ঢাকা ০৬:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গাইডের নির্দেশনা অমান্য বান্দরবানে মোটরসাইকেল খাদে পড়ে প্রাণ হারালেন দুই পর্যটক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর এস কে সুরের ৩ বছরের কারাদণ্ড জ্বালানি তেলের দামে বড় পতন স্বস্তির আভাস তবুও কাটেনি শঙ্কা সমঝোতা স্মারক লঙ্ঘনের পর যুক্তরাষ্ট্রের নিহত ২০০ ছাড়িয়েছে: আইআরজিসি প্রকৃতি ও পরিবেশ চাঁইয়ের ফাঁদে পাঙাশ নিধন উপকূলের নদ-নদীতে মাছশূন্য ভবিষ্যতের অশনিসংকেত এলএনজি টার্মিনাল সচলে আরও পাঁচ দিন দেশজুড়ে গ্যাস সংকট তীব্র, বাসা-বাড়ি, শিল্প ও যানবাহনে চরম ভোগান্তি পরিবেশের মারাত্মক প্রভাবে হুমকির মুখে সুন্দরবন সশস্ত্র বাহিনীকে দলীয় হাতিয়ার হতে দেওয়া হবে না বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান ভারতের ঐতিহাসিক বৌদ্ধ তীর্থস্থান সারনাথ স্বামীর নির্যাতন বরিশালে আওয়ামী লীগ নেত্রীর আত্মহত্যা

হাদি হত্যাকান্ডে জড়িতদের মুখোশ উন্মোচন জানুয়ারিতেই : নৌ উপদেষ্টা  

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৯:০৯:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ জানুয়ারী ২০২৬ ১৬৭ বার পড়া হয়েছে

হাদি হত্যাকান্ডে জড়িতদের মুখোশ উন্মোচন জানুয়ারিতেই : নৌ উপদেষ্টা  

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

হাদির হত্যায় দেশি-বিদেশি এজেন্ট জড়িত,  বোন মাসুমা

নৌ পরিবহন উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, শহীদ ওসমান হাদির হত্যাকারীরা বর্তমানে দেশের বাইরে অবস্থান করছে। তাদের দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করতে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে। এই জানুয়ারি মাসের মধ্যেই জড়িতদের মুখোশ উন্মোচন হবে।

শুক্রবার (২ জানুয়ারি) বিকেলে ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ লঞ্চঘাটে শহীদ শরীফ ওসমান হাদির নামে নামফলক উন্মোচন করে এসব কথা বলেন। নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হিসেবে তিনি নিজ হাতে নামফলক উন্মোচনের মাধ্যমে লঞ্চঘাটের নামকরণ উদ্বোধন করেন।

এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ওসমান হাদি ছিলেন একজন বিপ্লবী। আর বিপ্লবীদের কখনো মৃত্যু হয় না। শহীদ ওসমান হাদির স্মরণে তার নিজ উপজেলার এই গুরুত্বপূর্ণ লঞ্চঘাটের নামকরণ করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, সরকার এ হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে অত্যন্ত সিরিয়াস। পার্শ্ববর্তী দেশে যারা পালিয়ে গেছে, তাদের গ্রেফতারে প্রয়োজনীয় সব ধরনের কূটনৈতিক ও প্রশাসনিক প্রচেষ্টা চলছে।

অনুষ্ঠানে শহীদ হাদীর বোন মাসুমা আক্তার বলেন, ওসমান হাদি ইনসাফ কায়েম করতে জীবন দিয়েছেন। তাকে বাঁচিয়ে রাখতে হলে তার আদর্শ বাস্তবায়ন করতে হবে। আমরা কোনো প্রাপ্তি চাই না, ইনসাফ চাই। ভাই হত্যার বিচার চাই। সরকার যদি ভাই হত্যার বিচার করতে না পারে, তবে তাদের ক্ষমতায় থাকার কোনো অধিকার নেই।

তিনি  বলেন, ওসমান হাদির মাথায় গুলি করে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বকে হুমকির মুখে ফেলা হয়েছে। ওসমান বেঁচে থাকলে দেশে চাঁদাবাজি হতো না। তিনি শুধু দেশের নয়, বিশ্বের মজলুমদের ওসমান হয়ে উঠেছিলেন। মধ্যবর্তী সরকার তাকে নানা প্রলোভন দেখিয়েছিল, কিন্তু তিনি ইনসাফের রাষ্ট্র কায়েম করতে চেয়েছিলেন।

মাসুমা আক্তার অভিযোগ করে বলেন, ভারতের আগ্রাসনবিরোধী অবস্থান নেওয়ার কারণেই আমার ভাইকে হত্যা করা হয়েছে। ভারত, আওয়ামী লীগ, বাম সংগঠনসহ দেশীয় ও বিদেশি বহু রাজনৈতিক এজেন্ট এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত।

