ঢাকা ১১:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয়ে  আমদানির বিদ্যুৎ গিলছে অবৈধ ব্যাটারি অটোরিকশা জর্ডানে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলা, ক্ষতিগ্রস্ত একাধিক যুদ্ধবিমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারে ঢাকা-নয়াদিল্লির নতুন প্রত্যাশা খুব দ্রুত বিশ্ববাজারে কমবে জ্বালানি তেলের দাম: ট্রাম্প ইসরায়েলে বহুমুখী হামলার প্রস্তুতি, মিত্রদের একজোট করছে ইরান এলএনজি সংরক্ষণ ও গ্যাসে রূপান্তরে বিনিয়োগে আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র নিউ মেক্সিকো’র নাম পরিবর্তন করে নিউ আমেরিকা রাখার প্রস্তাব ট্রাম্পের রোহিঙ্গা সংকট বাংলাদেশের অন্যতম বড় সংকট : প্রধানমন্ত্রী সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অবৈধ ব্যাটারিচালিত অটো নিয়ন্ত্রণে কঠোর পদক্ষেপ গঙ্গার পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিতের আহ্বান জনপ্রশাসন উপদেষ্টার

বঙ্গবন্ধুর অবদানকে অস্বীকার করে রাজনীতি, চিরতরে বন্ধ করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৬:১৯:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ অগাস্ট ২০২১ ২৭৯ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

‘দেশি-বিদেশি আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের অংশ হিসাবে ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ড হয়েছে। দীর্ঘদিনের প্রস্তুতি নিয়ে এটা করা হয়েছিল। দীর্ঘদিনের প্রস্তুতি ধীরে ধীরে প্রকাশিত হয়েছে’

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালিকে স্বাধীনতা এনে দিয়েছেন। অথচ তাকেই অস্বীকার করা হয়। তার অবদানকে অস্বীকার করে যারা রাজনীতি করতে চায়, তাদের রাজনীতি চিরতরে বন্ধ করতে হবে। শুক্রবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে ক্লাবটি

আয়োজিত ষড়যন্ত্র, চক্রান্ত ও বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ড শীর্ষক আলোচনা সভায় একথা বলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

ড. হাছান বলেন, এটা কোনো দেশে হয় না। নেদারল্যান্ডসে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে যারা নাৎসি বাহিনীকে সহযোগিতা করেছেন তাদের ভোটাধিকার নেই। শুধু তাই নয়, যারা সমর্থন করেছিল তাদেরও ভোটাধিকার নেই। দুঃখজনক হলেও সত্যি, স্বাধীনতার যারা বিরোধিতা করেছে, তারা

রাজনীতি করেন, এমপি, মন্ত্রী হয়েছেন জিয়াউর রহমানের কল্যাণে, তাঁর স্ত্রী খালেদা জিয়ার কল্যাণে।

তথ্য মন্ত্রী বলেন, দেশি-বিদেশি আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের অংশ হিসাবে ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ড হয়েছে। দীর্ঘদিনের প্রস্তুতি নিয়ে এটা করা হয়েছিল। দীর্ঘদিনের প্রস্তুতি ধীরে ধীরে প্রকাশিত হয়েছে।

মঞ্জুরাল ইসলাম বুলবুলের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ডের যে বিচার হয়েছে সেখানে স্বাক্ষীরা কি বলেছেন, আসামিরা কি জবানবন্দি দিয়েছে, কার সঙ্গে কি মিটিং হয়েছে,

জিয়াউর রহমানের সঙ্গে কার কখন মিটিং হয়েছে। জিয়াউর রহমান কিভাবে তাতে সায় দিয়েছে, সহযোগিতা আসে সেগুলো সেখানে বর্ণিত আছে। আরও অনেক বই পুস্তক বেরিয়েছে। কায়সার

হামিদ আমাদের ফুটবলার তার বাবা মিস্টার হামিদ। তিনি জিয়াউর রহমানের কোর্স মেইট। তিনি বইয়ে বিস্তারিত লিখেছেন। তার স্বচক্ষে দেখা ঘটনাপ্রবাহ প্রেক্ষিতে তিনি তা লিখেছেন। বঙ্গভবনে

তার লাশ তখনও দাফন হয়নি, ভুরিভোজ হচ্ছে। জিয়াউর রহমানের সঙ্গে কীভাবে খুনিরা ফিসফাস করছে-এ সমস্ত কিছু বইয়ে আছে।

তথ্য মন্ত্রী বলেন, কয়েকজন সেনা অফিসার বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডে জড়িত ছিল। তারা সেনাবাহিনী থেকে বরখাস্ত হয়েছিল। কেউ যদি সেনাবাহিনী থেকে আউস্টেড হয়, তার সেনানিবাসে প্রবেশ

করতে পারেনা। কিন্তু তারা সেনানিবাসে গিয়ে টেনিস খেলতো, ব্যাডমিন্টন খেলতো। তারা কিভাবে এখানে আসলো জেনারেল শফিউল্লাহ যখন জিজ্ঞেস করল তখন তারা বললো

সেনাপ্রধান জিয়াউর রহমানের অনমুতি নিয়ে আসছে। তারা টেনিস খেলতে গিয়ে ষড়যন্ত্র গুলো করতো। আজকে এইসব প্রকাশিত হচ্ছে। কিন্তু একটা কমিশন গঠন করে হত্যাকান্ডে সবিস্তর

