ঢাকা ০৭:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
তারল্য  সকট মোকাবিলায় ২,৫০০ কোটি টাকার ঋণ দিল বাংলাদেশ ব্যাংক  অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার রোধে সম্মিলিত উদ্যোগ জরুরি: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী  দুবাইয়ে গ্রেপ্তার সাবেক আইজিপি বেনজীর প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া শুরু অভিনেত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু হত্যার অভিযোগে স্বামী কারাগারে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তিচুক্তি, ঘোষণা পাকিস্তানের সমর্থক ভাইয়ারা না থাকলে ঘটনা অন্য রকম হয়ে যেতো: নাঈম হাসান আদ্-দ্বীনের কোটি টাকার চাপ উপেক্ষা করে লাইসেন্স বাতিল: স্বাস্থ্যমন্ত্রী গুণীজনদের জীবদ্দশায় সম্মান জানালে সমাজসেবায় উৎসাহ বাড়বে: কৃষিমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর কক্সবাজার সফর শনিবার, উন্নয়ন প্রত্যাশায় মুখিয়ে স্থানীয়রা যৌথ টহল ও গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়ে সম্মত বিজিবি-বিএসএফ, নভেম্বরে ঢাকায় পরবর্তী বৈঠক

সেপ্টেম্বরে ফের ভাসানচরে রোহিঙ্গা স্থানান্তর

ভয়েস রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ০৯:১৫:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ জুন ২০২১ ২৩৮ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ফের রোহিঙ্গাদের স্থানান্তর শুরু হবে ভাসানচরে। সময়টা সেপ্টেম্বরের শেষ নাগাদ। বৃহস্পতিবার রোহিঙ্গাদের স্থানান্তর বিষয়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রকে। সেখানেই স্থানান্তর বিষয়ে তথ্য দিলেন মন্ত্রকের সচিব মো. মোহসীন।

এর আগে বৈঠক সেরে নেন ইউএনএইচসিআরের প্রতিনিধি জনস ভ্যান ডার কালাউ, আইএমের মিশন প্রধান গিওর্গি গিগাউরি, ডাব্লিউএফপি কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ মি. রিচার্ড রেগানদের সঙ্গে।

বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন সচিব মো. মহসিন। জানালেন কক্সবাজারে থাকা রোহিঙ্গাদের জায়গার সঙ্কটের কথা। ভাসানচরে একটি জায়গা নির্ধারণ করা হয়েছে। বাংলাদেশের লক্ষ্য হচ্ছে, তাদের দেশে মান মানসম্মতভাবে ফেরত পাঠানো। সেই লক্ষ্যে সামনে রেখে কাজ করছে ইউএন। যেহেতু এটি দীর্ঘ প্রসেস, তাই আপাতত এই ব্যবস্থা।

রোহিঙ্গারা বর্তমানে পাহাড়ি এলাকায় বসবাস করছে। কিছুদিন আগেও প্রচুর বৃষ্টি হওয়ায় অনেক জায়গায় দেয়াল ধসে গেছে। গত ৬ তারিখ মুখ্য সচিবসহ বৈঠক হয়েছে। ১০ জন অ্যাম্বাসেডর উপস্থিত ছিলেন। সেখানে রিপোর্টিং হয়েছে ভাসানচরে এই মূহুর্তে ১৮ হাজার ৮৯০ জন রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী রয়েছে।

এক লাখ রোহিঙ্গাকে ভাসানচরে নেয়ার টার্গেট রয়েছে সরকারের। এবিষয়ে মো. মোহসীন বলেন, কীভাবে এটি বাস্তবায়ন করা যাবে সেজন্যই কমিটি গঠন করা হয়েছে। তাদের প্রথম বৈঠক হলো এদিন। সেখানে আমরা একটি টাইমলাইন নির্ধারণ করেছি। ১৭ জুনের মধ্যে একটি পলিসি ডকুমেন্টের ড্রাফট তাদের পক্ষ থেকে দেবেন।

এর মধ্যেও আমরা ফরমালি আলাপ-আলোচনা করব। আরও একাধিক বৈঠকের প্রয়োজন হবে। সেগুলো শেষ করে আশা করছি সেপ্টেম্বরের শেষের দিক থেকে আমরা ফের রোহিঙ্গাদের স্থানান্তরে হাত লাগাতে পারবো।