এই সরকার বিপ্লবী সরকার হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু কেন তারা হাসিনার দোসর চুপ্পুর হাতে শপথ নিয়েছে? আওয়ামী দোসররা এখনো সর্বত্র বিরাজ করছে।

এসময় তিনি বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে নিয়ে সমালোচনা করে বলেন, মির্জা ফখরুল ওসমানের নামই জানেন না। যদি বয়সের ভারে তিনি নাম ভুলে যান, তাহলে তিনি কীভাবে এমপি নির্বাচন করবেন? আর যদি ইচ্ছাকৃতভাবে এমন করেন, তবে বাংলাদেশের জনগণ তাকে নামিয়ে দেবে।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ঝালকাঠির জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মমিনউদ্দিন, পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান, শহীদ ওসমান হাদির ভগ্নিপতি আমির হোসেনসহ সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

হাদি হত্যাকান্ডে জড়িতদের মুখোশ উন্মোচন জানুয়ারিতেই : নৌ উপদেষ্টা  

আপডেট সময় : ০৯:০৯:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ জানুয়ারী ২০২৬

হাদির হত্যায় দেশি-বিদেশি এজেন্ট জড়িত,  বোন মাসুমা

নৌ পরিবহন উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, শহীদ ওসমান হাদির হত্যাকারীরা বর্তমানে দেশের বাইরে অবস্থান করছে। তাদের দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করতে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে। এই জানুয়ারি মাসের মধ্যেই জড়িতদের মুখোশ উন্মোচন হবে।

শুক্রবার (২ জানুয়ারি) বিকেলে ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ লঞ্চঘাটে শহীদ শরীফ ওসমান হাদির নামে নামফলক উন্মোচন করে এসব কথা বলেন। নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হিসেবে তিনি নিজ হাতে নামফলক উন্মোচনের মাধ্যমে লঞ্চঘাটের নামকরণ উদ্বোধন করেন।

এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ওসমান হাদি ছিলেন একজন বিপ্লবী। আর বিপ্লবীদের কখনো মৃত্যু হয় না। শহীদ ওসমান হাদির স্মরণে তার নিজ উপজেলার এই গুরুত্বপূর্ণ লঞ্চঘাটের নামকরণ করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, সরকার এ হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে অত্যন্ত সিরিয়াস। পার্শ্ববর্তী দেশে যারা পালিয়ে গেছে, তাদের গ্রেফতারে প্রয়োজনীয় সব ধরনের কূটনৈতিক ও প্রশাসনিক প্রচেষ্টা চলছে।

অনুষ্ঠানে শহীদ হাদীর বোন মাসুমা আক্তার বলেন, ওসমান হাদি ইনসাফ কায়েম করতে জীবন দিয়েছেন। তাকে বাঁচিয়ে রাখতে হলে তার আদর্শ বাস্তবায়ন করতে হবে। আমরা কোনো প্রাপ্তি চাই না, ইনসাফ চাই। ভাই হত্যার বিচার চাই। সরকার যদি ভাই হত্যার বিচার করতে না পারে, তবে তাদের ক্ষমতায় থাকার কোনো অধিকার নেই।

তিনি  বলেন, ওসমান হাদির মাথায় গুলি করে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বকে হুমকির মুখে ফেলা হয়েছে। ওসমান বেঁচে থাকলে দেশে চাঁদাবাজি হতো না। তিনি শুধু দেশের নয়, বিশ্বের মজলুমদের ওসমান হয়ে উঠেছিলেন। মধ্যবর্তী সরকার তাকে নানা প্রলোভন দেখিয়েছিল, কিন্তু তিনি ইনসাফের রাষ্ট্র কায়েম করতে চেয়েছিলেন।

মাসুমা আক্তার অভিযোগ করে বলেন, ভারতের আগ্রাসনবিরোধী অবস্থান নেওয়ার কারণেই আমার ভাইকে হত্যা করা হয়েছে। ভারত, আওয়ামী লীগ, বাম সংগঠনসহ দেশীয় ও বিদেশি বহু রাজনৈতিক এজেন্ট এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত।

এই সরকার বিপ্লবী সরকার হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু কেন তারা হাসিনার দোসর চুপ্পুর হাতে শপথ নিয়েছে? আওয়ামী দোসররা এখনো সর্বত্র বিরাজ করছে।

এসময় তিনি বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে নিয়ে সমালোচনা করে বলেন, মির্জা ফখরুল ওসমানের নামই জানেন না। যদি বয়সের ভারে তিনি নাম ভুলে যান, তাহলে তিনি কীভাবে এমপি নির্বাচন করবেন? আর যদি ইচ্ছাকৃতভাবে এমন করেন, তবে বাংলাদেশের জনগণ তাকে নামিয়ে দেবে।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ঝালকাঠির জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মমিনউদ্দিন, পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান, শহীদ ওসমান হাদির ভগ্নিপতি আমির হোসেনসহ সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।