব হয়েছে।

থানায় হামলা ও ওয়ারিসকে মারধরের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ওই ভিডিওটির সত্যতা যাচাই করছে পুলিশ। তাতে এক ব্যক্তিকে পা ধরে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যাওয়ার দৃশ্য দেখা গেছে। এক পর্যায়ে তার পোশাক খুলে ফেলা হয় এবং লাঠি ও রড দিয়ে পেটানো হয়।

পাকিস্তান পুলিশ বিবৃতিতে জানিয়েছে মুহাম্মদ ওয়ারিসকে হত্যার ঘটনায় পুলিশের একাধিক কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে। এই ঘটনার তদন্ত শুরু করতে নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ।

ধর্ম অবমাননার অভিযোগে হামলার ঘটনা পাকিস্তানে নতুন নয়। ২০২১ সালে দেশটিতে শ্রীলঙ্কার এক নাগরিককে এমন অভিযোগ তুলে হত্যা করা হয়েছিল। সে ঘটনায় পাকিস্তান ও দেশটির বাইরে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। পরে ওই হত্যাকাণ্ডের দায়ে ছয়জনকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছিলেন পাকিস্তান আদালত।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য