ঢাকা ০৮:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারে ঢাকা-নয়াদিল্লির নতুন প্রত্যাশা খুব দ্রুত বিশ্ববাজারে কমবে জ্বালানি তেলের দাম: ট্রাম্প ইসরায়েলে বহুমুখী হামলার প্রস্তুতি, মিত্রদের একজোট করছে ইরান এলএনজি সংরক্ষণ ও গ্যাসে রূপান্তরে বিনিয়োগে আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র নিউ মেক্সিকো’র নাম পরিবর্তন করে নিউ আমেরিকা রাখার প্রস্তাব ট্রাম্পের রোহিঙ্গা সংকট বাংলাদেশের অন্যতম বড় সংকট : প্রধানমন্ত্রী সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অবৈধ ব্যাটারিচালিত অটো নিয়ন্ত্রণে কঠোর পদক্ষেপ গঙ্গার পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিতের আহ্বান জনপ্রশাসন উপদেষ্টার ডেঙ্গুর ভয়াবহ ছোবল একদিনে রেকর্ড ১,৫৫৮ ভর্তি, মৃত্যু ৪ বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক সুদৃঢ় করতে সাংস্কৃতিক আদান-প্রদানে গুরুত্ব

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে মিরপুরে সিরিজ জয়ের ইতিহাস টাইগারদের

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১১:১৮:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ অগাস্ট ২০২১ ২৮২ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছবি : সংগৃহীত

টানা তিন ম্যাচে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে মিরপুরে সিরিজ জয়ের ইতিহাস গড়ল টাইগাররা। ১২৭ রানের মামুলি স্কোর নিয়েও ১০ রানে জয় পেল টাইগাররা। এই জয়ে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ২ ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ নিশ্চিত করল টাইগাররা।

শুক্রবার মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করে ৯ উইকেটে ১২৭ রান তোলে স্বাগতিক বাংলাদেশ।

বৃষ্টির কারণে দেড় ঘন্টার বেশি সময় পরে শুরু হয়। শুরুতে ব্যাট করে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের ফিফটিতে অস্ট্রেলিয়াকে ১২৮ রানের চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেয় বাংলাদেশ।

চারে খেলতে নেমে বাংলাদেশ অধিনায়ক ব্যাটিং করেন ইনিংসের শেষ ওভার পর্যন্ত। মাহমুদউল্লাহ ৫২ বলে দেখা পান হাফসেঞ্চুরির। শেষ ওভারে হ্যাটট্রিক করেন অস্ট্রেলিয়ার অভিষিক্ত বোলার নাথান এলিস। টি-টোয়েন্টিতে অভিষেক কোন বোলারের প্রথম হ্যাটট্রিক এটি।

জবাবে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১১৭ রানের বেশি করতে পারেনি সফরকারী অজিরা। বাংলাদেশ জিতেছে ১০ রানে। টানা তিন ম্যাচ জিতে প্রথমবারের মতো যে কোনো ফরম্যাটের ক্রিকেটে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজ জেতে বাংলাদেশ।

১২৮ রানের টার্গেটে নেমে শুরু থেকেই ভুগছিল অজি দুই ওপেনার। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারের তৃতীয় বলে অজি অধিনায়ক ম্যাথু ওয়েডকে সাজঘরে পাঠালেন নাসুম আহমেদ। ৫ বলে মাত্র ১ রান আসে ওয়েডের ব্যাট থেকে।

ওয়েডের বিদায়ের পর অজিদের হাল ধরেন মিচেল মার্শ। প্রথম দুই ম্যাচে বাংলাদেশকে ভুগিয়েছিলেন তিনি। এই ম্যাচে বেন ম্যাকডার্মটকে সঙ্গে নিয়ে খেলতে থাকেন সাবলীল খেলা। একটা সময় বাংলাদেশের জন্য হুমকিই হয়ে দাড়াচ্ছিল এই জুটি। ব্যাক্তিগত ৩২ রানে ফিরতে

পারতেন ম্যাকডার্মট। মোস্তাফিজের বলে সহজ ক্যাচ ফেলেন শরীফুল। তাতেই জীবন পেয়ে বাড়িয়ে নিচ্ছিলেন বাংলাদেশের জন্য ‘ভয়ংকর’ হতে থাকা জুটি। সেসময় ত্রাতা হয়ে আসলেন সাকিব। দলীয় ৭১ রানে ম্যাকডার্মটকে ফিরিয়ে ব্রেক থ্রু দেন সাকিব। তার বিদায়ে ভেঙেছে ৬৩

রানের জুটি। সাকিবের পর উইকেট পেলেন শরীফুলও। তার বলে ২ রানেই শামীমের ক্যাচ হয়ে ফেরেন ময়েজেস হেনরিকস।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে মিরপুরে সিরিজ জয়ের ইতিহাস টাইগারদের

আপডেট সময় : ১১:১৮:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ অগাস্ট ২০২১

ছবি : সংগৃহীত

টানা তিন ম্যাচে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে মিরপুরে সিরিজ জয়ের ইতিহাস গড়ল টাইগাররা। ১২৭ রানের মামুলি স্কোর নিয়েও ১০ রানে জয় পেল টাইগাররা। এই জয়ে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ২ ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ নিশ্চিত করল টাইগাররা।

শুক্রবার মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করে ৯ উইকেটে ১২৭ রান তোলে স্বাগতিক বাংলাদেশ।

বৃষ্টির কারণে দেড় ঘন্টার বেশি সময় পরে শুরু হয়। শুরুতে ব্যাট করে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের ফিফটিতে অস্ট্রেলিয়াকে ১২৮ রানের চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেয় বাংলাদেশ।

চারে খেলতে নেমে বাংলাদেশ অধিনায়ক ব্যাটিং করেন ইনিংসের শেষ ওভার পর্যন্ত। মাহমুদউল্লাহ ৫২ বলে দেখা পান হাফসেঞ্চুরির। শেষ ওভারে হ্যাটট্রিক করেন অস্ট্রেলিয়ার অভিষিক্ত বোলার নাথান এলিস। টি-টোয়েন্টিতে অভিষেক কোন বোলারের প্রথম হ্যাটট্রিক এটি।

জবাবে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১১৭ রানের বেশি করতে পারেনি সফরকারী অজিরা। বাংলাদেশ জিতেছে ১০ রানে। টানা তিন ম্যাচ জিতে প্রথমবারের মতো যে কোনো ফরম্যাটের ক্রিকেটে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজ জেতে বাংলাদেশ।

১২৮ রানের টার্গেটে নেমে শুরু থেকেই ভুগছিল অজি দুই ওপেনার। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারের তৃতীয় বলে অজি অধিনায়ক ম্যাথু ওয়েডকে সাজঘরে পাঠালেন নাসুম আহমেদ। ৫ বলে মাত্র ১ রান আসে ওয়েডের ব্যাট থেকে।

ওয়েডের বিদায়ের পর অজিদের হাল ধরেন মিচেল মার্শ। প্রথম দুই ম্যাচে বাংলাদেশকে ভুগিয়েছিলেন তিনি। এই ম্যাচে বেন ম্যাকডার্মটকে সঙ্গে নিয়ে খেলতে থাকেন সাবলীল খেলা। একটা সময় বাংলাদেশের জন্য হুমকিই হয়ে দাড়াচ্ছিল এই জুটি। ব্যাক্তিগত ৩২ রানে ফিরতে

পারতেন ম্যাকডার্মট। মোস্তাফিজের বলে সহজ ক্যাচ ফেলেন শরীফুল। তাতেই জীবন পেয়ে বাড়িয়ে নিচ্ছিলেন বাংলাদেশের জন্য ‘ভয়ংকর’ হতে থাকা জুটি। সেসময় ত্রাতা হয়ে আসলেন সাকিব। দলীয় ৭১ রানে ম্যাকডার্মটকে ফিরিয়ে ব্রেক থ্রু দেন সাকিব। তার বিদায়ে ভেঙেছে ৬৩

রানের জুটি। সাকিবের পর উইকেট পেলেন শরীফুলও। তার বলে ২ রানেই শামীমের ক্যাচ হয়ে ফেরেন ময়েজেস হেনরিকস।