ঢাকা ০৬:৩৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গাইডের নির্দেশনা অমান্য বান্দরবানে মোটরসাইকেল খাদে পড়ে প্রাণ হারালেন দুই পর্যটক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর এস কে সুরের ৩ বছরের কারাদণ্ড জ্বালানি তেলের দামে বড় পতন স্বস্তির আভাস তবুও কাটেনি শঙ্কা সমঝোতা স্মারক লঙ্ঘনের পর যুক্তরাষ্ট্রের নিহত ২০০ ছাড়িয়েছে: আইআরজিসি প্রকৃতি ও পরিবেশ চাঁইয়ের ফাঁদে পাঙাশ নিধন উপকূলের নদ-নদীতে মাছশূন্য ভবিষ্যতের অশনিসংকেত এলএনজি টার্মিনাল সচলে আরও পাঁচ দিন দেশজুড়ে গ্যাস সংকট তীব্র, বাসা-বাড়ি, শিল্প ও যানবাহনে চরম ভোগান্তি পরিবেশের মারাত্মক প্রভাবে হুমকির মুখে সুন্দরবন সশস্ত্র বাহিনীকে দলীয় হাতিয়ার হতে দেওয়া হবে না বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান ভারতের ঐতিহাসিক বৌদ্ধ তীর্থস্থান সারনাথ স্বামীর নির্যাতন বরিশালে আওয়ামী লীগ নেত্রীর আত্মহত্যা

নাহিদ রানার ঝড়ো বোলিংয়ে পাকিস্তান পুড়ল, ২০৯ বল বাকি রেখে জয় বাংলাদেশের

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৭:০৯:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬ ২২৭ বার পড়া হয়েছে

অসাধারণ বোলিংয়ে জয়ের নায়ক নাহিদ রানা। ছবি: বিসিবি

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে দেশের মাঠে বছরের প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচে বাংলাদেশ দলের তরুণ পেসার নাহিদ রানা পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপকে ভাঙচুর করে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিয়েছিলেন। ১০০ ওভারের ম্যাচটি শেষ হলো মাত্র ৪৫.৫ ওভারে, যেখানে বাংলাদেশ ২০৯ বল বাকি রেখেই সিরিজের প্রথম ম্যাচ জিতে নেয়।

ম্যাচ শুরুর আগে মিরপুর স্টেডিয়ামে ছিল চমকপ্রদ। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রী আমিনুল হক ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মেয়ে জাইমা রহমান উপস্থিত ছিলেন। তবে ক্রিকেটের মূল আকর্ষণ হয়ে উঠলেন নাহিদ রানা।

নাহিদ রানা এবং অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজের বলের ধামাকা পাকিস্তানের ব্যাটিং ধ্বংস করে দেয়। নাহিদের স্পেল শুরুতেই পাকিস্তানের প্রথম ব্রেক থ্রু এনে দেয়, এরপর প্রথম পাঁচ ওভারের প্রতিটিতেই উইকেট শিকারের রেকর্ড গড়ে তিনি। তার ধারাবাহিক বোলিংয়ে পাকিস্তান ১১৪ রানে অলআউট হয়।

রান তাড়ায় তানজিদ হাসানের ঝড়ো ফিফটিতে বাংলাদেশের ইনিংস এগোয়। বাংলাদেশের জয় আসে ২০৯ বল বাকি রেখে। উল্লেখযোগ্য, নাহিদ রানা তার আগের পাঁচ ওয়ানডেতে মোট ৫ উইকেট পেয়েছিলেন, কিন্তু এই ম্যাচেই ২৪ রানে ৫ উইকেট শিকার করে ওয়ানডেতে বাংলাদেশের সেরা বোলিং রেকর্ডে নাম লেখান।

পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপে চার অভিষিক্তকে নিয়ে শুরু হলেও, তাদের অভিজ্ঞতার অভাব নাহিদ রানা এবং মিরাজের বোলিংয়ে ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়। বিশেষ করে মোহাম্মাদ রিজওয়ানকে খারাপ অবস্থায় ফেলার জন্য নাহিদ রানা রেখেছিলেন সবচেয়ে ধামাকা ডেলিভারি।

