ঢাকা ০৪:০৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬, ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রোহিঙ্গাদের জন্য ২০ লাখ ইউরো সহায়তা দিচ্ছে ফিনল্যান্ড মায়ের টানে ৭৮ তলা সমান গভীর গুহা থেকে অলৌকিক ফেরা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান: সামনে কঠিন সময়, দায়িত্বশীল না হলে দেশের ক্ষতি হবে সমঝোতা না হলে ইরানে আবারও হামলার হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের দেশ গঠনে নাগরিক দায়িত্ব আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ঈদের টানা সাতদিনের ছুটি শেষে সোমবার খুলছে অফিস-আদালত ঢাকায় পশু কোরবানি ৭লাখ: সাভার ট্যানারী পল্লীতে চামড়া  ঢুকেছে সোয়া ৫ লাখ প্রথম ফিরতি ফ্লাইটে  ৪১৯ জন হজযাত্রী ঢাকায় পৌঁছেছেন চামড়া: অর্থনীতিতে আয়ের উৎস, সেই মূল্যবান সম্পদের এমন অর্থহীন পরিণতি! সড়ক নয়, যেন মৃত্যুর উপত্যকা! লোবানের গন্ধে ফিকে ঈদের আনন্দ

ট্রলারডুবির ঘটনায় মৃত বেড়ে ২১

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১২:৪৪:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ অগাস্ট ২০২১ ২৫০ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ট্রাক বোঝাই মরদেহ  : ছবি   সংগ্রহ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় লইসকা বিল এলাকায় স্বজনদের শোকেরমাতম

সন্ধ্যা আবছা আলো। গ্রামীন জনপদে তখন ঘোর সন্ধ্যা নামেনি। তবে তুলনামূলক সরু নদীপথ। ইঞ্জিনচালিত ট্রলারে শতাধিক যাত্রী। জেলার সীমান্ত উপজেলা বিজয়নগরের চম্পকনগর ঘাট

থেকে শতাধিক যাত্রী নিয়ে ট্রলারটি ব্রহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার আনন্দবাজার ঘাটের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসে। সময় তখন সন্ধে সাড়ে ছ’টা। বিপরীত দিক থেকে একটি বালুবোঝাই ট্রলারের

ধাক্কায় যাত্রীবাহী ট্রলারডুবির যায়। এতে সর্বশেষ রাত ১১টা পর্যন্ত ২০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। এখনো অনেকে নিখোঁজ রয়েছেন। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। অতিরিক্ত

পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোহাম্মদ মোজাম্মেল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার আনিসুর রহমান জানান, তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি। এছাড়া মুমূর্ষু অবস্থায় পাঁচজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খাঁন জানান, বালুবোঝাই ট্রলারটি আটক করা হয়েছে। ডুবে যাওয়া ট্রলারটি উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ সদস্যরা উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে। এ ঘটনায় তিন সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে।

জেলার বিজয়নগর উপজেলার চম্পকনগর ঘাট থেকে শতাধিক যাত্রী নিয়ে ট্রলারটি সদর উপজেলার আনন্দবাজার ঘাটের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসে। শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে সদর

উপজেলার লইসকা বিল এলাকায় বিপরীত দিকে থেকে আসা একটি বালুবোঝাই ট্রলারের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে যাত্রীবাহী ট্রলারটি ডুবে যায়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বালুবোঝাই ট্রলারের ধাক্কায় ট্রলারডুবির খবর পেয়ে স্বজনরা দুর্ঘটনাস্থলে ছুটে এসেছেন। তাদের আহাজারিতে এলাকার পরিবেশ ভারী হয়ে উঠেছে। এদিকে উদ্ধার অভিযানে ধীরগতির অভিযোগ করেছেন স্বজনহারারা।

স্বজনদের খোঁজে আসা রফিক নামে এক য্বুক বলেন, এক সপ্তাহ আগে আমার বোনের বিয়ে হয়েছে। দুলাভাইকে নিয়ে এই ট্রলারে আমার বোন আসছিল। দুলাভাইয়ের খোজ পেলেও একমাত্র বোনের খোঁজ পাচ্ছি না।

