ঢাকা ০৮:৪৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নৃশংস ৭ বছরের শিশুর হাত চেপে ধরেন স্ত্রী আঙ্গুল কাটেন পুলিশ  কনস্টেবল জাতিসংঘ সফর শেষে সচিবালয়ে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী, শুরু দাপ্তরিক কার্যক্রম জাতিসংঘ অধিবেশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ সার্থক হয়েছে : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশের উন্নয়ন প্রচেষ্টায় চীনের সমর্থন অব্যাহত থাকবে: রাষ্ট্রদূত ১৮ দেশের বাজারকেন্দ্রিক রপ্তানি কৌশল প্রণয়ন করছে সরকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি সরকারের সমালোচনা এনসিপি আহ্বায়কের কাগজে নদীর সংখ্যা বাড়ছে নদী রক্ষাই এখন সবচেয়ে বড় সংকট সাশ্রয়ী আবাসন অর্থায়নে বাংলাদেশকে ১০ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে এডিবি শেরপুর সীমান্তে ভারতীয় সাবান-মদ জব্দ বিজিবির গরু আটক নিয়ে চাঞ্চল্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘাতের সমাধান কেবল কূটনীতিতেই: ইরান

দক্ষিণ চীন সাগরে আধা ঘণ্টার ব্যবধানে বিধ্বস্ত মার্কিন হেলিকপ্টার ও যুদ্ধবিমান

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১২:১৯:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫ ২১৬ বার পড়া হয়েছে

দক্ষিণ চীন সাগরে আধা ঘণ্টার ব্যবধানে বিধ্বস্ত মার্কিন হেলিকপ্টার ও যুদ্ধবিমান

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দক্ষিণ চীন সাগরে মাত্র আধা ঘণ্টার ব্যবধানে বিধ্বস্ত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর একটি হেলিকপ্টার ও একটি যুদ্ধবিমান। রোববার পৃথক দুটি অভিযানে অংশ নেওয়ার সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে। তবে উভয় ঘটনায় ক্রুরা নিরাপদে উদ্ধার হয়েছেন বলে জানিয়েছে মার্কিন নৌবাহিনীর প্রশান্ত মহাসাগরীয় বহর।

মার্কিন নৌবাহিনী জানায়, স্থানীয় সময় রোববার বেলা পৌনে তিনটার দিকে বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস নিমিত্জ থেকে নিয়মিত অভিযানে অংশ নেওয়ার সময় একটি এমএইচ–৬০আর সিহক হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়। ঘটনাস্থলে উদ্ধারকারী দল দ্রুত পৌঁছে তিনজন ক্রুকে নিরাপদে উদ্ধার করে।

এর প্রায় আধা ঘণ্টা পর একই রণতরী থেকে নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালনার সময় একটি এফ/এ–১৮এফ সুপার হর্নেট যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়। নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পাইলট সময়মতো বিমানের ককপিট থেকে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হন এবং তাকেও উদ্ধার করা হয়েছে। দুর্ঘটনার কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত শুরু হয়েছে।

দক্ষিণ চীন সাগর বর্তমানে বৈশ্বিক ভূরাজনীতির এক উত্তপ্ত অঞ্চল। চীন, ফিলিপাইন, ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়া ও ব্রুনেইসহ একাধিক দেশ এই সাগরের কিছু অংশের মালিকানা দাবি করে আসছে। তবে চীন প্রায় পুরো জলসীমার ওপরই সার্বভৌমত্ব দাবি করছে, যা আন্তর্জাতিক আদালতের রায় উপেক্ষা করে।

এই প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্র তার আঞ্চলিক মিত্রদের সমর্থনে এবং আন্তর্জাতিক নৌপরিবহন রক্ষায় নিয়মিতভাবে ওই অঞ্চলে টহল কার্যক্রম চালিয়ে থাকে। এমন সময়ে এই দুটি দুর্ঘটনা ঘটেছে, যখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এশিয়া সফরে রয়েছেন এবং সফরকালে চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের সঙ্গে বৈঠকের কথা রয়েছে। এই ঘটনাগুলো যুক্তরাষ্ট্র-চীন সম্পর্কের কৌশলগত টানাপোড়েনকে নতুন করে আলোচনায় এনেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :