ঢাকা ০২:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সমঝোতা স্মারক লঙ্ঘনের পর যুক্তরাষ্ট্রের নিহত ২০০ ছাড়িয়েছে: আইআরজিসি প্রকৃতি ও পরিবেশ চাঁইয়ের ফাঁদে পাঙাশ নিধন উপকূলের নদ-নদীতে মাছশূন্য ভবিষ্যতের অশনিসংকেত এলএনজি টার্মিনাল সচলে আরও পাঁচ দিন দেশজুড়ে গ্যাস সংকট তীব্র, বাসা-বাড়ি, শিল্প ও যানবাহনে চরম ভোগান্তি পরিবেশের মারাত্মক প্রভাবে হুমকির মুখে সুন্দরবন সশস্ত্র বাহিনীকে দলীয় হাতিয়ার হতে দেওয়া হবে না বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান ভারতের ঐতিহাসিক বৌদ্ধ তীর্থস্থান সারনাথ স্বামীর নির্যাতন বরিশালে আওয়ামী লীগ নেত্রীর আত্মহত্যা রোববার বঙ্গভবন ছাড়ছেন সদ্যবিদায়ি রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ মেনে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছি: স্পিকার রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাঁর পদত্যাগপত্রে যা লিখেন

১৪ জুলাই পর্যন্ত বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত বন্ধ

ভয়েস রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ০৯:১৫:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ জুন ২০২১ ৩৪০ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

“স্থলসীমান্ত বন্ধ থাকলেও  পণ্য পরিবহন অব্যাহত থাকবে”

ভারতে করেনা পরিস্থিতি কিছুটা কমলেও বাংলাদেশ সরকার কোনও ঝুঁকি নিতে নারাজ। একারণে আগামী ১৪ জুলাই পর্যন্ত ভারতের সঙ্গে সীমান্ত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিদেশমন্ত্রক। সোমবার এ বিষয়ে বিদেশ সচিব মাসুদ বিন মোমেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বৈঠকের পরে বিদেশমন্ত্রক সচিব (পূর্ব) মাশফি বিনতে শামস বলেন, বৈঠকের সিদ্ধান্ত জানিয়ে বলেছেন, রবিবার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার এই তিন দিন সীমান্ত দিয়ে প্রবেশ করা যাবে। বর্তমানে লোক প্রবেশ অনেক কমে গিয়েছে এবং সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে কোভিড পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলা প্রশাসন অনেক বেশি ব্যস্ত।

স্থলসীমান্ত বন্দরে তিনদিন স্থানীয় প্রশাসনের লোকজন যাবে এবং প্রবেশ করা বাংলাদেশিদের কোয়ারেন্টিনসহ অন্যান্য সুবিধাদির ব্যবস্থা করবে। উল্লেখ্য গত এপ্রিল থেকে ভারতের সঙ্গে সীমান্ত বন্ধ রয়েছে। এ অবস্থায় ভারত-বাংলাদেশের স্থলসীমান্ত বন্ধের মেয়াদ বাড়লো আরও দুই সপ্তাহ।

এর আগে ৩০ জুন পর্যন্ত সীমান্ত বন্ধের ঘোষণা ছিলো। ভারতের করোনাভাইরাসের পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় গত ২১ এপ্রিল স্থলসীমান্ত বন্ধ করে দেওয়া হয়। এ সময় যাদের ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে, ভারতে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশনের অনাপত্তিপত্র নিয়ে তারা নির্ধারিত স্থলসীমান্ত দিয়ে ফেরার সুযোগ পাচ্ছেন। তবে স্থলসীমান্ত বন্ধ থাকলেও এ সময় পণ্য পরিবহন অব্যাহত রয়েছে।

মাশফি বিনতে শামস জানান, ভারত থেকে বেনাপোল, আখাউড়া, হিলি, দর্শনা, বুড়িমারী এই পাঁচ পয়েন্ট দিয়ে বাংলাদেশের নাগরিকেরা দেশে ফিরতে পারবেন।

২১ এপ্রিল থেকে এ পর্যন্ত পর্যন্ত ১০ হাজার ২৫০টি অনাপত্তিপত্র ইস্যু করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, তাদের অধিকাংশই দেশে ফিরেছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

১৪ জুলাই পর্যন্ত বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত বন্ধ

আপডেট সময় : ০৯:১৫:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ জুন ২০২১

“স্থলসীমান্ত বন্ধ থাকলেও  পণ্য পরিবহন অব্যাহত থাকবে”

ভারতে করেনা পরিস্থিতি কিছুটা কমলেও বাংলাদেশ সরকার কোনও ঝুঁকি নিতে নারাজ। একারণে আগামী ১৪ জুলাই পর্যন্ত ভারতের সঙ্গে সীমান্ত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিদেশমন্ত্রক। সোমবার এ বিষয়ে বিদেশ সচিব মাসুদ বিন মোমেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বৈঠকের পরে বিদেশমন্ত্রক সচিব (পূর্ব) মাশফি বিনতে শামস বলেন, বৈঠকের সিদ্ধান্ত জানিয়ে বলেছেন, রবিবার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার এই তিন দিন সীমান্ত দিয়ে প্রবেশ করা যাবে। বর্তমানে লোক প্রবেশ অনেক কমে গিয়েছে এবং সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে কোভিড পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলা প্রশাসন অনেক বেশি ব্যস্ত।

স্থলসীমান্ত বন্দরে তিনদিন স্থানীয় প্রশাসনের লোকজন যাবে এবং প্রবেশ করা বাংলাদেশিদের কোয়ারেন্টিনসহ অন্যান্য সুবিধাদির ব্যবস্থা করবে। উল্লেখ্য গত এপ্রিল থেকে ভারতের সঙ্গে সীমান্ত বন্ধ রয়েছে। এ অবস্থায় ভারত-বাংলাদেশের স্থলসীমান্ত বন্ধের মেয়াদ বাড়লো আরও দুই সপ্তাহ।

এর আগে ৩০ জুন পর্যন্ত সীমান্ত বন্ধের ঘোষণা ছিলো। ভারতের করোনাভাইরাসের পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় গত ২১ এপ্রিল স্থলসীমান্ত বন্ধ করে দেওয়া হয়। এ সময় যাদের ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে, ভারতে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশনের অনাপত্তিপত্র নিয়ে তারা নির্ধারিত স্থলসীমান্ত দিয়ে ফেরার সুযোগ পাচ্ছেন। তবে স্থলসীমান্ত বন্ধ থাকলেও এ সময় পণ্য পরিবহন অব্যাহত রয়েছে।

মাশফি বিনতে শামস জানান, ভারত থেকে বেনাপোল, আখাউড়া, হিলি, দর্শনা, বুড়িমারী এই পাঁচ পয়েন্ট দিয়ে বাংলাদেশের নাগরিকেরা দেশে ফিরতে পারবেন।

২১ এপ্রিল থেকে এ পর্যন্ত পর্যন্ত ১০ হাজার ২৫০টি অনাপত্তিপত্র ইস্যু করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, তাদের অধিকাংশই দেশে ফিরেছেন।