ঢাকা ১১:০৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নৃশংস ৭ বছরের শিশুর হাত চেপে ধরেন স্ত্রী আঙ্গুল কাটেন পুলিশ  কনস্টেবল জাতিসংঘ সফর শেষে সচিবালয়ে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী, শুরু দাপ্তরিক কার্যক্রম জাতিসংঘ অধিবেশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ সার্থক হয়েছে : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশের উন্নয়ন প্রচেষ্টায় চীনের সমর্থন অব্যাহত থাকবে: রাষ্ট্রদূত ১৮ দেশের বাজারকেন্দ্রিক রপ্তানি কৌশল প্রণয়ন করছে সরকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি সরকারের সমালোচনা এনসিপি আহ্বায়কের কাগজে নদীর সংখ্যা বাড়ছে নদী রক্ষাই এখন সবচেয়ে বড় সংকট সাশ্রয়ী আবাসন অর্থায়নে বাংলাদেশকে ১০ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে এডিবি শেরপুর সীমান্তে ভারতীয় সাবান-মদ জব্দ বিজিবির গরু আটক নিয়ে চাঞ্চল্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘাতের সমাধান কেবল কূটনীতিতেই: ইরান

মৃত্যুর পরও আলোচনার কেন্দ্রে তার নাম, বিপুল সম্পদ কার হাতে?

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৪:০০:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ৩৪২ বার পড়া হয়েছে

মৃত্যুর পরও আলোচনার কেন্দ্রে তার নাম, বিপুল সম্পদ কার হাতে?

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

১৯৪৫ সালের ৩০ এপ্রিল মৃত্যুবরণ করেন অ্যাডলফ হিটলার। তিনি বার্লিনের ফুয়েরারবাংকারে আত্মহত্যা করেন, যেখানে তিনি তার স্ত্রী ইভা ব্রাউন-এর সাথে ছিলেন।

অ্যাডলফ হিটলার জার্মানির একনায়ক ছিলেন এবং ১৯৩৩ সাল থেকে ১৯৪৫ সালে তার মৃত্যুর আগ পর্যন্ত নাৎসি শাসনের নেতৃত্ব দেন।

১৯৪৫ সালের ৩০ এপ্রিল, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-এর ইউরোপীয় রণাঙ্গনে জার্মানির পরাজয় নিশ্চিত হওয়ার পর, হিটলার বার্লিনের ফুয়েরারবাংকারে আত্মহত্যা করেন।

তার স্ত্রী ইভা ব্রাউনও একই দিনে বিষক্রিয়ায় আত্মহত্যা করেন।

হিটলার ও ব্রাউনের মৃতদেহ পোড়ানোর জন্য একটি বাঙ্কার থেকে বের করে দেওয়া হয় এবং পরে তাদের দেহাবশেষ পুড়িয়ে ফেলা হয়।

অ্যাডলফ হিটলারের মৃত্যুর অনেক পরে তার কোটি কোটি টাকার সম্পদ ছিল বলে তথ্য পাওয়া যায়।

ব্রিটিশ গোয়েন্দা সংস্থার হয়ে কাজ করতেন জামার্ন ইহুদি হেরম্যান
রথম্যান। ১৯৪৫ সালের সেই সকালটায় ঘুম থেকে উঠে তিনি বুঝতেও পারেননি কী তথ্য পেতে যাচ্ছেন, আর কত বিশেষ ও অনন্য হয়ে উঠতে যাচ্ছে তার মিশন।

গোয়েন্দারা তখনও জানতেন না যে, নাৎসি প্রচার বিষয়ক মন্ত্রী জোসেফ গোয়েবলসের প্রেস সেক্রেটারি হাইনজ লরেঞ্জ জাল নথি রাখার দায়ে ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষের হাতে গ্রেফতার হয়েছেন।

১৯৪৫ সালে হিটলারের মৃত্যুর বিষয়ে যৌথ গোয়েন্দা কমিটির তদন্তকারী কর্মকর্তা যে প্রতিবেদন তৈরি করেছিলেন, তাতে লেখা আছে, যখন প্রহরী লরেঞ্জের কাঁধে হাত রাখেন, তখন তিনি তার কাপড়ের নিচে কিছু কাগজপত্র আছে বলে টের পান।

তার জ্যাকেট থেকে এমন কিছু নথিপত্র পাওয়া যায়, যেগুলো লরেঞ্জের হাতে দিয়ে বার্লিন থেকে বের করে নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন অ্যাডলফ হিটলারের ব্যক্তিগত সচিব মার্টিন বোরম্যান।

২০১৪ সালে হিটলার সম্পর্কে তার বই প্রকাশের সময় দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রথম্যান বলেছিলেন যে, তাকে এবং তার চার জন সহকর্মীকে এই নথিগুলি অত্যন্ত গোপনীয়ভাবে অনুবাদ করতে বলা হয়েছিল।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :