ঢাকা ০৪:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এলএনজি টার্মিনাল সচলে আরও পাঁচ দিন দেশজুড়ে গ্যাস সংকট তীব্র, বাসা-বাড়ি, শিল্প ও যানবাহনে চরম ভোগান্তি পরিবেশের মারাত্মক প্রভাবে হুমকির মুখে সুন্দরবন সশস্ত্র বাহিনীকে দলীয় হাতিয়ার হতে দেওয়া হবে না বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান ভারতের ঐতিহাসিক বৌদ্ধ তীর্থস্থান সারনাথ স্বামীর নির্যাতন বরিশালে আওয়ামী লীগ নেত্রীর আত্মহত্যা রোববার বঙ্গভবন ছাড়ছেন সদ্যবিদায়ি রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ মেনে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছি: স্পিকার রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাঁর পদত্যাগপত্রে যা লিখেন রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের গুঞ্জন আপনারা যেমন শুনেছেন, আমিও তেমনই শুনেছি  স্পিকার রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করতে যাচ্ছেন, জোরালো হচ্ছে রাজনৈতিক আলোচনা

৬ মাসে তিন লাখেরও বেশি মেডিক্যাল ভিসা দিয়েছে ভারতীয়

ভয়েস রিপোর্ট, ঢাকা
  • আপডেট সময় : ০৮:০৫:৩৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১ ৪০৯ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছবি সংগ্রহ

করোনার ধাক্কায় বাংলাদেশ-ভারত যাতায়ত একটা লম্বা সময় বন্ধ থাকে। করোনার প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে এমন ব্যবস্থার পথে হাটে উভয় দেশ। ফার্স্ট ও সেকেন্ড ওয়েভ সামাল দিয়ে পরিস্থিতি

যখন শান্তর দিকে তখনই ভারত চিকিৎসা ভিসার ঘোষণা দেয়। এ অবস্থআয় বিগত ৬মাসে বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার প্রায় তিন লাখের বেশি মানুষ মেডিক্যাল তথা চিকিৎসার জন্য ভিসা পেয়েছেন।

যদিও এটা স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে অনেক কম। তারপরও উদ্যোগ থেমে নেই। করোনা মহামারি ঠেকাতে গত বছর মার্চ থেকে ভারত প্রবেশে সকল পর্যটক ভিসা স্থগিত রেখেছে। পর্যটক ভিসা ছাড়া ব্যবসা, কর্মসংস্থানসহ অন্য সব ক্যাটাগরিতে ভিসা প্রদান

চালু করেছে ভারত। করোনা পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় ভারত এখন শর্ত সাপেক্ষে পর্যটক ভিসা দেওয়া শুরু করার কথা বিবেচনা করছে বলে জানা গিয়েছে। জানা গিয়েছে, চলতি বছরের ৬

মাসে বাংলাদেশে প্রায় তিন লাখ ভিসা ইস্যু করেছে ভারতীয় হাইকমিশন। এসব ভিসার সিংহভাগ মেডিক্যাল। চলতি বছরের শুরুর দিকে পরিস্থিতি প্রায় স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরলেও মার্চের শেষ

দিক থেকে ফের মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে করোনা পরিস্থিতি। ভারতে পরিস্থিতি বলতে গেলে নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। এ অবস্থায় করোনার ডেল্টা ধরণ রুখতে ২৬ এপ্রিল থেকে স্থলবন্দরগুলো দিয়ে যাত্রী পারাপার বন্ধর ঘোষণা দেয় বাংলাদেশ। যা দফায় দফায় বাড়ানো হয়।

বাংলাদেশের পাশাপাশি ভারতে করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে। এ অবস্থায় পর্যটক ভিসা ছাড়া চিকিৎসাসহ অন্যান্য ভিসা চালুর সিদ্ধান্ত নেয় ভারত। এরই ধারাবাহিকতায়

চিকিৎসার বাংলাদেশি নাগরিকদের তিন লাখ ভিসা দেয় ভারতীয় হাইকমিশন। করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ সরকার ঘোষিত কঠোর বিধি-নিষেধকালে ভারতীয়

ভিসা আবেদনকেন্দ্রগুলোও বন্ধ থাকে। বিধি-নিষেধ প্রত্যাহারের পর আবেদনকেন্দ্র খুলে দেওয়া হয়। জানা গিয়েছে, ভিসা আবেদনকেন্দ্রগুলো বন্ধ থাকার সময়ও জরুরি মেডিক্যাল ভিসা দেওয়া হয়েছে। জরুরি প্রয়োজনে ভিসার জন্য অনেকে ভারতীয় হাইকমিশনের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ

