ঢাকা ০৯:৪২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বেইজিং থেকে দেশের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গুমের শিকার পরিবারের ভাতা বরাদ্দ এই বাজেটেই প্রতিশ্রুতি মির্জা ফখরুলের হামে মৃত্যু ৭০০ ছাড়াল, বাড়ছে উদ্বেগ তিস্তা প্রকল্প বাংলাদেশের পাশে থাকার আশ্বাস চীনের: মাহদী আমিন বাংলা কিউআর চালু হলে বদলে যাবে ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থা ভেনেজুয়েলায় ভয়াবহ ভূমিকম্প ধ্বংসস্তূপে চাপা শত শত প্রাণ, উদ্ধার ২৩৫ মরদেহ চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বৈঠক তিয়েনআনমেন চীনের বীরদের প্রতি শ্রদ্ধা শ্রদ্ধা প্রধানমন্ত্রীর চীনের সঙ্গে গভীরতর শিল্প অংশীদারত্বে আগ্রহী বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী বিএনপি ও চীনের কমিউনিস্ট পার্টির মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

পাকিস্তানে ধর্ম অবমাননা, তরুণকে থানা থেকে ছিনিয়ে নিয়ে হত্যা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৫০:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ২১৫ বার পড়া হয়েছে

ধর্ম অবমাননার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে হত্যার আগে থানায় হামলা চালান বিক্ষুব্ধ লোকজনছবি: টুইটার ভিডিও থেকে নেওয়া

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ধর্ম অবমাননার অভিযোগে হামলার ঘটনা পাকিস্তানে নতুন নয়। ২০২১ সালে দেশটিতে শ্রীলঙ্কার এক নাগরিককে এমন অভিযোগ তুলে হত্যা করা হয়েছিল। সে ঘটনায় পাকিস্তান ও দেশটির বাইরে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। পরে ওই হত্যাকাণ্ডের দায়ে ছয়জনকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছিলেন পাকিস্তান আদালত

 

অনলাইন ডেস্ক

ধর্ম অবমাননার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে হত্যার আগে থানায় হামলা চালান বিক্ষুব্ধ লোকজনছবি: টুইটার ভিডিও থেকে নেওয়া

ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে এক ব্যক্তিকে থানা থেকে ছিনিয়ে নিয়ে হত্যা করেছে বিক্ষুব্ধ জনতা। শনিবার পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের নানকানা সাহিব শহরে এ ঘটনা বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পাকিস্তান পুলিশের মুখপাত্র মুহাম্মদ ওয়াকাস সংবাদমাধ্যমকে বলেন, নিহত ব্যক্তির নাম মুহাম্মদ ওয়ারিস। বয়স বিশের কোঠায়। পবিত্র কোরআন অবমাননার অভিযোগে তার ওপর হামলা চালানো হয়। পরে পুলিশ তাকে থানা হেফাজতে নিয়ে আসে।

কিন্তু বিক্ষুব্ধ লোকজন থানায় হামলা চালায়। এ সময় মুহাম্মদ ওয়ারিসকে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেয় এবং পিটিয়ে হত্যা করে। ওয়ারিসের শরীর আগুনে পুড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল বলে জানায় পুলিশের এই কর্মকর্তা।

মুহাম্মদ ওয়াকাস বলেন, থানায় থাকা পুলিশ সদস্যরা সংখ্যায় কম ছিল এবং তারা হামলাকারীদের ঠেকাতে পারেননি। তবে মুহাম্মদ ওয়ারিসের শরীরে আগুন দেওয়া ঠেকানো সম্ভব হয়েছে।

থানায় হামলা ও ওয়ারিসকে মারধরের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ওই ভিডিওটির সত্যতা যাচাই করছে পুলিশ। তাতে এক ব্যক্তিকে পা ধরে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যাওয়ার দৃশ্য দেখা গেছে। এক পর্যায়ে তার পোশাক খুলে ফেলা হয় এবং লাঠি ও রড দিয়ে পেটানো হয়।

