ঢাকা ০৯:২৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সমঝোতা না হলে ইরানে আবারও হামলার হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের দেশ গঠনে নাগরিক দায়িত্ব আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ঈদের টানা সাতদিনের ছুটি শেষে সোমবার খুলছে অফিস-আদালত ঢাকায় পশু কোরবানি ৭লাখ: সাভার ট্যানারী পল্লীতে চামড়া  ঢুকেছে সোয়া ৫ লাখ প্রথম ফিরতি ফ্লাইটে  ৪১৯ জন হজযাত্রী ঢাকায় পৌঁছেছেন চামড়া: অর্থনীতিতে আয়ের উৎস, সেই মূল্যবান সম্পদের এমন অর্থহীন পরিণতি! সড়ক নয়, যেন মৃত্যুর উপত্যকা! লোবানের গন্ধে ফিকে ঈদের আনন্দ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে  উল্লেখযোগ্য পতন, কেন? ঈদুল আজহায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও জনগণকে নরেন্দ্র মোদীর শুভেচ্ছা দেশজুড়ে উৎসবের আমেজে উদযাপিত পবিত্র ঈদুল আজহা

রোহিঙ্গা শিবিরে আগুনে পুড়ে মৃত ১১

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৩০:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ মার্চ ২০২১ ৩০১ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক, ঢাকা

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার বালুখালীর রোহিঙ্গা শিবিরে ভয়াবহ আগুনে দশ হাজারেরও বেশি ঘর ভস্মিভুত হয়েছে। অগ্নিকাণ্ডে ৪০ হাজার রোহিঙ্গা সদস্য গৃহহারা হয়েছে। নারী, শিশুসহ ১১জন অগ্নিদগ্ধ হয়ে মারা গেছে। কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা শাহাদাত হোসেন সংবাদমাধ্যকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা তদন্তে দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে কক্সবাজার শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারকে প্রধান করে ৭ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শন শেষে এ কথা জানিয়েছেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আনোয়ার হোসেন।

উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আহমদ নিজাম উদ্দিন বলেন, আগুনে অন্তত ১০ থেকে ১৫ হাজার রোহিঙ্গা পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। তারা এখন অনেকটা গৃহহীন। একইভাবে দুই শতাধিক স্থানীয় পরিবারের বসতবাড়ি পুড়ে গেছে।

কক্সবাজার শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কার্যালয়ের অতিরিক্ত কমিশনার শামছুদ্দৌজা নয়ন জানান, সোমবার মার্চ বিকাল ৪টা নাগাদ উখিয়ার বালুখালী ৮ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অগ্নিকাণ্ডেরর সূত্রপাত ঘটে। মুহূর্তের মধ্যে আশপাশের ঘরগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে আগুনের লেলিহান শিখা। একে একে ৮, ১০ ও ১১ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে কক্সবাজার, উখিয়া, রামু ও টেকনাফ থেকে ফায়ার সার্ভিসের সাতটি ইউনিট এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালায়। এসময় ফায়ার সার্ভিসের সঙ্গে উদ্ধারকাজে সেনাবাহিনী, পুলিশ, এপিবিএন ও রেড ক্রিসেন্টের টিম এবং স্থানীয়রা যোগ দেন। পরে রাত ১১টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

আগুনে রোহিঙ্গাদের ১০ হাজারেরও বেশি ঘর পুড়ে যাবার কথা বলা হলেও এই সংখ্যা আরও বেশি। আগুনে পুড়ে গেছে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন এনজিও অফিস ও পুলিশ ব্যারাক। অগ্নিকাণ্ডে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের লাগোয়া বাংলাদেশি বাসিন্দাদের দুই শতাধিক ঘরবাড়ি পুড়ে যাবার কথা জানিয়েছেন স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গফুর উদ্দিন চৌধুরী।

কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা শাহাদাত হোসেন সকালে জানান, ভয়াবহ এই অগ্নিকাণ্ডে এ পর্যন্ত দুই শিশুসহ সাত জন রোহিঙ্গা অগ্নিদগ্ধ হয়ে মারা গেছেন বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। মৃতদেহগুলো একদম পুড়ে যাওয়ায় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি বলে জানান তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

রোহিঙ্গা শিবিরে আগুনে পুড়ে মৃত ১১

আপডেট সময় : ০৭:৩০:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ মার্চ ২০২১

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক, ঢাকা

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার বালুখালীর রোহিঙ্গা শিবিরে ভয়াবহ আগুনে দশ হাজারেরও বেশি ঘর ভস্মিভুত হয়েছে। অগ্নিকাণ্ডে ৪০ হাজার রোহিঙ্গা সদস্য গৃহহারা হয়েছে। নারী, শিশুসহ ১১জন অগ্নিদগ্ধ হয়ে মারা গেছে। কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা শাহাদাত হোসেন সংবাদমাধ্যকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা তদন্তে দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে কক্সবাজার শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারকে প্রধান করে ৭ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শন শেষে এ কথা জানিয়েছেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আনোয়ার হোসেন।

উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আহমদ নিজাম উদ্দিন বলেন, আগুনে অন্তত ১০ থেকে ১৫ হাজার রোহিঙ্গা পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। তারা এখন অনেকটা গৃহহীন। একইভাবে দুই শতাধিক স্থানীয় পরিবারের বসতবাড়ি পুড়ে গেছে।

কক্সবাজার শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কার্যালয়ের অতিরিক্ত কমিশনার শামছুদ্দৌজা নয়ন জানান, সোমবার মার্চ বিকাল ৪টা নাগাদ উখিয়ার বালুখালী ৮ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অগ্নিকাণ্ডেরর সূত্রপাত ঘটে। মুহূর্তের মধ্যে আশপাশের ঘরগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে আগুনের লেলিহান শিখা। একে একে ৮, ১০ ও ১১ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে কক্সবাজার, উখিয়া, রামু ও টেকনাফ থেকে ফায়ার সার্ভিসের সাতটি ইউনিট এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালায়। এসময় ফায়ার সার্ভিসের সঙ্গে উদ্ধারকাজে সেনাবাহিনী, পুলিশ, এপিবিএন ও রেড ক্রিসেন্টের টিম এবং স্থানীয়রা যোগ দেন। পরে রাত ১১টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

আগুনে রোহিঙ্গাদের ১০ হাজারেরও বেশি ঘর পুড়ে যাবার কথা বলা হলেও এই সংখ্যা আরও বেশি। আগুনে পুড়ে গেছে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন এনজিও অফিস ও পুলিশ ব্যারাক। অগ্নিকাণ্ডে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের লাগোয়া বাংলাদেশি বাসিন্দাদের দুই শতাধিক ঘরবাড়ি পুড়ে যাবার কথা জানিয়েছেন স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গফুর উদ্দিন চৌধুরী।

কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা শাহাদাত হোসেন সকালে জানান, ভয়াবহ এই অগ্নিকাণ্ডে এ পর্যন্ত দুই শিশুসহ সাত জন রোহিঙ্গা অগ্নিদগ্ধ হয়ে মারা গেছেন বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। মৃতদেহগুলো একদম পুড়ে যাওয়ায় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি বলে জানান তিনি।