ঢাকা ১০:৩৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এলএনজি টার্মিনাল সচলে আরও পাঁচ দিন দেশজুড়ে গ্যাস সংকট তীব্র, বাসা-বাড়ি, শিল্প ও যানবাহনে চরম ভোগান্তি পরিবেশের মারাত্মক প্রভাবে হুমকির মুখে সুন্দরবন সশস্ত্র বাহিনীকে দলীয় হাতিয়ার হতে দেওয়া হবে না বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান ভারতের ঐতিহাসিক বৌদ্ধ তীর্থস্থান সারনাথ স্বামীর নির্যাতন বরিশালে আওয়ামী লীগ নেত্রীর আত্মহত্যা রোববার বঙ্গভবন ছাড়ছেন সদ্যবিদায়ি রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ মেনে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছি: স্পিকার রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাঁর পদত্যাগপত্রে যা লিখেন রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের গুঞ্জন আপনারা যেমন শুনেছেন, আমিও তেমনই শুনেছি  স্পিকার রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করতে যাচ্ছেন, জোরালো হচ্ছে রাজনৈতিক আলোচনা

ব্রিটিশ সংসদীয় কমিটি : হুয়াওয়ে-কমিউনিস্ট পার্টি যোগসাজশের সুস্পষ্ট প্রমাণ আছে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৩৯:০৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২০ ৭১০ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভয়েস ডিজিটাল  ডেস্ক

ব্রিটেনের সংসদের (হাউস অব কমন্স) প্রতিরক্ষাবিষয়ক কমিটি তাদের তদন্ত প্রতিবেদনে বলেছে, চীনের টেলিকম সরঞ্জাম উৎপাদক বিখ্যাত হুয়াওয়ে কোম্পানির সঙ্গে সে দেশের কমিউনিস্ট পার্টির যোগসাজশের সুস্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেছে। এমপিরা বলছেন, এ প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এখন সরকারের উচিত হবে, যুক্তরাজ্যের মোবাইল নেটওয়ার্ক থেকে হুয়াওয়ের তৈরি ফাইভ জি কিট সরিয়ে নেওয়ার সময়সীমা এগিয়ে আনা। শিক্ষাবিদ, সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ ও টেলিকম শিল্প সংশ্লিষ্টদের সাক্ষ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করে সংসদীয় কমিটি। সাক্ষীদের মধ্যে তেমন ব্যক্তিরাও ছিলেন যারা অনেক দিন ধরে হুয়াওয়ের সমালোচনা করছিলেন। ব্রিটিশ মোবাইল নেটওয়ার্কগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তারা যেন ২০২০ সালের পর হুয়াওয়ের ফাইভ জি সরঞ্জাম না কেনে এবং বসানো সব সরঞ্জাম অবশ্যই ২০২৭ সালের মধ্যে সরিয়ে ফেলতে হবে।

কমিটি বলছে : এ সময়সীমা এগিয়ে এনে ২০২৫ সাল করা যায় কিনা মন্ত্রীদের তা বিবেচনা করা উচিত। প্রতিবেদনে একজন শিল্প লগ্নিকারকের বক্তব্য উদ্ধৃত করা হয় যিনি জানান, ‘গেল তিন বছরে হুয়াওয়ের বিকাশের পেছনে চীন সরকার প্রায় ৭ হাজার ৫০০ কোটি ডলার (৫ হাজার ৭০০ কোটি পাউন্ড) অর্থায়ন করে।  তিনি বলেন, এ কারণেই হুয়াওয়ে তার সরঞ্জাম হাস্যকর পর্যায়ের নিম্ন দরে বিক্রি করতে পেরেছে।  চীনের করপোরেটগুলোর অনিয়ম বিষয়ে বিশেষজ্ঞ এক গবেষক কমিটিকে বলেন, বারবার অস্বীকার করলেও হুয়াওয়ে নানা ধরনের গোয়েন্দা কার্যক্রমে জড়িত। প্রতিরক্ষাবিষয়ক সংসদীয় কমিটির প্রতিবেদনের বিষয়ে হুয়াহুয়ে বলছে, বাস্তবতার বদলে অভিমতের ভিত্তিতে প্রণীত এ প্রতিবেদনের বিশ্বাসযোগ্যতা নেই।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ব্রিটিশ সংসদীয় কমিটি : হুয়াওয়ে-কমিউনিস্ট পার্টি যোগসাজশের সুস্পষ্ট প্রমাণ আছে

আপডেট সময় : ০২:৩৯:০৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২০

ভয়েস ডিজিটাল  ডেস্ক

ব্রিটেনের সংসদের (হাউস অব কমন্স) প্রতিরক্ষাবিষয়ক কমিটি তাদের তদন্ত প্রতিবেদনে বলেছে, চীনের টেলিকম সরঞ্জাম উৎপাদক বিখ্যাত হুয়াওয়ে কোম্পানির সঙ্গে সে দেশের কমিউনিস্ট পার্টির যোগসাজশের সুস্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেছে। এমপিরা বলছেন, এ প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এখন সরকারের উচিত হবে, যুক্তরাজ্যের মোবাইল নেটওয়ার্ক থেকে হুয়াওয়ের তৈরি ফাইভ জি কিট সরিয়ে নেওয়ার সময়সীমা এগিয়ে আনা। শিক্ষাবিদ, সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ ও টেলিকম শিল্প সংশ্লিষ্টদের সাক্ষ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করে সংসদীয় কমিটি। সাক্ষীদের মধ্যে তেমন ব্যক্তিরাও ছিলেন যারা অনেক দিন ধরে হুয়াওয়ের সমালোচনা করছিলেন। ব্রিটিশ মোবাইল নেটওয়ার্কগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তারা যেন ২০২০ সালের পর হুয়াওয়ের ফাইভ জি সরঞ্জাম না কেনে এবং বসানো সব সরঞ্জাম অবশ্যই ২০২৭ সালের মধ্যে সরিয়ে ফেলতে হবে।

কমিটি বলছে : এ সময়সীমা এগিয়ে এনে ২০২৫ সাল করা যায় কিনা মন্ত্রীদের তা বিবেচনা করা উচিত। প্রতিবেদনে একজন শিল্প লগ্নিকারকের বক্তব্য উদ্ধৃত করা হয় যিনি জানান, ‘গেল তিন বছরে হুয়াওয়ের বিকাশের পেছনে চীন সরকার প্রায় ৭ হাজার ৫০০ কোটি ডলার (৫ হাজার ৭০০ কোটি পাউন্ড) অর্থায়ন করে।  তিনি বলেন, এ কারণেই হুয়াওয়ে তার সরঞ্জাম হাস্যকর পর্যায়ের নিম্ন দরে বিক্রি করতে পেরেছে।  চীনের করপোরেটগুলোর অনিয়ম বিষয়ে বিশেষজ্ঞ এক গবেষক কমিটিকে বলেন, বারবার অস্বীকার করলেও হুয়াওয়ে নানা ধরনের গোয়েন্দা কার্যক্রমে জড়িত। প্রতিরক্ষাবিষয়ক সংসদীয় কমিটির প্রতিবেদনের বিষয়ে হুয়াহুয়ে বলছে, বাস্তবতার বদলে অভিমতের ভিত্তিতে প্রণীত এ প্রতিবেদনের বিশ্বাসযোগ্যতা নেই।