ঢাকা ০৯:৩৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নৃশংস ৭ বছরের শিশুর হাত চেপে ধরেন স্ত্রী আঙ্গুল কাটেন পুলিশ  কনস্টেবল জাতিসংঘ সফর শেষে সচিবালয়ে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী, শুরু দাপ্তরিক কার্যক্রম জাতিসংঘ অধিবেশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ সার্থক হয়েছে : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশের উন্নয়ন প্রচেষ্টায় চীনের সমর্থন অব্যাহত থাকবে: রাষ্ট্রদূত ১৮ দেশের বাজারকেন্দ্রিক রপ্তানি কৌশল প্রণয়ন করছে সরকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি সরকারের সমালোচনা এনসিপি আহ্বায়কের কাগজে নদীর সংখ্যা বাড়ছে নদী রক্ষাই এখন সবচেয়ে বড় সংকট সাশ্রয়ী আবাসন অর্থায়নে বাংলাদেশকে ১০ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে এডিবি শেরপুর সীমান্তে ভারতীয় সাবান-মদ জব্দ বিজিবির গরু আটক নিয়ে চাঞ্চল্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘাতের সমাধান কেবল কূটনীতিতেই: ইরান

বিদেশে নতুন কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করবে না বেইজিং

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৭:৩৩:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১ ৩৮৩ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিদেশে নতুন করে আর কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করবে না করার ঘোষণা দিয়েছে বেইজিং। বৈশ্বিক কার্বন নির্গমণ ঠেকাতে এই সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। জাতিসংঘের

সাধারণ সভায় এই ঘোষণা দেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং। বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ নামে পরিচিত অবকাঠামো উন্নয়নমূলক কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পে বাংলাদেশ,

ইন্দোনেশিয়া ও ভিয়েতনামের মতো দেশগুলোতে অর্থ সহায়তা করে আসছে চীন। তবে এই অর্থায়ন বন্ধে কূটনৈতিক চাপ রয়েছে এশিয়ান জায়ান্টদের ওপর। প্যারিস জলবায়ু চুক্তির লক্ষ্য পূরণের চেষ্টা করছে বিশ্ব।

শি জিনপিং জাতিসংঘের বার্ষিক অধিবেশনে পাঠানো রেকর্ডকৃত এক ভিডিওতে বলেন, সবুজ উন্নয়নে এবং কম কার্বন নিঃসরণ করে, এমন শক্তি উৎপাদনে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে অর্থায়ন বন্ধ করবে চীন।

তবে এই বিষয়ে আর বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি। এই পদক্ষেপ চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের (বিআরআই) অধীনে থাকা অনেক উন্নয়নশীল দেশে কয়লা কেন্দ্রের সম্প্রসারণকে সীমিত করতে পারে।

চীনের এই ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের জলবায়ু বিষয়ক দূত জন কেরি। এক বিবৃতিতে তিনি জানান, শি জিনপিংয়ের এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা শুনে সত্যিই আনন্দিত।

চীনের বিআরআই প্রকল্প বিভিন্ন দেশে যোগাযোগ ব্যবস্থা (ট্রেন ও রাস্তা), বন্দর ও কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনে অর্থায়ন করে আসছে, যার অধিকাংশ উন্নয়নশীল দেশে। সূত্র: বিবিসি

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য