জাতির সামনে উন্মোচন করা প্রয়োজন। আজকে যদি তা করা না হয়, তাহলে ৫০ থেকে ১০০ বছর পর ইতিহাস রচিত হবে, কারা হত্যা করেছিল, বিচারে যাদের শাস্তি হয়েছিল তারাই শুধু যুক্ত ছিল।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন, সাবেক সভাপতি সাইফুল আলম, যুগ্ম সম্পাদক মাইনুল আলম ও বিএফইউজের সাবেক মহাসচিব ওমর ফারুখ প্রমুখ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

বঙ্গবন্ধুর অবদানকে অস্বীকার করে রাজনীতি, চিরতরে বন্ধ করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৬:১৯:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ অগাস্ট ২০২১

‘দেশি-বিদেশি আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের অংশ হিসাবে ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ড হয়েছে। দীর্ঘদিনের প্রস্তুতি নিয়ে এটা করা হয়েছিল। দীর্ঘদিনের প্রস্তুতি ধীরে ধীরে প্রকাশিত হয়েছে’

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালিকে স্বাধীনতা এনে দিয়েছেন। অথচ তাকেই অস্বীকার করা হয়। তার অবদানকে অস্বীকার করে যারা রাজনীতি করতে চায়, তাদের রাজনীতি চিরতরে বন্ধ করতে হবে। শুক্রবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে ক্লাবটি

আয়োজিত ষড়যন্ত্র, চক্রান্ত ও বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ড শীর্ষক আলোচনা সভায় একথা বলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

ড. হাছান বলেন, এটা কোনো দেশে হয় না। নেদারল্যান্ডসে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে যারা নাৎসি বাহিনীকে সহযোগিতা করেছেন তাদের ভোটাধিকার নেই। শুধু তাই নয়, যারা সমর্থন করেছিল তাদেরও ভোটাধিকার নেই। দুঃখজনক হলেও সত্যি, স্বাধীনতার যারা বিরোধিতা করেছে, তারা

রাজনীতি করেন, এমপি, মন্ত্রী হয়েছেন জিয়াউর রহমানের কল্যাণে, তাঁর স্ত্রী খালেদা জিয়ার কল্যাণে।

তথ্য মন্ত্রী বলেন, দেশি-বিদেশি আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের অংশ হিসাবে ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ড হয়েছে। দীর্ঘদিনের প্রস্তুতি নিয়ে এটা করা হয়েছিল। দীর্ঘদিনের প্রস্তুতি ধীরে ধীরে প্রকাশিত হয়েছে।

মঞ্জুরাল ইসলাম বুলবুলের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ডের যে বিচার হয়েছে সেখানে স্বাক্ষীরা কি বলেছেন, আসামিরা কি জবানবন্দি দিয়েছে, কার সঙ্গে কি মিটিং হয়েছে,

জিয়াউর রহমানের সঙ্গে কার কখন মিটিং হয়েছে। জিয়াউর রহমান কিভাবে তাতে সায় দিয়েছে, সহযোগিতা আসে সেগুলো সেখানে বর্ণিত আছে। আরও অনেক বই পুস্তক বেরিয়েছে। কায়সার

হামিদ আমাদের ফুটবলার তার বাবা মিস্টার হামিদ। তিনি জিয়াউর রহমানের কোর্স মেইট। তিনি বইয়ে বিস্তারিত লিখেছেন। তার স্বচক্ষে দেখা ঘটনাপ্রবাহ প্রেক্ষিতে তিনি তা লিখেছেন। বঙ্গভবনে

তার লাশ তখনও দাফন হয়নি, ভুরিভোজ হচ্ছে। জিয়াউর রহমানের সঙ্গে কীভাবে খুনিরা ফিসফাস করছে-এ সমস্ত কিছু বইয়ে আছে।

তথ্য মন্ত্রী বলেন, কয়েকজন সেনা অফিসার বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডে জড়িত ছিল। তারা সেনাবাহিনী থেকে বরখাস্ত হয়েছিল। কেউ যদি সেনাবাহিনী থেকে আউস্টেড হয়, তার সেনানিবাসে প্রবেশ

করতে পারেনা। কিন্তু তারা সেনানিবাসে গিয়ে টেনিস খেলতো, ব্যাডমিন্টন খেলতো। তারা কিভাবে এখানে আসলো জেনারেল শফিউল্লাহ যখন জিজ্ঞেস করল তখন তারা বললো

সেনাপ্রধান জিয়াউর রহমানের অনমুতি নিয়ে আসছে। তারা টেনিস খেলতে গিয়ে ষড়যন্ত্র গুলো করতো। আজকে এইসব প্রকাশিত হচ্ছে। কিন্তু একটা কমিশন গঠন করে হত্যাকান্ডে সবিস্তর

জাতির সামনে উন্মোচন করা প্রয়োজন। আজকে যদি তা করা না হয়, তাহলে ৫০ থেকে ১০০ বছর পর ইতিহাস রচিত হবে, কারা হত্যা করেছিল, বিচারে যাদের শাস্তি হয়েছিল তারাই শুধু যুক্ত ছিল।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন, সাবেক সভাপতি সাইফুল আলম, যুগ্ম সম্পাদক মাইনুল আলম ও বিএফইউজের সাবেক মহাসচিব ওমর ফারুখ প্রমুখ।