ঢাকা ০৯:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এক বছরে ১০.৬৩ বিলিয়ন ডলারের জ্বালানি তেল আমদানি মায়ের ছোট্ট অনুরোধে ভারতীয় ভিসা কেন্দ্রে শিশুদের ‘খেলা ঘর’ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রধান ভারতীয় হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ ১০ বছরের জ্বালানি পরিকল্পনা কক্মাসবাজার তারবাড়ী কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী সৌদিতে কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে ১৬ বাংলাদেশি রেমিট্যান্স যোদ্ধার মৃত্যু এসএসসি-সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাস ৬২.২৫ শতাংশ নদী মরছে, বিপন্ন হচ্ছে নগরসভ্যতা থেমে গেছে প্রতিদিনের হাঁটা ১১ পলিথিনে খন্ডিত মরদেহ মেলেনি মাথা-পা বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি যুবক নিহত প্রধানমন্ত্রীর উপহার সিএনজি-রিকশা পেলেন জুলাইযোদ্ধারা

বাংলাদেশের বাজারে সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম কমলো

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১২:৪৫:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ২৩৫ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশের বাজারে সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম কমলো: ছবি সংগ্রহ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দরপতনের প্রভাব পড়েছে দেশের বাজারেও। ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য বাংলাদেশের বাজারে সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম লিটারপ্রতি ২ টাকা কমানো হয়েছে। নতুন এ মূল্য রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) থেকে কার্যকর হবে।

শনিবার (৩১ জানুয়ারি) রাতে জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগ এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য ওঠানামার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতির আওতায় প্রতি মাসে ভোক্তা পর্যায়ে জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় করা হচ্ছে। সংশোধিত প্রাইসিং ফর্মুলার আলোকে ফেব্রুয়ারি মাসে তুলনামূলক সাশ্রয়ী দামে জ্বালানি তেল সরবরাহ নিশ্চিত করতেই এ মূল্য পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারি মাসে ডিজেলের বিক্রয়মূল্য প্রতি লিটার ১০২ টাকা থেকে কমিয়ে ১০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। একইভাবে অকটেনের দাম ১২২ টাকা থেকে কমিয়ে ১২০ টাকা, পেট্রলের দাম ১১৮ টাকা থেকে কমিয়ে ১১৬ টাকা এবং কেরোসিনের দাম ১১৪ টাকা থেকে কমিয়ে ১১২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, জানুয়ারি মাসে দেশে ডিজেল বিক্রি হয়েছে প্রতি লিটার ১০২ টাকায়, অকটেন ১২২ টাকা, পেট্রল ১১৮ টাকা এবং কেরোসিন ১১৪ টাকায়। ফেব্রুয়ারিতে সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম একযোগে কমায় ভোক্তা পর্যায়ে স্বস্তি ফিরবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম কিছুটা কমেছে। মধ্যপ্রাচ্য ও বৈশ্বিক সরবরাহ পরিস্থিতি তুলনামূলক স্থিতিশীল থাকায় এবং চাহিদা বৃদ্ধির চাপ কম থাকায় বিশ্ববাজারে তেলের দর নিম্নমুখী রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ সরকার স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতির মাধ্যমে দেশে জ্বালানি তেলের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

সরকার আশা করছে, জ্বালানি তেলের এই মূল্যহ্রাস পরিবহন ব্যয় ও উৎপাদন খরচ কমাতে সহায়ক হবে এবং সামগ্রিকভাবে বাজারে মূল্যস্ফীতির চাপ কিছুটা হলেও প্রশমিত করবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

বাংলাদেশের বাজারে সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম কমলো

আপডেট সময় : ১২:৪৫:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দরপতনের প্রভাব পড়েছে দেশের বাজারেও। ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য বাংলাদেশের বাজারে সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম লিটারপ্রতি ২ টাকা কমানো হয়েছে। নতুন এ মূল্য রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) থেকে কার্যকর হবে।

শনিবার (৩১ জানুয়ারি) রাতে জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগ এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য ওঠানামার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতির আওতায় প্রতি মাসে ভোক্তা পর্যায়ে জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় করা হচ্ছে। সংশোধিত প্রাইসিং ফর্মুলার আলোকে ফেব্রুয়ারি মাসে তুলনামূলক সাশ্রয়ী দামে জ্বালানি তেল সরবরাহ নিশ্চিত করতেই এ মূল্য পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারি মাসে ডিজেলের বিক্রয়মূল্য প্রতি লিটার ১০২ টাকা থেকে কমিয়ে ১০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। একইভাবে অকটেনের দাম ১২২ টাকা থেকে কমিয়ে ১২০ টাকা, পেট্রলের দাম ১১৮ টাকা থেকে কমিয়ে ১১৬ টাকা এবং কেরোসিনের দাম ১১৪ টাকা থেকে কমিয়ে ১১২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, জানুয়ারি মাসে দেশে ডিজেল বিক্রি হয়েছে প্রতি লিটার ১০২ টাকায়, অকটেন ১২২ টাকা, পেট্রল ১১৮ টাকা এবং কেরোসিন ১১৪ টাকায়। ফেব্রুয়ারিতে সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম একযোগে কমায় ভোক্তা পর্যায়ে স্বস্তি ফিরবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম কিছুটা কমেছে। মধ্যপ্রাচ্য ও বৈশ্বিক সরবরাহ পরিস্থিতি তুলনামূলক স্থিতিশীল থাকায় এবং চাহিদা বৃদ্ধির চাপ কম থাকায় বিশ্ববাজারে তেলের দর নিম্নমুখী রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ সরকার স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতির মাধ্যমে দেশে জ্বালানি তেলের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

সরকার আশা করছে, জ্বালানি তেলের এই মূল্যহ্রাস পরিবহন ব্যয় ও উৎপাদন খরচ কমাতে সহায়ক হবে এবং সামগ্রিকভাবে বাজারে মূল্যস্ফীতির চাপ কিছুটা হলেও প্রশমিত করবে।