বাংলাদেশের জন্য এটি পাকিস্তানের বিপক্ষে সর্বনিম্ন রান, আগের রেকর্ড ছিল ১৯৯৯ বিশ্বকাপে ১৬১ রানে।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

  • পাকিস্তান: ৩০.৪ ওভারে ১১৪ (সাহিবজাদা ২৭, সাদাকাত ১৮; নাহিদ ৭-০-২৪-৫, মিরাজ ১০-০-২৯-৩, মুস্তাফিজ ৪.৪-০-১৮-১)

  • বাংলাদেশ: ১৫.১ ওভারে ১১৫/২ (তানজিদ ৬৭*, শান্ত ২৭, লিটন ৩*)

ফল: বাংলাদেশ ৮ উইকেটে জয়ী।
ম্যান অফ দ্য ম্যাচ: নাহিদ রানা

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

নাহিদ রানার ঝড়ো বোলিংয়ে পাকিস্তান পুড়ল, ২০৯ বল বাকি রেখে জয় বাংলাদেশের

আপডেট সময় : ০৭:০৯:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে দেশের মাঠে বছরের প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচে বাংলাদেশ দলের তরুণ পেসার নাহিদ রানা পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপকে ভাঙচুর করে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিয়েছিলেন। ১০০ ওভারের ম্যাচটি শেষ হলো মাত্র ৪৫.৫ ওভারে, যেখানে বাংলাদেশ ২০৯ বল বাকি রেখেই সিরিজের প্রথম ম্যাচ জিতে নেয়।

ম্যাচ শুরুর আগে মিরপুর স্টেডিয়ামে ছিল চমকপ্রদ। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রী আমিনুল হক ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মেয়ে জাইমা রহমান উপস্থিত ছিলেন। তবে ক্রিকেটের মূল আকর্ষণ হয়ে উঠলেন নাহিদ রানা।

নাহিদ রানা এবং অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজের বলের ধামাকা পাকিস্তানের ব্যাটিং ধ্বংস করে দেয়। নাহিদের স্পেল শুরুতেই পাকিস্তানের প্রথম ব্রেক থ্রু এনে দেয়, এরপর প্রথম পাঁচ ওভারের প্রতিটিতেই উইকেট শিকারের রেকর্ড গড়ে তিনি। তার ধারাবাহিক বোলিংয়ে পাকিস্তান ১১৪ রানে অলআউট হয়।

রান তাড়ায় তানজিদ হাসানের ঝড়ো ফিফটিতে বাংলাদেশের ইনিংস এগোয়। বাংলাদেশের জয় আসে ২০৯ বল বাকি রেখে। উল্লেখযোগ্য, নাহিদ রানা তার আগের পাঁচ ওয়ানডেতে মোট ৫ উইকেট পেয়েছিলেন, কিন্তু এই ম্যাচেই ২৪ রানে ৫ উইকেট শিকার করে ওয়ানডেতে বাংলাদেশের সেরা বোলিং রেকর্ডে নাম লেখান।

পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপে চার অভিষিক্তকে নিয়ে শুরু হলেও, তাদের অভিজ্ঞতার অভাব নাহিদ রানা এবং মিরাজের বোলিংয়ে ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়। বিশেষ করে মোহাম্মাদ রিজওয়ানকে খারাপ অবস্থায় ফেলার জন্য নাহিদ রানা রেখেছিলেন সবচেয়ে ধামাকা ডেলিভারি।

বাংলাদেশের জন্য এটি পাকিস্তানের বিপক্ষে সর্বনিম্ন রান, আগের রেকর্ড ছিল ১৯৯৯ বিশ্বকাপে ১৬১ রানে।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

  • পাকিস্তান: ৩০.৪ ওভারে ১১৪ (সাহিবজাদা ২৭, সাদাকাত ১৮; নাহিদ ৭-০-২৪-৫, মিরাজ ১০-০-২৯-৩, মুস্তাফিজ ৪.৪-০-১৮-১)

  • বাংলাদেশ: ১৫.১ ওভারে ১১৫/২ (তানজিদ ৬৭*, শান্ত ২৭, লিটন ৩*)

ফল: বাংলাদেশ ৮ উইকেটে জয়ী।
ম্যান অফ দ্য ম্যাচ: নাহিদ রানা