ঢাকা ০৭:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারে ঢাকা-নয়াদিল্লির নতুন প্রত্যাশা খুব দ্রুত বিশ্ববাজারে কমবে জ্বালানি তেলের দাম: ট্রাম্প ইসরায়েলে বহুমুখী হামলার প্রস্তুতি, মিত্রদের একজোট করছে ইরান এলএনজি সংরক্ষণ ও গ্যাসে রূপান্তরে বিনিয়োগে আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র নিউ মেক্সিকো’র নাম পরিবর্তন করে নিউ আমেরিকা রাখার প্রস্তাব ট্রাম্পের রোহিঙ্গা সংকট বাংলাদেশের অন্যতম বড় সংকট : প্রধানমন্ত্রী সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অবৈধ ব্যাটারিচালিত অটো নিয়ন্ত্রণে কঠোর পদক্ষেপ গঙ্গার পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিতের আহ্বান জনপ্রশাসন উপদেষ্টার ডেঙ্গুর ভয়াবহ ছোবল একদিনে রেকর্ড ১,৫৫৮ ভর্তি, মৃত্যু ৪ বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক সুদৃঢ় করতে সাংস্কৃতিক আদান-প্রদানে গুরুত্ব

প্রত্যাবাসন ঠেকাতেই মুহিবুল্লাহকে হত্যার হত্যার ছক

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৯:১২:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২১ ৩৮১ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

প্রত্যাবাসন ঠেকাতেই মুহিবুল্লাহকে হত্যার হত্যার ছক আঁকে প্রত্যাবাসবিরোধী গোষ্ঠী। আরাকান রোহিঙ্গা সোসাইটি ফর পিস অ্যান্ড হিউম্যান রাইটসের (এআরএসপিএইচ) চেয়ারম্যান ছিলেন মুহিবুল্লাহ মাস্টার। হিন্দি সিনেমার গা হিম করা পরিকল্পনার জাল বিস্তার করে একটি দুর্বৃত্ত

সংগঠনের শীর্ষ নেতার নির্দেশে মহিবুল্লাহ হত্যা মিশনে অংশ নেয় ১৯ জন। যার পাঁচজন ছিলো অস্ত্রধারী। পূর্বপরিকল্পনা অনুসারে কয়েক মিনিটেই কিলিং মিশন শেষে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে দুর্বৃত্তরা। কিলিং স্কোয়াডের সদস্য আজিজুল হককে গ্রেফতাররের পর শনিবার মুহিবুল্লাহ মাস্টার

হত্যার ছক সম্পর্কে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত তুলেন ধরেন ১৪ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক এসপি নাইমুল হক। এর আগে ভোরে আজিজুল হককে লাম্বাশিয়া পুলিশ ক্যাম্পের লোহার ব্রিজ এলাকা থেকে অস্ত্রসহ গ্রেফতার করে এপিবিএন-১৪-এর সদস্যরা।

আজিজুল হক ছাড়াও হত্যায় সহযোগিতা করা কুতুপালং শিবির-১ এর ডি-৮ ব্লকের মোহাম্মদ রশিদ ওরফে মুরশিদ আমিন ও একই শিবিরের বি ব্লকের মোহাম্মদ আনাস ও নুর মোহাম্মদকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে আজিজুলের স্বীকারোক্তির কথা জানিয়ে ১৪ আমর্ড পুলিশ

ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক এসপি নাইমুল হক বলেন, মুহিবুল্লার হত্যার দু’দিন আগে মরকাজ পাহাড়ে মুহিবুল্লার হত্যা বিষয়ে বৈঠক করে দুর্বৃত্তরা। সেখান থেকে ১৯ জনকে মিশনে অংশ নেওয়ার নির্দেশনা দিয়ে পাঁচজনকে সশস্ত্র অবস্থায় পাঠানো হয়।

জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশকে আজিজুল হক জানায়, মুহিবুল্লাহ রোহিঙ্গাদের নেতা হিসেবে পরিচিতি পাচ্ছে। তার উত্থান ও প্রত্যাবাসন ঠেকাতে যেকোনো মূল্যে তাকে হত্যা করার নির্দেশ দেওয়া হয়। সেই নির্দেশনা মতো ২৯ সেপ্টেম্বর মুহিবুল্লাহকে অফিসে ডাকা হয়। প্রত্যাবাসন বিষয়ে

কয়েকজন কথা বলতে ডাকছে বলে বাসা থেকে বের করে আনে গ্রেফতার মুরশিদ। এরপর বাকিদের সংকেত দিয়ে সে অফিস থেকে চলে যায়। নাইমুল হক আরও বলেন, সশস্ত্র টিম অফিসে ঢুকে একজন মুহিবুল্লাহকে বলে ‘ওঠ’ তোর সঙ্গে কথা আছে। বসা থেকে উঠতেই