ভাসানচরে নানা সুযোগ-সুবিধা রয়েছে। ভাসানচরে ব্যারাক হয়ে গিয়েছে। সেখানে ১২০টি সেল্টার রয়েছে। খাদ্য রাখার জন্য গুদামও তৈরি হয়েছে। যাতায়াতের জন্য চেয়ারম্যান ঘাটে ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

স্বাস্থ্যের বিষয়টি নিয়েও আলোচনা চলছে। এছাড়া সেখানে ২০০-এর বেশি পুলিশ-এপিবিএন মোতায়েন রয়েছেন। পরবর্তীতে আনসার ব্যাটেলিয়ন নেয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সেপ্টেম্বরে ফের ভাসানচরে রোহিঙ্গা স্থানান্তর

আপডেট সময় : ০৯:১৫:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ জুন ২০২১

ফের রোহিঙ্গাদের স্থানান্তর শুরু হবে ভাসানচরে। সময়টা সেপ্টেম্বরের শেষ নাগাদ। বৃহস্পতিবার রোহিঙ্গাদের স্থানান্তর বিষয়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রকে। সেখানেই স্থানান্তর বিষয়ে তথ্য দিলেন মন্ত্রকের সচিব মো. মোহসীন।

এর আগে বৈঠক সেরে নেন ইউএনএইচসিআরের প্রতিনিধি জনস ভ্যান ডার কালাউ, আইএমের মিশন প্রধান গিওর্গি গিগাউরি, ডাব্লিউএফপি কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ মি. রিচার্ড রেগানদের সঙ্গে।

বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন সচিব মো. মহসিন। জানালেন কক্সবাজারে থাকা রোহিঙ্গাদের জায়গার সঙ্কটের কথা। ভাসানচরে একটি জায়গা নির্ধারণ করা হয়েছে। বাংলাদেশের লক্ষ্য হচ্ছে, তাদের দেশে মান মানসম্মতভাবে ফেরত পাঠানো। সেই লক্ষ্যে সামনে রেখে কাজ করছে ইউএন। যেহেতু এটি দীর্ঘ প্রসেস, তাই আপাতত এই ব্যবস্থা।

রোহিঙ্গারা বর্তমানে পাহাড়ি এলাকায় বসবাস করছে। কিছুদিন আগেও প্রচুর বৃষ্টি হওয়ায় অনেক জায়গায় দেয়াল ধসে গেছে। গত ৬ তারিখ মুখ্য সচিবসহ বৈঠক হয়েছে। ১০ জন অ্যাম্বাসেডর উপস্থিত ছিলেন। সেখানে রিপোর্টিং হয়েছে ভাসানচরে এই মূহুর্তে ১৮ হাজার ৮৯০ জন রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী রয়েছে।

এক লাখ রোহিঙ্গাকে ভাসানচরে নেয়ার টার্গেট রয়েছে সরকারের। এবিষয়ে মো. মোহসীন বলেন, কীভাবে এটি বাস্তবায়ন করা যাবে সেজন্যই কমিটি গঠন করা হয়েছে। তাদের প্রথম বৈঠক হলো এদিন। সেখানে আমরা একটি টাইমলাইন নির্ধারণ করেছি। ১৭ জুনের মধ্যে একটি পলিসি ডকুমেন্টের ড্রাফট তাদের পক্ষ থেকে দেবেন।

এর মধ্যেও আমরা ফরমালি আলাপ-আলোচনা করব। আরও একাধিক বৈঠকের প্রয়োজন হবে। সেগুলো শেষ করে আশা করছি সেপ্টেম্বরের শেষের দিক থেকে আমরা ফের রোহিঙ্গাদের স্থানান্তরে হাত লাগাতে পারবো।

ভাসানচরে নানা সুযোগ-সুবিধা রয়েছে। ভাসানচরে ব্যারাক হয়ে গিয়েছে। সেখানে ১২০টি সেল্টার রয়েছে। খাদ্য রাখার জন্য গুদামও তৈরি হয়েছে। যাতায়াতের জন্য চেয়ারম্যান ঘাটে ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

স্বাস্থ্যের বিষয়টি নিয়েও আলোচনা চলছে। এছাড়া সেখানে ২০০-এর বেশি পুলিশ-এপিবিএন মোতায়েন রয়েছেন। পরবর্তীতে আনসার ব্যাটেলিয়ন নেয়া হবে।