ঢাকা ০২:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সমঝোতা স্মারক লঙ্ঘনের পর যুক্তরাষ্ট্রের নিহত ২০০ ছাড়িয়েছে: আইআরজিসি প্রকৃতি ও পরিবেশ চাঁইয়ের ফাঁদে পাঙাশ নিধন উপকূলের নদ-নদীতে মাছশূন্য ভবিষ্যতের অশনিসংকেত এলএনজি টার্মিনাল সচলে আরও পাঁচ দিন দেশজুড়ে গ্যাস সংকট তীব্র, বাসা-বাড়ি, শিল্প ও যানবাহনে চরম ভোগান্তি পরিবেশের মারাত্মক প্রভাবে হুমকির মুখে সুন্দরবন সশস্ত্র বাহিনীকে দলীয় হাতিয়ার হতে দেওয়া হবে না বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান ভারতের ঐতিহাসিক বৌদ্ধ তীর্থস্থান সারনাথ স্বামীর নির্যাতন বরিশালে আওয়ামী লীগ নেত্রীর আত্মহত্যা রোববার বঙ্গভবন ছাড়ছেন সদ্যবিদায়ি রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ মেনে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছি: স্পিকার রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাঁর পদত্যাগপত্রে যা লিখেন

ফায়ার সার্ভিসের সতর্ক বার্তা: ভূমিকম্প’র উচ্চ ঝুঁকিতে বাংলাদেশ

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১০:০৪:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ মার্চ ২০২৫ ২৪১ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাংলাদেশেও মিয়ানমার ও থাইল্যান্ডের মতো বড় ধরণের ভূমিকম্প’র আশঙ্কা রয়েছে। ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট ও ময়মনসিংহ এই ৪ অঞ্চল ভূমিকম্প’র উচ্চ ঝুঁকি রয়েছে।

শুক্রবার মিয়ানমার ও থাইল্যান্ডে শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর পাশ্ববর্তী বাংলাদেশের শক্তিশালী ভূমিকম্প দেখা দিতে পারে বলে সতর্ক করেছে ফায়ার সার্ভিস।

শনিবার ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে এ সতর্কবার্তা জানিয়ে বলা হয়,
মিয়ানমার ও থাইল্যান্ডের বিভিন্ন অঞ্চলে পরপর দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্প হয়েছে। রিখটার স্কেলে যার মাত্রা ছিলো যথাক্রমে ৭ দশমিক ৭ ও ৬ দশমিক ৪।

ফলে দেশ দুটি ব্যাপক হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন। বাংলাদেশেও একই ধরনের বড় ভূমিকম্পের আশঙ্কা রয়েছে। বিশেষ করে ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, ময়মনসিংহ অঞ্চল উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে।

ফায়ার সার্ভিস বলছে, ভূমিকম্প মোকাবিলার জন্য বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড অনুযায়ী ভূমিকম্প প্রতিরোধী ভবন তৈরি করতে হবে। ঝুঁকিপূর্ণ ও পুরোনো ভবনগুলোর সংস্কার করতে হবে। বহুতল ও বাণিজ্যিক ভবনগুলোয় অগ্নিপ্রতিরোধের ব্যবস্থা জোরদারের তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

গ্যাস, পানি ও বিদ্যুতের লাইন ঠিকঠাক চলছে কি না, তা নিশ্চিত করতে হবে। জরুরি টেলিফোন নম্বর যেমন ফায়ার সার্ভিস, অ্যাম্বুলেন্স, পুলিশ, হাসাপাতাল ও অন্যান্য জরুরি নম্বরগুলো ব্যক্তিগত পর্যায়ের পাশাপাশি সব ভবন কিংবা স্থাপনায় সংরক্ষণ করতে হবে। এগুলো দৃশ্যমান স্থানে লিখে রাখতে হবে।

জরুরি প্রয়োজনীয় ব্যবহার্য সরঞ্জাম, যেমন টর্চলাইট, রেডিও (অতিরিক্ত ব্যাটারিসহ), বাঁশি, হ্যামার, হেলমেট, শুকনা খাবার, সুপেয় পানি, প্রয়োজনীয় ওষুধ ও শিশুযত্নের সামগ্রী বাসাবাড়িতে নির্ধারিত স্থানে সংরক্ষণ করতে হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ফায়ার সার্ভিসের সতর্ক বার্তা: ভূমিকম্প’র উচ্চ ঝুঁকিতে বাংলাদেশ

আপডেট সময় : ১০:০৪:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ মার্চ ২০২৫

বাংলাদেশেও মিয়ানমার ও থাইল্যান্ডের মতো বড় ধরণের ভূমিকম্প’র আশঙ্কা রয়েছে। ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট ও ময়মনসিংহ এই ৪ অঞ্চল ভূমিকম্প’র উচ্চ ঝুঁকি রয়েছে।

শুক্রবার মিয়ানমার ও থাইল্যান্ডে শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর পাশ্ববর্তী বাংলাদেশের শক্তিশালী ভূমিকম্প দেখা দিতে পারে বলে সতর্ক করেছে ফায়ার সার্ভিস।

শনিবার ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে এ সতর্কবার্তা জানিয়ে বলা হয়,
মিয়ানমার ও থাইল্যান্ডের বিভিন্ন অঞ্চলে পরপর দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্প হয়েছে। রিখটার স্কেলে যার মাত্রা ছিলো যথাক্রমে ৭ দশমিক ৭ ও ৬ দশমিক ৪।

ফলে দেশ দুটি ব্যাপক হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন। বাংলাদেশেও একই ধরনের বড় ভূমিকম্পের আশঙ্কা রয়েছে। বিশেষ করে ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, ময়মনসিংহ অঞ্চল উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে।

ফায়ার সার্ভিস বলছে, ভূমিকম্প মোকাবিলার জন্য বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড অনুযায়ী ভূমিকম্প প্রতিরোধী ভবন তৈরি করতে হবে। ঝুঁকিপূর্ণ ও পুরোনো ভবনগুলোর সংস্কার করতে হবে। বহুতল ও বাণিজ্যিক ভবনগুলোয় অগ্নিপ্রতিরোধের ব্যবস্থা জোরদারের তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

গ্যাস, পানি ও বিদ্যুতের লাইন ঠিকঠাক চলছে কি না, তা নিশ্চিত করতে হবে। জরুরি টেলিফোন নম্বর যেমন ফায়ার সার্ভিস, অ্যাম্বুলেন্স, পুলিশ, হাসাপাতাল ও অন্যান্য জরুরি নম্বরগুলো ব্যক্তিগত পর্যায়ের পাশাপাশি সব ভবন কিংবা স্থাপনায় সংরক্ষণ করতে হবে। এগুলো দৃশ্যমান স্থানে লিখে রাখতে হবে।

জরুরি প্রয়োজনীয় ব্যবহার্য সরঞ্জাম, যেমন টর্চলাইট, রেডিও (অতিরিক্ত ব্যাটারিসহ), বাঁশি, হ্যামার, হেলমেট, শুকনা খাবার, সুপেয় পানি, প্রয়োজনীয় ওষুধ ও শিশুযত্নের সামগ্রী বাসাবাড়িতে নির্ধারিত স্থানে সংরক্ষণ করতে হবে।