ঢাকা ০৬:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারে ঢাকা-নয়াদিল্লির নতুন প্রত্যাশা খুব দ্রুত বিশ্ববাজারে কমবে জ্বালানি তেলের দাম: ট্রাম্প ইসরায়েলে বহুমুখী হামলার প্রস্তুতি, মিত্রদের একজোট করছে ইরান এলএনজি সংরক্ষণ ও গ্যাসে রূপান্তরে বিনিয়োগে আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র নিউ মেক্সিকো’র নাম পরিবর্তন করে নিউ আমেরিকা রাখার প্রস্তাব ট্রাম্পের রোহিঙ্গা সংকট বাংলাদেশের অন্যতম বড় সংকট : প্রধানমন্ত্রী সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অবৈধ ব্যাটারিচালিত অটো নিয়ন্ত্রণে কঠোর পদক্ষেপ গঙ্গার পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিতের আহ্বান জনপ্রশাসন উপদেষ্টার ডেঙ্গুর ভয়াবহ ছোবল একদিনে রেকর্ড ১,৫৫৮ ভর্তি, মৃত্যু ৪ বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক সুদৃঢ় করতে সাংস্কৃতিক আদান-প্রদানে গুরুত্ব

জাতীয় শোকদিবসে কলাবাগানে বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস ছালামের উদ্যোগে দুস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ

ভয়েস রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ১০:০৯:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ অগাস্ট ২০২১ ৪১২ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

উনিশ শ’ একাত্তর সালের সাতই মার্চ ঐতিহাসিক ভাষণ নিয়ে তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে হাজির হন বাংলার অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। সেদিন রেসকোর্স ময়দান ছাপিয়ে মুক্তিকামী মানুষের স্রোত বয়ে যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ আশাপাশ এলাকায়। সেদিন

বঙ্গবন্ধুর কালজয়ী ভাষণ শুনতে বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষের পথ এসে মিশে গিয়েছিলো রমনার রেসকোর্স ময়দানে।

সেসময় ক্যাম্পাস কাঁপানো ছাত্রলীগ নেতা আব্দুস ছালাম। তিনি একজন সংগঠও। দীর্ঘ ন’মাস দেশ মাতৃকাকে শত্রুমুক্ত করতে যুদ্ধ করেছেন। বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ধারণ করে পথ চলছেন। যুদ্ধকালীন তার পরিবারের ওপরও বয়ে গিয়েছে হাজারো ঝামেলা। কারণ, ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে

বঙ্গবন্ধুর বাড়ির কাছাকাছি সেন্ট্রাল রোড। এখনকার মতো আকাশচুম্বি অট্টালিকা ছিলো না। তাদের বাড়ি থেকে দেখা যেত ৩২ নম্বর বঙ্গবন্ধুর বাড়ি।

আব্দুস ছালাম এক সময়ের তুখোর ছাত্রলীগ নেতা। ৭২ সালে লালবাগ থানা ছাত্রলীগের সভাপতি এবং ঢাকা মহানগর ছাত্রলীগের সহসাধারণ সম্পাদক ছিলেন। বঙ্গবন্ধুর প্রতি অপরিসীম শ্রদ্ধা ও

ভালোবাসা এই বীর মুক্তিযোদ্ধার। আব্দুস ছালাম  ক্যালেন্ডারে কালো তারিখ তথা ১৫ আগস্টের কথা কেউ তাকে মনে করিয়ে দিতে হয় না। তিনি এদিনটির জন্যই সারাটি বছর পথ চেয়ে থাকেন। তিনি  হৃদয়ে রক্তক্ষরণ নিয়ে ১৫ আগস্ট জাতিরজনকের শাহাদৎ বার্ষিকী এবং জাতীয় শোক দিবসের কর্মসূচি পালন করেন।

এরই ধারাবাহিকতায় রবিবারও কলাবাগানে আয়োজন করেন জাতীয় শোকদিবসের কর্মসূচি। এদিন দুস্থদের মাঝে খাদ্যবিতরণ করা হয়। এদিনে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ব্যারিষ্টার ফজলে নূর তাপসের প্রতি সম্মান জানিয়ে শোকদিবসের আয়োজনে আরও যুক্ত হন

এডভোকেট কাজী মোর্শেদ হোসেন কামাল, ১ম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস ছালাম এবং কলাবাগান থানা আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

জাতীয় শোকদিবসে কলাবাগানে বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস ছালামের উদ্যোগে দুস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ

আপডেট সময় : ১০:০৯:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ অগাস্ট ২০২১

উনিশ শ’ একাত্তর সালের সাতই মার্চ ঐতিহাসিক ভাষণ নিয়ে তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে হাজির হন বাংলার অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। সেদিন রেসকোর্স ময়দান ছাপিয়ে মুক্তিকামী মানুষের স্রোত বয়ে যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ আশাপাশ এলাকায়। সেদিন

বঙ্গবন্ধুর কালজয়ী ভাষণ শুনতে বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষের পথ এসে মিশে গিয়েছিলো রমনার রেসকোর্স ময়দানে।

সেসময় ক্যাম্পাস কাঁপানো ছাত্রলীগ নেতা আব্দুস ছালাম। তিনি একজন সংগঠও। দীর্ঘ ন’মাস দেশ মাতৃকাকে শত্রুমুক্ত করতে যুদ্ধ করেছেন। বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ধারণ করে পথ চলছেন। যুদ্ধকালীন তার পরিবারের ওপরও বয়ে গিয়েছে হাজারো ঝামেলা। কারণ, ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে

বঙ্গবন্ধুর বাড়ির কাছাকাছি সেন্ট্রাল রোড। এখনকার মতো আকাশচুম্বি অট্টালিকা ছিলো না। তাদের বাড়ি থেকে দেখা যেত ৩২ নম্বর বঙ্গবন্ধুর বাড়ি।

আব্দুস ছালাম এক সময়ের তুখোর ছাত্রলীগ নেতা। ৭২ সালে লালবাগ থানা ছাত্রলীগের সভাপতি এবং ঢাকা মহানগর ছাত্রলীগের সহসাধারণ সম্পাদক ছিলেন। বঙ্গবন্ধুর প্রতি অপরিসীম শ্রদ্ধা ও

ভালোবাসা এই বীর মুক্তিযোদ্ধার। আব্দুস ছালাম  ক্যালেন্ডারে কালো তারিখ তথা ১৫ আগস্টের কথা কেউ তাকে মনে করিয়ে দিতে হয় না। তিনি এদিনটির জন্যই সারাটি বছর পথ চেয়ে থাকেন। তিনি  হৃদয়ে রক্তক্ষরণ নিয়ে ১৫ আগস্ট জাতিরজনকের শাহাদৎ বার্ষিকী এবং জাতীয় শোক দিবসের কর্মসূচি পালন করেন।

এরই ধারাবাহিকতায় রবিবারও কলাবাগানে আয়োজন করেন জাতীয় শোকদিবসের কর্মসূচি। এদিন দুস্থদের মাঝে খাদ্যবিতরণ করা হয়। এদিনে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ব্যারিষ্টার ফজলে নূর তাপসের প্রতি সম্মান জানিয়ে শোকদিবসের আয়োজনে আরও যুক্ত হন

এডভোকেট কাজী মোর্শেদ হোসেন কামাল, ১ম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস ছালাম এবং কলাবাগান থানা আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ।