ঢাকা ০১:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এলএনজি টার্মিনাল সচলে আরও পাঁচ দিন দেশজুড়ে গ্যাস সংকট তীব্র, বাসা-বাড়ি, শিল্প ও যানবাহনে চরম ভোগান্তি পরিবেশের মারাত্মক প্রভাবে হুমকির মুখে সুন্দরবন সশস্ত্র বাহিনীকে দলীয় হাতিয়ার হতে দেওয়া হবে না বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান ভারতের ঐতিহাসিক বৌদ্ধ তীর্থস্থান সারনাথ স্বামীর নির্যাতন বরিশালে আওয়ামী লীগ নেত্রীর আত্মহত্যা রোববার বঙ্গভবন ছাড়ছেন সদ্যবিদায়ি রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ মেনে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছি: স্পিকার রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাঁর পদত্যাগপত্রে যা লিখেন রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের গুঞ্জন আপনারা যেমন শুনেছেন, আমিও তেমনই শুনেছি  স্পিকার রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করতে যাচ্ছেন, জোরালো হচ্ছে রাজনৈতিক আলোচনা

ডিজিটাল সংযোগ প্রতিটি মানুষের জীবন-জীবিকার অপরিহার্য সেবায় রূপ নিয়েছে : টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী

ভয়েস রিপোর্ট, ঢাকা
  • আপডেট সময় : ০১:৪৮:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২১ ৪৯৬ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ইন্টারনেটকে একটি মৌলিক অধিকার বিবেচনা করা সময়ের দাবি। ডিজিটাল বাংলাদেশ কর্মসূচি বাস্তবায়নের ধারাবাহিকতায় ডিজিটাল সংযোগ প্রতিটি মানুষের জীবন-জীবিকার জন্য অপরিহার্য

সেবায় রূপ নিয়েছে। উচ্চগতির ইন্টারনেট মহাসড়ক শহরের গন্ডি ছাড়িয়ে দুর্গম গ্রামের মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সরকার বদ্ধপরিকর। সরকার সর্বশক্তি দিয়ে সেই লক্ষে কাজ করে

যাচ্ছে। বৃহস্পতিবার ঢাকায় বাংলাদেশ ইন্টারনেট গভর্ণেন্স ফোরাম-বিআইজিএফ আয়োজিত ইন্টারনেটের অন্তর্ভূক্তিমূলক সংযুক্তি বিষয়ক ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন, ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী জনাব মোস্তাফা জব্বার।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ি কমিটির সভাপতি, বিআইজিএফ চেয়ারম্যান হাসানুল হক ইনুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিটিআরসি‘র ভাইস চেয়ারম্যান সুব্রত রায় মৈত্র, বিটিসিএল এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. রফিকুল মতিন, এমটব মহাসচিব ব্রিগেডিয়ার জেনারেল

এস এম ফরহাদ (অব.), সাবেক মহাসচিব টিআইএম নুরুল কবির,আইকান কর্মকর্তা সমিরন গুপ্ত এবং আইএসপিএবি সভাপতি আমিনুল হাকিম বক্তৃতা করেন।অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বিআইজিএফ কর্মকর্তা বজলুর রহমান।

এখন শহরের চেয়ে বেশি নেটের চাহিদা গ্রামে উল্লেখ করে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী বলেন, গ্রামের মানুষ এক সময় মোবাইল ফোনকে কেবল মুখে কথা বলার জন্য ব্যবহার করতেন। সে জায়গায় তারা এখন ইন্টারনেট ব্যবহার শুরু করেছেন। স্মার্টফোন ব্যবহারের দক্ষতা গ্রামের

অনেক বয়স্কদের নেই কিন্তু নতুন প্রজন্মের কাছ থেকে তারা শিখে নিচ্ছে। দ্রুত গতির ইন্টারনেট সংযোগ প্রদানের অনুরোধ গ্রাম থেকেই বেশি আসছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ২১ সালের মধ্যে এমন কোন ইউনিয়ন থাকবে না যেখানে অপটিক্যাল ফাইবার নেটওয়ার্ক সংযোগ ইউনিয়ন

অবধি পৌছাবেনা। তিনি বলেন, ডিজিটাল অবকাঠামোর যে দুর্বলতা এতদিন বিরাজ করছিলো তা অতিক্রম করার চেষ্টা হচ্ছে। যেখানে বেসরকারি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান নেট সম্প্রসারণ করছে না সেখানে গত তিন বছরে উচ্চগতির ইন্টারনেট সেবা আমরা সরকারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে পৌঁছে

