ঢাকা ১১:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয়ে  আমদানির বিদ্যুৎ গিলছে অবৈধ ব্যাটারি অটোরিকশা জর্ডানে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলা, ক্ষতিগ্রস্ত একাধিক যুদ্ধবিমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারে ঢাকা-নয়াদিল্লির নতুন প্রত্যাশা খুব দ্রুত বিশ্ববাজারে কমবে জ্বালানি তেলের দাম: ট্রাম্প ইসরায়েলে বহুমুখী হামলার প্রস্তুতি, মিত্রদের একজোট করছে ইরান এলএনজি সংরক্ষণ ও গ্যাসে রূপান্তরে বিনিয়োগে আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র নিউ মেক্সিকো’র নাম পরিবর্তন করে নিউ আমেরিকা রাখার প্রস্তাব ট্রাম্পের রোহিঙ্গা সংকট বাংলাদেশের অন্যতম বড় সংকট : প্রধানমন্ত্রী সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অবৈধ ব্যাটারিচালিত অটো নিয়ন্ত্রণে কঠোর পদক্ষেপ গঙ্গার পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিতের আহ্বান জনপ্রশাসন উপদেষ্টার

১৪ জুলাই পর্যন্ত বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত বন্ধ

ভয়েস রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ০৯:১৫:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ জুন ২০২১ ৩৫০ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

“স্থলসীমান্ত বন্ধ থাকলেও  পণ্য পরিবহন অব্যাহত থাকবে”

ভারতে করেনা পরিস্থিতি কিছুটা কমলেও বাংলাদেশ সরকার কোনও ঝুঁকি নিতে নারাজ। একারণে আগামী ১৪ জুলাই পর্যন্ত ভারতের সঙ্গে সীমান্ত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিদেশমন্ত্রক। সোমবার এ বিষয়ে বিদেশ সচিব মাসুদ বিন মোমেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বৈঠকের পরে বিদেশমন্ত্রক সচিব (পূর্ব) মাশফি বিনতে শামস বলেন, বৈঠকের সিদ্ধান্ত জানিয়ে বলেছেন, রবিবার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার এই তিন দিন সীমান্ত দিয়ে প্রবেশ করা যাবে। বর্তমানে লোক প্রবেশ অনেক কমে গিয়েছে এবং সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে কোভিড পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলা প্রশাসন অনেক বেশি ব্যস্ত।

স্থলসীমান্ত বন্দরে তিনদিন স্থানীয় প্রশাসনের লোকজন যাবে এবং প্রবেশ করা বাংলাদেশিদের কোয়ারেন্টিনসহ অন্যান্য সুবিধাদির ব্যবস্থা করবে। উল্লেখ্য গত এপ্রিল থেকে ভারতের সঙ্গে সীমান্ত বন্ধ রয়েছে। এ অবস্থায় ভারত-বাংলাদেশের স্থলসীমান্ত বন্ধের মেয়াদ বাড়লো আরও দুই সপ্তাহ।

এর আগে ৩০ জুন পর্যন্ত সীমান্ত বন্ধের ঘোষণা ছিলো। ভারতের করোনাভাইরাসের পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় গত ২১ এপ্রিল স্থলসীমান্ত বন্ধ করে দেওয়া হয়। এ সময় যাদের ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে, ভারতে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশনের অনাপত্তিপত্র নিয়ে তারা নির্ধারিত স্থলসীমান্ত দিয়ে ফেরার সুযোগ পাচ্ছেন। তবে স্থলসীমান্ত বন্ধ থাকলেও এ সময় পণ্য পরিবহন অব্যাহত রয়েছে।

মাশফি বিনতে শামস জানান, ভারত থেকে বেনাপোল, আখাউড়া, হিলি, দর্শনা, বুড়িমারী এই পাঁচ পয়েন্ট দিয়ে বাংলাদেশের নাগরিকেরা দেশে ফিরতে পারবেন।

২১ এপ্রিল থেকে এ পর্যন্ত পর্যন্ত ১০ হাজার ২৫০টি অনাপত্তিপত্র ইস্যু করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, তাদের অধিকাংশই দেশে ফিরেছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

১৪ জুলাই পর্যন্ত বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত বন্ধ

আপডেট সময় : ০৯:১৫:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ জুন ২০২১

“স্থলসীমান্ত বন্ধ থাকলেও  পণ্য পরিবহন অব্যাহত থাকবে”

ভারতে করেনা পরিস্থিতি কিছুটা কমলেও বাংলাদেশ সরকার কোনও ঝুঁকি নিতে নারাজ। একারণে আগামী ১৪ জুলাই পর্যন্ত ভারতের সঙ্গে সীমান্ত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিদেশমন্ত্রক। সোমবার এ বিষয়ে বিদেশ সচিব মাসুদ বিন মোমেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বৈঠকের পরে বিদেশমন্ত্রক সচিব (পূর্ব) মাশফি বিনতে শামস বলেন, বৈঠকের সিদ্ধান্ত জানিয়ে বলেছেন, রবিবার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার এই তিন দিন সীমান্ত দিয়ে প্রবেশ করা যাবে। বর্তমানে লোক প্রবেশ অনেক কমে গিয়েছে এবং সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে কোভিড পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলা প্রশাসন অনেক বেশি ব্যস্ত।

স্থলসীমান্ত বন্দরে তিনদিন স্থানীয় প্রশাসনের লোকজন যাবে এবং প্রবেশ করা বাংলাদেশিদের কোয়ারেন্টিনসহ অন্যান্য সুবিধাদির ব্যবস্থা করবে। উল্লেখ্য গত এপ্রিল থেকে ভারতের সঙ্গে সীমান্ত বন্ধ রয়েছে। এ অবস্থায় ভারত-বাংলাদেশের স্থলসীমান্ত বন্ধের মেয়াদ বাড়লো আরও দুই সপ্তাহ।

এর আগে ৩০ জুন পর্যন্ত সীমান্ত বন্ধের ঘোষণা ছিলো। ভারতের করোনাভাইরাসের পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় গত ২১ এপ্রিল স্থলসীমান্ত বন্ধ করে দেওয়া হয়। এ সময় যাদের ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে, ভারতে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশনের অনাপত্তিপত্র নিয়ে তারা নির্ধারিত স্থলসীমান্ত দিয়ে ফেরার সুযোগ পাচ্ছেন। তবে স্থলসীমান্ত বন্ধ থাকলেও এ সময় পণ্য পরিবহন অব্যাহত রয়েছে।

মাশফি বিনতে শামস জানান, ভারত থেকে বেনাপোল, আখাউড়া, হিলি, দর্শনা, বুড়িমারী এই পাঁচ পয়েন্ট দিয়ে বাংলাদেশের নাগরিকেরা দেশে ফিরতে পারবেন।

২১ এপ্রিল থেকে এ পর্যন্ত পর্যন্ত ১০ হাজার ২৫০টি অনাপত্তিপত্র ইস্যু করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, তাদের অধিকাংশই দেশে ফিরেছেন।