করেছেন। পরিস্থিতি বিবেচনা করে সেই ভিসা আবেদনগুলো দ্রুততম সময়ের মধ্যে নিষ্পত্তি করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। তখন দু’দেশের মধ্যে ফ্লাইট বন্ধ থাকায় অনেক ক্ষেত্রে রোগীদের এয়ার

অ্যাম্বুল্যান্স ব্যবহার করতে হয়। বাংলাদেশ সরকার গত বৃহস্পতিবার থেকে স্থলবন্দর দিয়ে বৈধ যাতায়াতে বিধি-নিষেধ শিথিল করেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

৬ মাসে তিন লাখেরও বেশি মেডিক্যাল ভিসা দিয়েছে ভারতীয়

আপডেট সময় : ০৮:০৫:৩৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১

ছবি সংগ্রহ

করোনার ধাক্কায় বাংলাদেশ-ভারত যাতায়ত একটা লম্বা সময় বন্ধ থাকে। করোনার প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে এমন ব্যবস্থার পথে হাটে উভয় দেশ। ফার্স্ট ও সেকেন্ড ওয়েভ সামাল দিয়ে পরিস্থিতি

যখন শান্তর দিকে তখনই ভারত চিকিৎসা ভিসার ঘোষণা দেয়। এ অবস্থআয় বিগত ৬মাসে বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার প্রায় তিন লাখের বেশি মানুষ মেডিক্যাল তথা চিকিৎসার জন্য ভিসা পেয়েছেন।

যদিও এটা স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে অনেক কম। তারপরও উদ্যোগ থেমে নেই। করোনা মহামারি ঠেকাতে গত বছর মার্চ থেকে ভারত প্রবেশে সকল পর্যটক ভিসা স্থগিত রেখেছে। পর্যটক ভিসা ছাড়া ব্যবসা, কর্মসংস্থানসহ অন্য সব ক্যাটাগরিতে ভিসা প্রদান

চালু করেছে ভারত। করোনা পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় ভারত এখন শর্ত সাপেক্ষে পর্যটক ভিসা দেওয়া শুরু করার কথা বিবেচনা করছে বলে জানা গিয়েছে। জানা গিয়েছে, চলতি বছরের ৬

মাসে বাংলাদেশে প্রায় তিন লাখ ভিসা ইস্যু করেছে ভারতীয় হাইকমিশন। এসব ভিসার সিংহভাগ মেডিক্যাল। চলতি বছরের শুরুর দিকে পরিস্থিতি প্রায় স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরলেও মার্চের শেষ

দিক থেকে ফের মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে করোনা পরিস্থিতি। ভারতে পরিস্থিতি বলতে গেলে নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। এ অবস্থায় করোনার ডেল্টা ধরণ রুখতে ২৬ এপ্রিল থেকে স্থলবন্দরগুলো দিয়ে যাত্রী পারাপার বন্ধর ঘোষণা দেয় বাংলাদেশ। যা দফায় দফায় বাড়ানো হয়।

বাংলাদেশের পাশাপাশি ভারতে করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে। এ অবস্থায় পর্যটক ভিসা ছাড়া চিকিৎসাসহ অন্যান্য ভিসা চালুর সিদ্ধান্ত নেয় ভারত। এরই ধারাবাহিকতায়

চিকিৎসার বাংলাদেশি নাগরিকদের তিন লাখ ভিসা দেয় ভারতীয় হাইকমিশন। করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ সরকার ঘোষিত কঠোর বিধি-নিষেধকালে ভারতীয়

ভিসা আবেদনকেন্দ্রগুলোও বন্ধ থাকে। বিধি-নিষেধ প্রত্যাহারের পর আবেদনকেন্দ্র খুলে দেওয়া হয়। জানা গিয়েছে, ভিসা আবেদনকেন্দ্রগুলো বন্ধ থাকার সময়ও জরুরি মেডিক্যাল ভিসা দেওয়া হয়েছে। জরুরি প্রয়োজনে ভিসার জন্য অনেকে ভারতীয় হাইকমিশনের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ

করেছেন। পরিস্থিতি বিবেচনা করে সেই ভিসা আবেদনগুলো দ্রুততম সময়ের মধ্যে নিষ্পত্তি করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। তখন দু’দেশের মধ্যে ফ্লাইট বন্ধ থাকায় অনেক ক্ষেত্রে রোগীদের এয়ার

অ্যাম্বুল্যান্স ব্যবহার করতে হয়। বাংলাদেশ সরকার গত বৃহস্পতিবার থেকে স্থলবন্দর দিয়ে বৈধ যাতায়াতে বিধি-নিষেধ শিথিল করেছে।