দিতে শুরু করেছি। তিনি বলেন, ১৯৮৯ সালে দেশে মোবাইল ফোনের যাত্রা শুরু হলেও এটি ছিলো সাধারণের আওতার বাইরে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৯৭সালে মোবাইল ফোনের মনোপলি ব্যবসা ভেঙ্গে দিয়ে মোবাইল ফোন সাধারণের নাগালে পৌঁছে দেন। তিনি বলেন, ভৌগোলিক

ভাবে দেশের ৯৮ ভাগ এলাকা মোবাইল নেটওয়ার্কের আওতায় কিন্তু দুর্গম পার্বত্য অঞ্চল, চর, দ্বীপ ও হাওরাঞ্চলে নেট সম্প্রসারণে বেসরকারি টেলকো বাণিজ্যিক বিবেচনায় নেট সম্প্রসারণে

তেমন ভূমিকা রাখেনি। সে ক্ষেত্রে টেলিটকসহ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে এগিয়ে আসতে হয়েছে। তিনি টেলিটক জনপ্রিয় প্রতিষ্ঠান হওয়া সত্ত্বেও রাষ্ট্রীয় এই প্রতিষ্ঠানটির পিছিয়ে থাকার কারণ ব্যাখ্যা

করে বলেন, যেখানে বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগ প্রায় ৪০হাজার কোটি টাকা সেখানে টেলিটককে মাত্র তিন হাজার ৬০০কোটি টাকা বিনিয়োগ করে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা দুরূহ।

এক্ষেত্রে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় এই প্রতিষ্ঠানটির উন্নয়নে যুগান্তকারি ভূমিকা গ্রহণ করেছেন। এরই ধারাবাহিকতায় টেলিটক ঘুরে দাঁড়িয়েছে । যেখানে নেট নেই সেখানে টেলিটক নেট স্থাপন

করছে। ইতোমধ্যে হাওরে টেলিটক নেটওয়ার্ক স্থাপন করায় তাদের ব্যান্ডউডথ ব্যবহার বেড়েছে ২৬ গুণ বলে মন্ত্রী উল্লেখ করেন। এ বছরের মধ্যেই টেলিটক ফাইভ-জি নেটওয়ার্ক চালু করবে বলে মন্ত্রী জানান। তিনি বলেন, ফাইভ-জি একটি ইন্ডাস্ট্রিয়াল পণ্য, এর সাথে শিল্পের সম্পর্ক।

মিরেশ্বরাইসহ দেশের ৫টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে ফাইভ-জি নেট সম্প্রসারণের উদ্যোগ আমরা ইতোমধ্যে গ্রহণ করেছি, ক্রমান্বয়ে চাহিদা অনুযায়ি এটি সব গুলো শিল্পাঞ্চলে সম্প্রসারণ করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ডিজিটাল সংযোগ প্রতিটি মানুষের জীবন-জীবিকার অপরিহার্য সেবায় রূপ নিয়েছে : টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী

আপডেট সময় : ০১:৪৮:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২১

ইন্টারনেটকে একটি মৌলিক অধিকার বিবেচনা করা সময়ের দাবি। ডিজিটাল বাংলাদেশ কর্মসূচি বাস্তবায়নের ধারাবাহিকতায় ডিজিটাল সংযোগ প্রতিটি মানুষের জীবন-জীবিকার জন্য অপরিহার্য

সেবায় রূপ নিয়েছে। উচ্চগতির ইন্টারনেট মহাসড়ক শহরের গন্ডি ছাড়িয়ে দুর্গম গ্রামের মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সরকার বদ্ধপরিকর। সরকার সর্বশক্তি দিয়ে সেই লক্ষে কাজ করে

যাচ্ছে। বৃহস্পতিবার ঢাকায় বাংলাদেশ ইন্টারনেট গভর্ণেন্স ফোরাম-বিআইজিএফ আয়োজিত ইন্টারনেটের অন্তর্ভূক্তিমূলক সংযুক্তি বিষয়ক ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন, ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী জনাব মোস্তাফা জব্বার।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ি কমিটির সভাপতি, বিআইজিএফ চেয়ারম্যান হাসানুল হক ইনুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিটিআরসি‘র ভাইস চেয়ারম্যান সুব্রত রায় মৈত্র, বিটিসিএল এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. রফিকুল মতিন, এমটব মহাসচিব ব্রিগেডিয়ার জেনারেল

