ঢাকা ০৫:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
চামড়া: অর্থনীতিতে আয়ের উৎস, সেই মূল্যবান সম্পদের এমন অর্থহীন পরিণতি! সড়ক নয়, যেন মৃত্যুর উপত্যকা! লোবানের গন্ধে ফিকে ঈদের আনন্দ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে  উল্লেখযোগ্য পতন, কেন? ঈদুল আজহায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও জনগণকে নরেন্দ্র মোদীর শুভেচ্ছা দেশজুড়ে উৎসবের আমেজে উদযাপিত পবিত্র ঈদুল আজহা যুদ্ধবিরতি ও শান্তি আলোচনার মধ্যেই ইরানে ফের যুক্তরাষ্ট্রের হামলা ঈদের প্রধান জামাত সকাল সাড়ে ৭টায় প্রস্তুত জাতীয় ঈদগাহ, থাকছেন রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রী  চামড়া সংগ্রহকারীদের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিতে সরকারের নজর থাকবে : বাণিজ্যমন্ত্রী দেশবাসীকে প্রধানমন্ত্রীর ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা আদ-দ্বীন হাসপাতালে ৬ নবজাতকের মৃত্যু: অবহেলা, শ্বাসরুদ্ধকর পরিবেশ নাকি অন্য কিছু প্রশ্নের মুখে কর্তৃপক্ষ

পরিবারের জিম্মায় আবু ত্ব-হা

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৭:৪১:২০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ জুন ২০২১ ৩২২ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছবি সংগ্রহ

আবু ত্ব-হা মোহাম্মদ আদনান ও তার সঙ্গীদের শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে আদালতের মাধ্যমে তাদের নিজ নিজ পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়। চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের কোতোয়ালি আদালতের বিচারক কেএম হাফিজুর রহমান এ নির্দেশ দেন।

তিনি ইসলামি বক্তা আবু ত্ব-হা মোহাম্মদ আদনান হিসেবে পরিচিত। এক সপ্তাহে আগে তার কয়েকজন সঙ্গী নিয়ে ঢাকায় এসে উদাও হয়ে যান। দু’টো বিয়ে করেছেন ৩১ বছরের ত্ব-হা। পরেরটি করেন মাস তিনেক আগে আগে ঢাকার মিরপুরের এক মাদ্রাসার পরিচালক কাম শিক্ষিকাকে।

একসপ্তাহ পর শুক্রবার তাকে রংপুরের শ্বশুরবাড়ি উদ্ধার থেকে উদ্ধার করা হয়।
এরপর পুলিশ নিয়মাফিক জিজ্ঞাসাবাদ করেন। পরবর্তীতে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দেওয়ার পর আদালত তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করার নির্দেশ দেন।

এদিন রাত সাড়ে ৯টার দিকে রংপুর মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) কার্যালয় থেকে তাদের আদালতে নেওয়া হয়। সেখানে স্বেচ্ছায় জবানবন্দি দেন আবু ত্ব-হা মোহাম্মদ, তার সঙ্গী আব্দুল মুহিত ও গাড়িচালক আমির উদ্দিন।

কোর্ট ইন্সপেক্টর নাজমুল ইসলাম জানান, আদালত স্বেচ্ছায় আত্মগোপনে যাওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করে তাদের তিনজনকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করার নির্দেশ দেন।

আবু ত্ব-হার নিখোঁজের ঘটনায় রংপুরে দু’টি জিডি হয়েছিল। তার মা আজেদা বেগম একটি জিডি করেন এবং একই সঙ্গে নিখোঁজ থাকা আমির উদ্দিনের ভাই ফয়সাল হোসেন অপর জিডি করেন।

আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী পরিবারের কাছে আবু ত্ব-হা মোহাম্মদ আদনানসহ বাকিদের স্ব-স্ব পরিবারের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে জানান কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুর রশিদ।

তিনি জানালেন, তারা স্বেচ্ছায় আত্মগোপনে থাকার বিষয়টি আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ না থাকায় পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

পরিবারের জিম্মায় আবু ত্ব-হা

আপডেট সময় : ০৭:৪১:২০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ জুন ২০২১

ছবি সংগ্রহ

আবু ত্ব-হা মোহাম্মদ আদনান ও তার সঙ্গীদের শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে আদালতের মাধ্যমে তাদের নিজ নিজ পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়। চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের কোতোয়ালি আদালতের বিচারক কেএম হাফিজুর রহমান এ নির্দেশ দেন।

তিনি ইসলামি বক্তা আবু ত্ব-হা মোহাম্মদ আদনান হিসেবে পরিচিত। এক সপ্তাহে আগে তার কয়েকজন সঙ্গী নিয়ে ঢাকায় এসে উদাও হয়ে যান। দু’টো বিয়ে করেছেন ৩১ বছরের ত্ব-হা। পরেরটি করেন মাস তিনেক আগে আগে ঢাকার মিরপুরের এক মাদ্রাসার পরিচালক কাম শিক্ষিকাকে।

একসপ্তাহ পর শুক্রবার তাকে রংপুরের শ্বশুরবাড়ি উদ্ধার থেকে উদ্ধার করা হয়।
এরপর পুলিশ নিয়মাফিক জিজ্ঞাসাবাদ করেন। পরবর্তীতে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দেওয়ার পর আদালত তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করার নির্দেশ দেন।

এদিন রাত সাড়ে ৯টার দিকে রংপুর মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) কার্যালয় থেকে তাদের আদালতে নেওয়া হয়। সেখানে স্বেচ্ছায় জবানবন্দি দেন আবু ত্ব-হা মোহাম্মদ, তার সঙ্গী আব্দুল মুহিত ও গাড়িচালক আমির উদ্দিন।

কোর্ট ইন্সপেক্টর নাজমুল ইসলাম জানান, আদালত স্বেচ্ছায় আত্মগোপনে যাওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করে তাদের তিনজনকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করার নির্দেশ দেন।

আবু ত্ব-হার নিখোঁজের ঘটনায় রংপুরে দু’টি জিডি হয়েছিল। তার মা আজেদা বেগম একটি জিডি করেন এবং একই সঙ্গে নিখোঁজ থাকা আমির উদ্দিনের ভাই ফয়সাল হোসেন অপর জিডি করেন।

আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী পরিবারের কাছে আবু ত্ব-হা মোহাম্মদ আদনানসহ বাকিদের স্ব-স্ব পরিবারের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে জানান কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুর রশিদ।

তিনি জানালেন, তারা স্বেচ্ছায় আত্মগোপনে থাকার বিষয়টি আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ না থাকায় পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।