আঁখি আখতার নামে এক যাত্রী বলেন, ট্রলারে আমি, আমার ছেলে, ভাসুরের ছেলে ও শাশুড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আসছিলাম। ট্রলার ডুবে যাওয়ার পর আমি সাঁতরে কূলে উঠতে পারলেও ছেলে,

ভাসুরের ছেলে ও শাশুড়ির সন্ধান পাইনি। উদ্ধার অভিযান শুরু করতে প্রশাসন দেরি করেছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ট্রলারডুবির ঘটনায় মৃত বেড়ে ২১

আপডেট সময় : ১২:৪৪:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ অগাস্ট ২০২১

ট্রাক বোঝাই মরদেহ  : ছবি   সংগ্রহ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় লইসকা বিল এলাকায় স্বজনদের শোকেরমাতম

সন্ধ্যা আবছা আলো। গ্রামীন জনপদে তখন ঘোর সন্ধ্যা নামেনি। তবে তুলনামূলক সরু নদীপথ। ইঞ্জিনচালিত ট্রলারে শতাধিক যাত্রী। জেলার সীমান্ত উপজেলা বিজয়নগরের চম্পকনগর ঘাট

থেকে শতাধিক যাত্রী নিয়ে ট্রলারটি ব্রহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার আনন্দবাজার ঘাটের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসে। সময় তখন সন্ধে সাড়ে ছ’টা। বিপরীত দিক থেকে একটি বালুবোঝাই ট্রলারের

ধাক্কায় যাত্রীবাহী ট্রলারডুবির যায়। এতে সর্বশেষ রাত ১১টা পর্যন্ত ২০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। এখনো অনেকে নিখোঁজ রয়েছেন। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। অতিরিক্ত

পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোহাম্মদ মোজাম্মেল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার আনিসুর রহমান জানান, তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি। এছাড়া মুমূর্ষু অবস্থায় পাঁচজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খাঁন জানান, বালুবোঝাই ট্রলারটি আটক করা হয়েছে। ডুবে যাওয়া ট্রলারটি উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ সদস্যরা উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে। এ ঘটনায় তিন সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে।

জেলার বিজয়নগর উপজেলার চম্পকনগর ঘাট থেকে শতাধিক যাত্রী নিয়ে ট্রলারটি সদর উপজেলার আনন্দবাজার ঘাটের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসে। শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে সদর

উপজেলার লইসকা বিল এলাকায় বিপরীত দিকে থেকে আসা একটি বালুবোঝাই ট্রলারের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে যাত্রীবাহী ট্রলারটি ডুবে যায়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বালুবোঝাই ট্রলারের ধাক্কায় ট্রলারডুবির খবর পেয়ে স্বজনরা দুর্ঘটনাস্থলে ছুটে এসেছেন। তাদের আহাজারিতে এলাকার পরিবেশ ভারী হয়ে উঠেছে। এদিকে উদ্ধার অভিযানে ধীরগতির অভিযোগ করেছেন স্বজনহারারা।

স্বজনদের খোঁজে আসা রফিক নামে এক য্বুক বলেন, এক সপ্তাহ আগে আমার বোনের বিয়ে হয়েছে। দুলাভাইকে নিয়ে এই ট্রলারে আমার বোন আসছিল। দুলাভাইয়ের খোজ পেলেও একমাত্র বোনের খোঁজ পাচ্ছি না।

আঁখি আখতার নামে এক যাত্রী বলেন, ট্রলারে আমি, আমার ছেলে, ভাসুরের ছেলে ও শাশুড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আসছিলাম। ট্রলার ডুবে যাওয়ার পর আমি সাঁতরে কূলে উঠতে পারলেও ছেলে,

ভাসুরের ছেলে ও শাশুড়ির সন্ধান পাইনি। উদ্ধার অভিযান শুরু করতে প্রশাসন দেরি করেছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।