ঢাকা ০৭:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারে ঢাকা-নয়াদিল্লির নতুন প্রত্যাশা খুব দ্রুত বিশ্ববাজারে কমবে জ্বালানি তেলের দাম: ট্রাম্প ইসরায়েলে বহুমুখী হামলার প্রস্তুতি, মিত্রদের একজোট করছে ইরান এলএনজি সংরক্ষণ ও গ্যাসে রূপান্তরে বিনিয়োগে আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র নিউ মেক্সিকো’র নাম পরিবর্তন করে নিউ আমেরিকা রাখার প্রস্তাব ট্রাম্পের রোহিঙ্গা সংকট বাংলাদেশের অন্যতম বড় সংকট : প্রধানমন্ত্রী সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অবৈধ ব্যাটারিচালিত অটো নিয়ন্ত্রণে কঠোর পদক্ষেপ গঙ্গার পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিতের আহ্বান জনপ্রশাসন উপদেষ্টার ডেঙ্গুর ভয়াবহ ছোবল একদিনে রেকর্ড ১,৫৫৮ ভর্তি, মৃত্যু ৪ বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক সুদৃঢ় করতে সাংস্কৃতিক আদান-প্রদানে গুরুত্ব

EDUCATION : শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা

ভয়েস রিপোর্ট, ঢাকা
  • আপডেট সময় : ০৪:৩৫:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ জানুয়ারী ২০২২ ৩৭২ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক

করোনার প্রাদুর্ভাব ছড়িয়ে পড়লে ১৮ মাস বন্ধ থাকার পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরলে গত বছরের ১২ সেপ্টেম্বর খুলে দেওয়া হয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এরমধ্যে পরীক্ষা গ্রহণ ফলাফল, ভর্তি এবং বিনামূল্যে বই বিতরণ সম্পন্ন হয়। এরই মধ্যে ১২ বছর থেকে শিক্ষার্থীদের টিকা কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।

কিন্তু এরপরও শেষ রক্ষা হয়নি। করোনা পরিস্থিতি ফের ঊর্ধমুখি বিস্তারে ফের ২১ জানুয়ারি থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা দেয় হাসিনা সরকার। ইদানিং শিক্ষার্থীদের একটা বড় অংশ করোনা আক্রান্ত হয়ে পড়ছে। এনিয়ে চিকিৎসকরা আশঙ্কা প্রকাশ করছেন। এনিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে করেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের পাশাপাশি অর্ধেক লোকবল দিয়ে চলবে সরকারী-বেসরকারী অফিস। সামাজিক অনুষ্ঠানে ১০০ জনের বেশি উপস্থিতি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। উপস্থিত ব্যক্তিদের অবশ্যই করোনা সনদ থাকতে হবে।

শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদফতরে জরুরি সাংবাদিক বৈঠকে এসব তথ্য তুলে ধরেন বাংলাদেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। এ বিষয়ে শিঘ্রই প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। এসময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, গণপরিবহনে ভোগান্তি কমাতে অর্ধেক লোক দিয়ে অফিস করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

এর আগে সরকার যে ১১ দফা বিধিনিষেধ জারি করা হলে তা মান্যতায় তেমন সফলতা আসেনি উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা আগেও বিধিনিষেধ দিয়েছি, এগুলো কার্যকরের চেষ্টা চলছে।

স্বাস্থ্যবিধি মান্যতায় জনগণের দায়িত্ব অনেক বেশি উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, সরকার বিধিনিষেধ দিতে পারে, কিন্তু মানার দায়িত্ব জনগণের। জনগণই পারবে দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি চালিয়ে নিতে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

EDUCATION : শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা

আপডেট সময় : ০৪:৩৫:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ জানুয়ারী ২০২২

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক

করোনার প্রাদুর্ভাব ছড়িয়ে পড়লে ১৮ মাস বন্ধ থাকার পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরলে গত বছরের ১২ সেপ্টেম্বর খুলে দেওয়া হয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এরমধ্যে পরীক্ষা গ্রহণ ফলাফল, ভর্তি এবং বিনামূল্যে বই বিতরণ সম্পন্ন হয়। এরই মধ্যে ১২ বছর থেকে শিক্ষার্থীদের টিকা কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।

কিন্তু এরপরও শেষ রক্ষা হয়নি। করোনা পরিস্থিতি ফের ঊর্ধমুখি বিস্তারে ফের ২১ জানুয়ারি থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা দেয় হাসিনা সরকার। ইদানিং শিক্ষার্থীদের একটা বড় অংশ করোনা আক্রান্ত হয়ে পড়ছে। এনিয়ে চিকিৎসকরা আশঙ্কা প্রকাশ করছেন। এনিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে করেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের পাশাপাশি অর্ধেক লোকবল দিয়ে চলবে সরকারী-বেসরকারী অফিস। সামাজিক অনুষ্ঠানে ১০০ জনের বেশি উপস্থিতি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। উপস্থিত ব্যক্তিদের অবশ্যই করোনা সনদ থাকতে হবে।

শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদফতরে জরুরি সাংবাদিক বৈঠকে এসব তথ্য তুলে ধরেন বাংলাদেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। এ বিষয়ে শিঘ্রই প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। এসময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, গণপরিবহনে ভোগান্তি কমাতে অর্ধেক লোক দিয়ে অফিস করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

এর আগে সরকার যে ১১ দফা বিধিনিষেধ জারি করা হলে তা মান্যতায় তেমন সফলতা আসেনি উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা আগেও বিধিনিষেধ দিয়েছি, এগুলো কার্যকরের চেষ্টা চলছে।

স্বাস্থ্যবিধি মান্যতায় জনগণের দায়িত্ব অনেক বেশি উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, সরকার বিধিনিষেধ দিতে পারে, কিন্তু মানার দায়িত্ব জনগণের। জনগণই পারবে দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি চালিয়ে নিতে।