প্রথমজনের একটি, তার পরেরজনের দুটিসহ মোট চারটি গুলি করা হয় মুহিবুল্লাহকে। এরপর মুহিবুল্লার বাড়ির পেছন দিয়ে পালিয়ে যায় স্কোয়াডের পাঁচজন। পরে সবাই সতর্ক হয়ে যায়। বিভিন্নজনের ওপর দোষ চাপাতে থাকে। অপর জড়িতদের গ্রেফতার অভিযান চলছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

প্রত্যাবাসন ঠেকাতেই মুহিবুল্লাহকে হত্যার হত্যার ছক

আপডেট সময় : ০৯:১২:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২১

প্রত্যাবাসন ঠেকাতেই মুহিবুল্লাহকে হত্যার হত্যার ছক আঁকে প্রত্যাবাসবিরোধী গোষ্ঠী। আরাকান রোহিঙ্গা সোসাইটি ফর পিস অ্যান্ড হিউম্যান রাইটসের (এআরএসপিএইচ) চেয়ারম্যান ছিলেন মুহিবুল্লাহ মাস্টার। হিন্দি সিনেমার গা হিম করা পরিকল্পনার জাল বিস্তার করে একটি দুর্বৃত্ত

সংগঠনের শীর্ষ নেতার নির্দেশে মহিবুল্লাহ হত্যা মিশনে অংশ নেয় ১৯ জন। যার পাঁচজন ছিলো অস্ত্রধারী। পূর্বপরিকল্পনা অনুসারে কয়েক মিনিটেই কিলিং মিশন শেষে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে দুর্বৃত্তরা। কিলিং স্কোয়াডের সদস্য আজিজুল হককে গ্রেফতাররের পর শনিবার মুহিবুল্লাহ মাস্টার

হত্যার ছক সম্পর্কে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত তুলেন ধরেন ১৪ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক এসপি নাইমুল হক। এর আগে ভোরে আজিজুল হককে লাম্বাশিয়া পুলিশ ক্যাম্পের লোহার ব্রিজ এলাকা থেকে অস্ত্রসহ গ্রেফতার করে এপিবিএন-১৪-এর সদস্যরা।

আজিজুল হক ছাড়াও হত্যায় সহযোগিতা করা কুতুপালং শিবির-১ এর ডি-৮ ব্লকের মোহাম্মদ রশিদ ওরফে মুরশিদ আমিন ও একই শিবিরের বি ব্লকের মোহাম্মদ আনাস ও নুর মোহাম্মদকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে আজিজুলের স্বীকারোক্তির কথা জানিয়ে ১৪ আমর্ড পুলিশ

ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক এসপি নাইমুল হক বলেন, মুহিবুল্লার হত্যার দু’দিন আগে মরকাজ পাহাড়ে মুহিবুল্লার হত্যা বিষয়ে বৈঠক করে দুর্বৃত্তরা। সেখান থেকে ১৯ জনকে মিশনে অংশ নেওয়ার নির্দেশনা দিয়ে পাঁচজনকে সশস্ত্র অবস্থায় পাঠানো হয়।

জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশকে আজিজুল হক জানায়, মুহিবুল্লাহ রোহিঙ্গাদের নেতা হিসেবে পরিচিতি পাচ্ছে। তার উত্থান ও প্রত্যাবাসন ঠেকাতে যেকোনো মূল্যে তাকে হত্যা করার নির্দেশ দেওয়া হয়। সেই নির্দেশনা মতো ২৯ সেপ্টেম্বর মুহিবুল্লাহকে অফিসে ডাকা হয়। প্রত্যাবাসন বিষয়ে

কয়েকজন কথা বলতে ডাকছে বলে বাসা থেকে বের করে আনে গ্রেফতার মুরশিদ। এরপর বাকিদের সংকেত দিয়ে সে অফিস থেকে চলে যায়। নাইমুল হক আরও বলেন, সশস্ত্র টিম অফিসে ঢুকে একজন মুহিবুল্লাহকে বলে ‘ওঠ’ তোর সঙ্গে কথা আছে। বসা থেকে উঠতেই

প্রথমজনের একটি, তার পরেরজনের দুটিসহ মোট চারটি গুলি করা হয় মুহিবুল্লাহকে। এরপর মুহিবুল্লার বাড়ির পেছন দিয়ে পালিয়ে যায় স্কোয়াডের পাঁচজন। পরে সবাই সতর্ক হয়ে যায়। বিভিন্নজনের ওপর দোষ চাপাতে থাকে। অপর জড়িতদের গ্রেফতার অভিযান চলছে।