এস এম ফরহাদ (অব.), সাবেক মহাসচিব টিআইএম নুরুল কবির,আইকান কর্মকর্তা সমিরন গুপ্ত এবং আইএসপিএবি সভাপতি আমিনুল হাকিম বক্তৃতা করেন।অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বিআইজিএফ কর্মকর্তা বজলুর রহমান।

এখন শহরের চেয়ে বেশি নেটের চাহিদা গ্রামে উল্লেখ করে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী বলেন, গ্রামের মানুষ এক সময় মোবাইল ফোনকে কেবল মুখে কথা বলার জন্য ব্যবহার করতেন। সে জায়গায় তারা এখন ইন্টারনেট ব্যবহার শুরু করেছেন। স্মার্টফোন ব্যবহারের দক্ষতা গ্রামের

অনেক বয়স্কদের নেই কিন্তু নতুন প্রজন্মের কাছ থেকে তারা শিখে নিচ্ছে। দ্রুত গতির ইন্টারনেট সংযোগ প্রদানের অনুরোধ গ্রাম থেকেই বেশি আসছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ২১ সালের মধ্যে এমন কোন ইউনিয়ন থাকবে না যেখানে অপটিক্যাল ফাইবার নেটওয়ার্ক সংযোগ ইউনিয়ন

অবধি পৌছাবেনা। তিনি বলেন, ডিজিটাল অবকাঠামোর যে দুর্বলতা এতদিন বিরাজ করছিলো তা অতিক্রম করার চেষ্টা হচ্ছে। যেখানে বেসরকারি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান নেট সম্প্রসারণ করছে না সেখানে গত তিন বছরে উচ্চগতির ইন্টারনেট সেবা আমরা সরকারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে পৌঁছে

দিতে শুরু করেছি। তিনি বলেন, ১৯৮৯ সালে দেশে মোবাইল ফোনের যাত্রা শুরু হলেও এটি ছিলো সাধারণের আওতার বাইরে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৯৭সালে মোবাইল ফোনের মনোপলি ব্যবসা ভেঙ্গে দিয়ে মোবাইল ফোন সাধারণের নাগালে পৌঁছে দেন। তিনি বলেন, ভৌগোলিক

ভাবে দেশের ৯৮ ভাগ এলাকা মোবাইল নেটওয়ার্কের আওতায় কিন্তু দুর্গম পার্বত্য অঞ্চল, চর, দ্বীপ ও হাওরাঞ্চলে নেট সম্প্রসারণে বেসরকারি টেলকো বাণিজ্যিক বিবেচনায় নেট সম্প্রসারণে

তেমন ভূমিকা রাখেনি। সে ক্ষেত্রে টেলিটকসহ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে এগিয়ে আসতে হয়েছে। তিনি টেলিটক জনপ্রিয় প্রতিষ্ঠান হওয়া সত্ত্বেও রাষ্ট্রীয় এই প্রতিষ্ঠানটির পিছিয়ে থাকার কারণ ব্যাখ্যা

করে বলেন, যেখানে বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগ প্রায় ৪০হাজার কোটি টাকা সেখানে টেলিটককে মাত্র তিন হাজার ৬০০কোটি টাকা বিনিয়োগ করে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা দুরূহ।

এক্ষেত্রে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় এই প্রতিষ্ঠানটির উন্নয়নে যুগান্তকারি ভূমিকা গ্রহণ করেছেন। এরই ধারাবাহিকতায় টেলিটক ঘুরে দাঁড়িয়েছে । যেখানে নেট নেই সেখানে টেলিটক নেট স্থাপন

করছে। ইতোমধ্যে হাওরে টেলিটক নেটওয়ার্ক স্থাপন করায় তাদের ব্যান্ডউডথ ব্যবহার বেড়েছে ২৬ গুণ বলে মন্ত্রী উল্লেখ করেন। এ বছরের মধ্যেই টেলিটক ফাইভ-জি নেটওয়ার্ক চালু করবে বলে মন্ত্রী জানান। তিনি বলেন, ফাইভ-জি একটি ইন্ডাস্ট্রিয়াল পণ্য, এর সাথে শিল্পের সম্পর্ক।

মিরেশ্বরাইসহ দেশের ৫টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে ফাইভ-জি নেট সম্প্রসারণের উদ্যোগ আমরা ইতোমধ্যে গ্রহণ করেছি, ক্রমান্বয়ে চাহিদা অনুযায়ি এটি সব গুলো শিল্পাঞ্চলে সম্প্রসারণ করা হবে।