পাকিস্তান পুলিশ বিবৃতিতে জানিয়েছে মুহাম্মদ ওয়ারিসকে হত্যার ঘটনায় পুলিশের একাধিক কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে। এই ঘটনার তদন্ত শুরু করতে নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ।

ধর্ম অবমাননার অভিযোগে হামলার ঘটনা পাকিস্তানে নতুন নয়। ২০২১ সালে দেশটিতে শ্রীলঙ্কার এক নাগরিককে এমন অভিযোগ তুলে হত্যা করা হয়েছিল। সে ঘটনায় পাকিস্তান ও দেশটির বাইরে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। পরে ওই হত্যাকাণ্ডের দায়ে ছয়জনকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছিলেন পাকিস্তান আদালত।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

পাকিস্তানে ধর্ম অবমাননা, তরুণকে থানা থেকে ছিনিয়ে নিয়ে হত্যা

আপডেট সময় : ০৯:৫০:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

ধর্ম অবমাননার অভিযোগে হামলার ঘটনা পাকিস্তানে নতুন নয়। ২০২১ সালে দেশটিতে শ্রীলঙ্কার এক নাগরিককে এমন অভিযোগ তুলে হত্যা করা হয়েছিল। সে ঘটনায় পাকিস্তান ও দেশটির বাইরে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। পরে ওই হত্যাকাণ্ডের দায়ে ছয়জনকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছিলেন পাকিস্তান আদালত

 

অনলাইন ডেস্ক

ধর্ম অবমাননার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে হত্যার আগে থানায় হামলা চালান বিক্ষুব্ধ লোকজনছবি: টুইটার ভিডিও থেকে নেওয়া

ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে এক ব্যক্তিকে থানা থেকে ছিনিয়ে নিয়ে হত্যা করেছে বিক্ষুব্ধ জনতা। শনিবার পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের নানকানা সাহিব শহরে এ ঘটনা বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পাকিস্তান পুলিশের মুখপাত্র মুহাম্মদ ওয়াকাস সংবাদমাধ্যমকে বলেন, নিহত ব্যক্তির নাম মুহাম্মদ ওয়ারিস। বয়স বিশের কোঠায়। পবিত্র কোরআন অবমাননার অভিযোগে তার ওপর হামলা চালানো হয়। পরে পুলিশ তাকে থানা হেফাজতে নিয়ে আসে।

কিন্তু বিক্ষুব্ধ লোকজন থানায় হামলা চালায়। এ সময় মুহাম্মদ ওয়ারিসকে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেয় এবং পিটিয়ে হত্যা করে। ওয়ারিসের শরীর আগুনে পুড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল বলে জানায় পুলিশের এই কর্মকর্তা।

মুহাম্মদ ওয়াকাস বলেন, থানায় থাকা পুলিশ সদস্যরা সংখ্যায় কম ছিল এবং তারা হামলাকারীদের ঠেকাতে পারেননি। তবে মুহাম্মদ ওয়ারিসের শরীরে আগুন দেওয়া ঠেকানো সম্ভব হয়েছে।

থানায় হামলা ও ওয়ারিসকে মারধরের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ওই ভিডিওটির সত্যতা যাচাই করছে পুলিশ। তাতে এক ব্যক্তিকে পা ধরে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যাওয়ার দৃশ্য দেখা গেছে। এক পর্যায়ে তার পোশাক খুলে ফেলা হয় এবং লাঠি ও রড দিয়ে পেটানো হয়।

পাকিস্তান পুলিশ বিবৃতিতে জানিয়েছে মুহাম্মদ ওয়ারিসকে হত্যার ঘটনায় পুলিশের একাধিক কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে। এই ঘটনার তদন্ত শুরু করতে নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ।

ধর্ম অবমাননার অভিযোগে হামলার ঘটনা পাকিস্তানে নতুন নয়। ২০২১ সালে দেশটিতে শ্রীলঙ্কার এক নাগরিককে এমন অভিযোগ তুলে হত্যা করা হয়েছিল। সে ঘটনায় পাকিস্তান ও দেশটির বাইরে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। পরে ওই হত্যাকাণ্ডের দায়ে ছয়জনকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছিলেন পাকিস্তান আদালত।