ঢাকা ০৪:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কৃষি ও জেলেদের সুরক্ষায় ইলিশা-রাজাপুর খাল পুনঃখননের দাবিতে মন্ত্রণালয়ে স্মারকলিপি আরও তিন সাবেক উপদেষ্টা ও এক বিশেষ সহকারীর ব্যাংক হিসাব তলব বেনাপোল পুটখালী সীমান্ত এলাকায় বিজিবি অভিযানে ৩০ কেজি গাঁজা উদ্ধার শিগগির ঢাকার সক্রিয় চাঁদাবাজদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রস্তুত করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আগুন, জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা, তেলের দাম লাগামছাড়া চাউলের দাম বৃদ্ধির খবরে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে প্রথানমন্ত্রীর নির্দেশ জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ ও গণভোট অধ্যাদেশ কেন অবৈধ নয় জানতে চেয়ে হাই কোর্টের রুল সৌদিতে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের জন্য জরুরি নির্দেশনা দূতাবাসের ঈদযাত্রা ঘিরে অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু, টার্মিনাল ও স্টেশনে ভিড় দুবাই ছাড়তে ধনকুবেরদের হুড়োহুড়ি, প্রাইভেট জেটের ভাড়া কয়েক গুণ বৃদ্ধি

Indian High Commissioner : ভারত এশিয়ায় বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে বড় রপ্তানি গন্তব্য হয়ে উঠেছে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:০৫:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ নভেম্বর ২০২২ ১৯৯ বার পড়া হয়েছে

ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দের সঙ্গে ভারতীয় হাই কমিশনারের মতবিনিময়

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিশেষ প্রতিনিধি, ঢাকা

ভারতে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রপ্তানি গন্তব্যে পরিণত হয়েছে। যা কিনা এশিয়ায় নজির সৃষ্টি করেছে। গত পাঁচ বছরে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য দ্বিগুণেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে এবং গত অর্থবছরে ভারতে বাংলাদেশের রপ্তানি প্রায় ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে।

বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ ও চেম্বারসমূহের সাথে মতবিনিময় কালে একথা তুলে ধরেন, বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাই কমিশনার শ্রী প্রণয় ভার্মা। ভারতীয় হাই কমিশনের তরফে পাঠানো তথ্য বার্তা এসব কথা জানানো হয়।

হাই কমিশনার বলেন, দুই দেশের মধ্যে ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক সম্পৃক্ততার গুরুত্বারোপ করেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন।
হাই কমিশনার মি. ভার্মা বলেন, কমপ্রিহেনসিভ ইকনোমিক পার্টনারশিপ অ্যাগ্রিমেন্ট (সেপা)-র ওপর জোর দিয়ে বলেন, এ বিষয়ে উভয়পক্ষই আলোচনায় সম্মত হয়েছিল এবং একটি নতুন প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো ও সাপ্লাই চেইন সংযোগ তৈরি করে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক বাড়ানোর উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে।

সীমান্তে উন্নত যোগাযোগ এবং বাণিজ্য অবকাঠামোর গুরুত্বের ওপর জোর দেন যা ভারত ও বাংলাদেশ উভয়েরই দ্রুত অর্থনৈতিক উন্নয়নের মাধ্যমে উদ্ভূত অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বের পূর্ণ সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে সহায়তা করবে। এই প্রেক্ষাপটে, তিনি অন্যান্য স্থলবন্দরে অবকাঠামোগত উন্নতির মাধ্যমে আইসিপি পেট্রাপোল-বেনাপোল-এর ওপর চাপ কমানো এবং বিধিনিষেধহীন বন্দরের সংখ্যা বৃদ্ধি করার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। যা কিনা স্থলবন্দরে বিনিয়োগকে উৎসাহিত করবে।

সড়ক, রেলপথ, অভ্যন্তরীণ নৌ-পথ ও কোস্টাল শিপিংয়ের মাধ্যমে এই উপ-অঞ্চলের বৃহত্তর সহযোগিতা, একীভূতকরণ এবং বহুমুখী সংযোগের প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন।

ইন্টারঅ্যাক্টিভ সেশনে বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়িক নেতৃবৃন্দ ও ব্যবসায়ী চেম্বার প্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন। ঢাকায় আগত সোসাইটি অফ ইন্ডিয়ান অটোমোবাইল ম্যানুফ্যাকচারার্স (ঝওঅগ)-এর একটি প্রতিনিধি দল অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

Indian High Commissioner : ভারত এশিয়ায় বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে বড় রপ্তানি গন্তব্য হয়ে উঠেছে

আপডেট সময় : ১২:০৫:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ নভেম্বর ২০২২

বিশেষ প্রতিনিধি, ঢাকা

ভারতে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রপ্তানি গন্তব্যে পরিণত হয়েছে। যা কিনা এশিয়ায় নজির সৃষ্টি করেছে। গত পাঁচ বছরে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য দ্বিগুণেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে এবং গত অর্থবছরে ভারতে বাংলাদেশের রপ্তানি প্রায় ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে।

বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ ও চেম্বারসমূহের সাথে মতবিনিময় কালে একথা তুলে ধরেন, বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাই কমিশনার শ্রী প্রণয় ভার্মা। ভারতীয় হাই কমিশনের তরফে পাঠানো তথ্য বার্তা এসব কথা জানানো হয়।

হাই কমিশনার বলেন, দুই দেশের মধ্যে ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক সম্পৃক্ততার গুরুত্বারোপ করেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন।
হাই কমিশনার মি. ভার্মা বলেন, কমপ্রিহেনসিভ ইকনোমিক পার্টনারশিপ অ্যাগ্রিমেন্ট (সেপা)-র ওপর জোর দিয়ে বলেন, এ বিষয়ে উভয়পক্ষই আলোচনায় সম্মত হয়েছিল এবং একটি নতুন প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো ও সাপ্লাই চেইন সংযোগ তৈরি করে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক বাড়ানোর উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে।

সীমান্তে উন্নত যোগাযোগ এবং বাণিজ্য অবকাঠামোর গুরুত্বের ওপর জোর দেন যা ভারত ও বাংলাদেশ উভয়েরই দ্রুত অর্থনৈতিক উন্নয়নের মাধ্যমে উদ্ভূত অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বের পূর্ণ সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে সহায়তা করবে। এই প্রেক্ষাপটে, তিনি অন্যান্য স্থলবন্দরে অবকাঠামোগত উন্নতির মাধ্যমে আইসিপি পেট্রাপোল-বেনাপোল-এর ওপর চাপ কমানো এবং বিধিনিষেধহীন বন্দরের সংখ্যা বৃদ্ধি করার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। যা কিনা স্থলবন্দরে বিনিয়োগকে উৎসাহিত করবে।

সড়ক, রেলপথ, অভ্যন্তরীণ নৌ-পথ ও কোস্টাল শিপিংয়ের মাধ্যমে এই উপ-অঞ্চলের বৃহত্তর সহযোগিতা, একীভূতকরণ এবং বহুমুখী সংযোগের প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন।

ইন্টারঅ্যাক্টিভ সেশনে বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়িক নেতৃবৃন্দ ও ব্যবসায়ী চেম্বার প্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন। ঢাকায় আগত সোসাইটি অফ ইন্ডিয়ান অটোমোবাইল ম্যানুফ্যাকচারার্স (ঝওঅগ)-এর একটি প্রতিনিধি দল অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে।