ঢাকা ০৪:০২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নৃশংস ৭ বছরের শিশুর হাত চেপে ধরেন স্ত্রী আঙ্গুল কাটেন পুলিশ  কনস্টেবল জাতিসংঘ সফর শেষে সচিবালয়ে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী, শুরু দাপ্তরিক কার্যক্রম জাতিসংঘ অধিবেশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ সার্থক হয়েছে : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশের উন্নয়ন প্রচেষ্টায় চীনের সমর্থন অব্যাহত থাকবে: রাষ্ট্রদূত ১৮ দেশের বাজারকেন্দ্রিক রপ্তানি কৌশল প্রণয়ন করছে সরকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি সরকারের সমালোচনা এনসিপি আহ্বায়কের কাগজে নদীর সংখ্যা বাড়ছে নদী রক্ষাই এখন সবচেয়ে বড় সংকট সাশ্রয়ী আবাসন অর্থায়নে বাংলাদেশকে ১০ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে এডিবি শেরপুর সীমান্তে ভারতীয় সাবান-মদ জব্দ বিজিবির গরু আটক নিয়ে চাঞ্চল্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘাতের সমাধান কেবল কূটনীতিতেই: ইরান

fake dollar : জাল ডলার-রুপি চক্রের চারসদস্য গোয়েন্দা জালে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৩৬:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ২৫১ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা

ডলার, জাল নোট, ভারতীয় রুপিসহ রেভিনিউ স্ট্যাম্প প্রস্তুত জাল ছাফিয়ে আসছিল একটি চক্র। পুলিশ বলছে, বর্তমানে ডলার সংকটের সুযোগে ডলারের জাল নোট তৈরি করে বাজারে ছাড়ছিল চক্রটি। রুপি ও ডলারের জাল নোট তৈরি করে বিদেশে পাচারও করছিল তারা। অনেকেই কম দামে এসব ডলার কিনে প্রতারিত হচ্ছিলেন।

শনিবার ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ডিএমপির গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) প্রধান অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ। বুধবার চক্রের চার সদস্যকে গ্রেফতার করে ডিবি।

এ সময় তাদের কাছ থেকে ২৭ লাখ টাকা মূল্যের রুপি ও ডলারের জাল নোট, ১ কোটি ২০ লাখ টাকা মূল্যমানের জাল রেভিনিউ স্ট্যাম্প ও জাল নোট তৈরির বিভিন্ন উপকরণ উদ্ধার করে পুলিশ।

মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ জানান, বুধবার দারুস সালাম থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে চক্রের মূলহোতা উজ্জল দাসকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে দারুস সালামের একটি বাসা থেকে রেভিনিউ স্ট্যাম্প প্রস্তুতকালে বাকি তিন জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

তিনি বলেন, চক্রটি মতিঝিল এলাকা থেকে নোট-স্ট্যাম্প তৈরির প্রয়োজনীয় কাগজ, নয়াবাজার ও মিডফোর্ট থেকে রঙ এবং ফয়েল সংগ্রহ করতো।
তিনি আরও বলেন, সারা দেশে তাদের এজেন্ট রয়েছে।

প্রথম পর্যায়ে এক কোটি টাকা মূল্যের রুপি-ডলারের জাল নোট ১০ লাখে, এরপর ২০ লাখ টাকা মূল্যের রুপি-ডলারের জাল নোট ৫০ লাখে বিক্রি করতো। এজেন্টদের চাহিদা অনুযায়ী যেকোনও পরিমাণের জাল নোট প্রস্তুত করে দিতো। বাংলাদেশি টাকার ক্ষেত্রে তারা ১০০ ও ২০০ টাকার নোট জাল করতো।

গোয়েন্দা প্রধান বলেন, তাদের কাছে যে পরিমাণ জাল টাকা তৈরির কাগজ এবং অন্যান্য উপকরণ পাওয়া গেছে, তা দিয়ে আগামী রমজান ও ঈদুল ফিতরে প্রায় ২০০ কোটি টাকার জাল নোট ও রেভিনিউ স্ট্যাম্প বাজারে ছাড়তে পারতো।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য