ঢাকা ০৬:২১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬, ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রোহিঙ্গাদের জন্য ২০ লাখ ইউরো সহায়তা দিচ্ছে ফিনল্যান্ড মায়ের টানে ৭৮ তলা সমান গভীর গুহা থেকে অলৌকিক ফেরা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান: সামনে কঠিন সময়, দায়িত্বশীল না হলে দেশের ক্ষতি হবে সমঝোতা না হলে ইরানে আবারও হামলার হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের দেশ গঠনে নাগরিক দায়িত্ব আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ঈদের টানা সাতদিনের ছুটি শেষে সোমবার খুলছে অফিস-আদালত ঢাকায় পশু কোরবানি ৭লাখ: সাভার ট্যানারী পল্লীতে চামড়া  ঢুকেছে সোয়া ৫ লাখ প্রথম ফিরতি ফ্লাইটে  ৪১৯ জন হজযাত্রী ঢাকায় পৌঁছেছেন চামড়া: অর্থনীতিতে আয়ের উৎস, সেই মূল্যবান সম্পদের এমন অর্থহীন পরিণতি! সড়ক নয়, যেন মৃত্যুর উপত্যকা! লোবানের গন্ধে ফিকে ঈদের আনন্দ

বড়দিন ও থার্টি ফার্স্ট নাইট সীমিত পরিসরে পালনের নির্দেশ

ভয়েস রিপোর্ট, ঢাকা
  • আপডেট সময় : ০৮:২৪:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২১ ৩৬৮ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছবি ইন্টারনেট

বড়দিন ও থার্টি ফার্স্ট নাইট সীমিত পরিসরে পালনের নির্দেশনা দিয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। সারাদেশের সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে এসংক্রান্ত একটি চিটিও দেওয়া হয়েছে। করোনার নতুন ধরন ওমিক্রন ও সামগ্রিক করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় ইতোমধ্যে পুলিশের মহাপরিদর্শক, বিভাগীয় কমিশনার, মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার, রেঞ্জ ডিআইজি, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, বাংলাদেশ খ্রিস্টান অ্যাসোসিয়েশনের কাছে এ চিঠি পাঠানো হয়েছে।

বড়দিন বা ক্রিসমাস বাৎসরিক খ্রিস্টীয় উৎসব। ২৫ ডিসেম্বর যিশু খ্রিস্টের জন্মদিন উপলক্ষে এই উৎসব পালন করা হয়ে থাকে। অপর দিকে ৩১ ডিসেম্বর পুরাতন বছরকে বিদায় এবং নতুন বছরকে স্বাগত জানানোর রীতি অনুযায়ী বিশ্বব্যাপী উদযাপিত হয়ে থাকে থার্টিফার্স্ট নাইট। দু’টো অনুষ্ঠান উপলক্ষে প্রকাশ্যে কোনো সভা-সমাবেশ এবং ধর্মীয়, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন না করে সীমিত পরিসরে উদযাপন করাটাই যৌক্তিক বলে মনে করছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রতি বছর খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় অনুষ্ঠান শুভ বড়দিন ২৫ ডিসেম্বর ও ইংরেজি নববর্ষের প্রথম প্রহরে থার্টি ফার্স্ট নাইট উপলক্ষে বিভিন্ন স্থানে আনন্দ উৎসবের আয়োজন করা হয়। সাম্প্রতিক সময়ে করোনার কারণে বিশ্বব্যাপী সব ধরনের অনুষ্ঠান, জনসমাবেশ সীমিত আকারে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঘরোয়াভাবে উদযাপন করা হচ্ছে।  বাংলাদেশেও মুসলিম, হিন্দু ও বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা ধর্মীয় অনুষ্ঠান সীমিত আকারে উদযাপন করে আসছে।

বড়দিন ও থার্টি ফার্স্ট নাইট উপলক্ষে প্রকাশ্যে কোনো সভা-সমাবেশ কিংবা ধর্মীয়, সামাজিক বা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন না করে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত পরিসরে আয়োজন করা যৌক্তিক হবে। এ সময় জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিতে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর নজরদারি অব্যাহত থাকবে বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বড়দিন ও থার্টি ফার্স্ট নাইট সীমিত পরিসরে পালনের নির্দেশ

আপডেট সময় : ০৮:২৪:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২১

ছবি ইন্টারনেট

বড়দিন ও থার্টি ফার্স্ট নাইট সীমিত পরিসরে পালনের নির্দেশনা দিয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। সারাদেশের সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে এসংক্রান্ত একটি চিটিও দেওয়া হয়েছে। করোনার নতুন ধরন ওমিক্রন ও সামগ্রিক করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় ইতোমধ্যে পুলিশের মহাপরিদর্শক, বিভাগীয় কমিশনার, মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার, রেঞ্জ ডিআইজি, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, বাংলাদেশ খ্রিস্টান অ্যাসোসিয়েশনের কাছে এ চিঠি পাঠানো হয়েছে।

বড়দিন বা ক্রিসমাস বাৎসরিক খ্রিস্টীয় উৎসব। ২৫ ডিসেম্বর যিশু খ্রিস্টের জন্মদিন উপলক্ষে এই উৎসব পালন করা হয়ে থাকে। অপর দিকে ৩১ ডিসেম্বর পুরাতন বছরকে বিদায় এবং নতুন বছরকে স্বাগত জানানোর রীতি অনুযায়ী বিশ্বব্যাপী উদযাপিত হয়ে থাকে থার্টিফার্স্ট নাইট। দু’টো অনুষ্ঠান উপলক্ষে প্রকাশ্যে কোনো সভা-সমাবেশ এবং ধর্মীয়, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন না করে সীমিত পরিসরে উদযাপন করাটাই যৌক্তিক বলে মনে করছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রতি বছর খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় অনুষ্ঠান শুভ বড়দিন ২৫ ডিসেম্বর ও ইংরেজি নববর্ষের প্রথম প্রহরে থার্টি ফার্স্ট নাইট উপলক্ষে বিভিন্ন স্থানে আনন্দ উৎসবের আয়োজন করা হয়। সাম্প্রতিক সময়ে করোনার কারণে বিশ্বব্যাপী সব ধরনের অনুষ্ঠান, জনসমাবেশ সীমিত আকারে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঘরোয়াভাবে উদযাপন করা হচ্ছে।  বাংলাদেশেও মুসলিম, হিন্দু ও বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা ধর্মীয় অনুষ্ঠান সীমিত আকারে উদযাপন করে আসছে।

বড়দিন ও থার্টি ফার্স্ট নাইট উপলক্ষে প্রকাশ্যে কোনো সভা-সমাবেশ কিংবা ধর্মীয়, সামাজিক বা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন না করে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত পরিসরে আয়োজন করা যৌক্তিক হবে। এ সময় জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিতে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর নজরদারি অব্যাহত থাকবে বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।