ঢাকা ০৫:২৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শিরীণ বেবীর কবিতা ‘নারী তুমি মানুষ হতে শেখো’ পর্যালোচনা ছাড়াই মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ অনুমোদনের দাবি তিস্তা  প্রকল্পে বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছে চীন মজুদ পর্যাপ্ত, তবু বাজারে তেলের সংকট  মুনাফাখোরদের কারসাজি বাড়ির দরজা খুলেই প্রধানমন্ত্রী বললেন, ‘চলুন, যুদ্ধে যাই’ দেশে নারী ক্ষমতায়নের ভিত্তি স্থাপন করেন জিয়াউর রহমান : রাষ্ট্রপতি ইউনূস জমানায় চুক্তিতে নিয়োগ ৪ কূটনীতিককে ঢাকায় ফেরানো হলো অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হয়েছে অন্ধকারে: টিআইবি ১০ মাসের সর্বোচ্চে মূল্যস্ফীতি, চাপে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা এক বছরে ধর্ষণ মামলা বেড়েছে ২৭ শতাংশ

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে মিরপুরে সিরিজ জয়ের ইতিহাস টাইগারদের

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১১:১৮:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ অগাস্ট ২০২১ ২৪৮ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছবি : সংগৃহীত

টানা তিন ম্যাচে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে মিরপুরে সিরিজ জয়ের ইতিহাস গড়ল টাইগাররা। ১২৭ রানের মামুলি স্কোর নিয়েও ১০ রানে জয় পেল টাইগাররা। এই জয়ে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ২ ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ নিশ্চিত করল টাইগাররা।

শুক্রবার মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করে ৯ উইকেটে ১২৭ রান তোলে স্বাগতিক বাংলাদেশ।

বৃষ্টির কারণে দেড় ঘন্টার বেশি সময় পরে শুরু হয়। শুরুতে ব্যাট করে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের ফিফটিতে অস্ট্রেলিয়াকে ১২৮ রানের চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেয় বাংলাদেশ।

চারে খেলতে নেমে বাংলাদেশ অধিনায়ক ব্যাটিং করেন ইনিংসের শেষ ওভার পর্যন্ত। মাহমুদউল্লাহ ৫২ বলে দেখা পান হাফসেঞ্চুরির। শেষ ওভারে হ্যাটট্রিক করেন অস্ট্রেলিয়ার অভিষিক্ত বোলার নাথান এলিস। টি-টোয়েন্টিতে অভিষেক কোন বোলারের প্রথম হ্যাটট্রিক এটি।

জবাবে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১১৭ রানের বেশি করতে পারেনি সফরকারী অজিরা। বাংলাদেশ জিতেছে ১০ রানে। টানা তিন ম্যাচ জিতে প্রথমবারের মতো যে কোনো ফরম্যাটের ক্রিকেটে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজ জেতে বাংলাদেশ।

১২৮ রানের টার্গেটে নেমে শুরু থেকেই ভুগছিল অজি দুই ওপেনার। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারের তৃতীয় বলে অজি অধিনায়ক ম্যাথু ওয়েডকে সাজঘরে পাঠালেন নাসুম আহমেদ। ৫ বলে মাত্র ১ রান আসে ওয়েডের ব্যাট থেকে।

ওয়েডের বিদায়ের পর অজিদের হাল ধরেন মিচেল মার্শ। প্রথম দুই ম্যাচে বাংলাদেশকে ভুগিয়েছিলেন তিনি। এই ম্যাচে বেন ম্যাকডার্মটকে সঙ্গে নিয়ে খেলতে থাকেন সাবলীল খেলা। একটা সময় বাংলাদেশের জন্য হুমকিই হয়ে দাড়াচ্ছিল এই জুটি। ব্যাক্তিগত ৩২ রানে ফিরতে

পারতেন ম্যাকডার্মট। মোস্তাফিজের বলে সহজ ক্যাচ ফেলেন শরীফুল। তাতেই জীবন পেয়ে বাড়িয়ে নিচ্ছিলেন বাংলাদেশের জন্য ‘ভয়ংকর’ হতে থাকা জুটি। সেসময় ত্রাতা হয়ে আসলেন সাকিব। দলীয় ৭১ রানে ম্যাকডার্মটকে ফিরিয়ে ব্রেক থ্রু দেন সাকিব। তার বিদায়ে ভেঙেছে ৬৩

রানের জুটি। সাকিবের পর উইকেট পেলেন শরীফুলও। তার বলে ২ রানেই শামীমের ক্যাচ হয়ে ফেরেন ময়েজেস হেনরিকস।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে মিরপুরে সিরিজ জয়ের ইতিহাস টাইগারদের

আপডেট সময় : ১১:১৮:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ অগাস্ট ২০২১

ছবি : সংগৃহীত

টানা তিন ম্যাচে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে মিরপুরে সিরিজ জয়ের ইতিহাস গড়ল টাইগাররা। ১২৭ রানের মামুলি স্কোর নিয়েও ১০ রানে জয় পেল টাইগাররা। এই জয়ে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ২ ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ নিশ্চিত করল টাইগাররা।

শুক্রবার মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করে ৯ উইকেটে ১২৭ রান তোলে স্বাগতিক বাংলাদেশ।

বৃষ্টির কারণে দেড় ঘন্টার বেশি সময় পরে শুরু হয়। শুরুতে ব্যাট করে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের ফিফটিতে অস্ট্রেলিয়াকে ১২৮ রানের চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেয় বাংলাদেশ।

চারে খেলতে নেমে বাংলাদেশ অধিনায়ক ব্যাটিং করেন ইনিংসের শেষ ওভার পর্যন্ত। মাহমুদউল্লাহ ৫২ বলে দেখা পান হাফসেঞ্চুরির। শেষ ওভারে হ্যাটট্রিক করেন অস্ট্রেলিয়ার অভিষিক্ত বোলার নাথান এলিস। টি-টোয়েন্টিতে অভিষেক কোন বোলারের প্রথম হ্যাটট্রিক এটি।

জবাবে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১১৭ রানের বেশি করতে পারেনি সফরকারী অজিরা। বাংলাদেশ জিতেছে ১০ রানে। টানা তিন ম্যাচ জিতে প্রথমবারের মতো যে কোনো ফরম্যাটের ক্রিকেটে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজ জেতে বাংলাদেশ।

১২৮ রানের টার্গেটে নেমে শুরু থেকেই ভুগছিল অজি দুই ওপেনার। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারের তৃতীয় বলে অজি অধিনায়ক ম্যাথু ওয়েডকে সাজঘরে পাঠালেন নাসুম আহমেদ। ৫ বলে মাত্র ১ রান আসে ওয়েডের ব্যাট থেকে।

ওয়েডের বিদায়ের পর অজিদের হাল ধরেন মিচেল মার্শ। প্রথম দুই ম্যাচে বাংলাদেশকে ভুগিয়েছিলেন তিনি। এই ম্যাচে বেন ম্যাকডার্মটকে সঙ্গে নিয়ে খেলতে থাকেন সাবলীল খেলা। একটা সময় বাংলাদেশের জন্য হুমকিই হয়ে দাড়াচ্ছিল এই জুটি। ব্যাক্তিগত ৩২ রানে ফিরতে

পারতেন ম্যাকডার্মট। মোস্তাফিজের বলে সহজ ক্যাচ ফেলেন শরীফুল। তাতেই জীবন পেয়ে বাড়িয়ে নিচ্ছিলেন বাংলাদেশের জন্য ‘ভয়ংকর’ হতে থাকা জুটি। সেসময় ত্রাতা হয়ে আসলেন সাকিব। দলীয় ৭১ রানে ম্যাকডার্মটকে ফিরিয়ে ব্রেক থ্রু দেন সাকিব। তার বিদায়ে ভেঙেছে ৬৩

রানের জুটি। সাকিবের পর উইকেট পেলেন শরীফুলও। তার বলে ২ রানেই শামীমের ক্যাচ হয়ে ফেরেন ময়েজেস হেনরিকস।