ঢাকা ০২:৩৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
তারল্য  সকট মোকাবিলায় ২,৫০০ কোটি টাকার ঋণ দিল বাংলাদেশ ব্যাংক  অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার রোধে সম্মিলিত উদ্যোগ জরুরি: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী  দুবাইয়ে গ্রেপ্তার সাবেক আইজিপি বেনজীর প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া শুরু অভিনেত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু হত্যার অভিযোগে স্বামী কারাগারে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তিচুক্তি, ঘোষণা পাকিস্তানের সমর্থক ভাইয়ারা না থাকলে ঘটনা অন্য রকম হয়ে যেতো: নাঈম হাসান আদ্-দ্বীনের কোটি টাকার চাপ উপেক্ষা করে লাইসেন্স বাতিল: স্বাস্থ্যমন্ত্রী গুণীজনদের জীবদ্দশায় সম্মান জানালে সমাজসেবায় উৎসাহ বাড়বে: কৃষিমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর কক্সবাজার সফর শনিবার, উন্নয়ন প্রত্যাশায় মুখিয়ে স্থানীয়রা যৌথ টহল ও গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়ে সম্মত বিজিবি-বিএসএফ, নভেম্বরে ঢাকায় পরবর্তী বৈঠক

টিকা কর্মসূচি চলমান রাখতে বাংলাদেশের পাশে  থাকবে ভারত

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:২০:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ এপ্রিল ২০২১ ৩১৮ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

 

ভারতের হাইকমিশনার বিক্রম দোরাইস্বামী বলেছেন,  চুক্তি অনুযায়ী  ৭ মিলিয়ন টিকা বাংলাদেশ গ্রহণ করেছে।  বাংলাদেশে যাতে করে   টিকা কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারে,  সেই বিষয়ে সহযোগিতা করবে ভারত।  সহযোগিতার আরও ৩.৩ মিলিয়ন টিকা সরবরাহ করা হয়েছে।

এসময় তিনি আরও বলেছেন, বিশ্বব্যাপী করোনার টিকার প্রাপ্যতা নিয়ে একটা সংকট রয়েছে। সরবরাহের তুলনায় চাহিদা অনেক বেশি।

দিল্লি থেকে আগরতলা-আখাউড়া সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের সময় বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন, বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার বিক্রম দোরাইস্বামী।

ভারতীয় হাইকমিশনার দোরাইস্বামী ১৮ এপ্রিল একই  সীমান্ত পথে ভাতে যান।

বিক্রম দোরাইস্বামী বলেন, ‘ভারত যতগুলো দেশকে করোনার টিকা সরবরাহ করেছে, তার মধ্যে সর্ববৃহৎ দেশ বাংলাদেশ।’

ভারতের হাইকমিশনার বলেন, বাংলাদেশ ও ভারত সরকারসহ বিভিন্ন দেশের ও কোম্পানি এবং টিকা প্রস্তুতের আসল ফর্মুলার মালিকদের সঙ্গে টিকার চুক্তিমূলক সীমাবদ্ধতা রয়েছে। সবাই মিলে টিকার প্রাপ্যতা ও সরবরাহ বাড়াতে কাজ করছে।

বাংলাদেশে করোনার টিকার কার্যক্রম চলমানে ভারত কাজ করে যাচ্ছে। টিকা  সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে হাইকমিশনার বলেন, ‘আমাদের কাছে যা আছে এর বেশি তো দেওয়া সম্ভব না।

উৎপাদনের প্রাপ্যতার তুলনায় যত বেশি সম্ভব, বাংলাদেশকে টিকা প্রদানের নিশ্চয়তা আমরা দিয়েছি। আর আমাদের যা আছে তা বলতে পারব। যা নেই তা বলতে পারব না।

ভারতের পত্রপত্রিকায়ও টিকার ঘাটতি নিয়ে সংবাদ পরিবেশন হচ্ছে। ভারতের বড় বড় শহরেও টিকার ঘাটতি রয়েছে।’

দোরাইস্বামী বলেন, ‘করোনার দ্বিতীয় ঢেউটা অনেক বড়। ইন্ডিয়ার অবস্থাও দিন দিন কঠিন হচ্ছে। আমরা সবাই একত্রে কাজ করছি। দুই দেশ মিলে আমরা এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করার চেষ্টা করছি। আমরা এর সমাধানে উভয় দেশ মিলেই সর্বাত্মক সহযোগিতার চেষ্টা করছি।’

ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্কের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘দুই দেশের সম্পর্ক অনেক বিশেষ। বাংলাদেশের সঙ্গে যে আমরা যুক্ত এর গুরুত্ব তুলে ধরার জন্যই করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের মধ্যে ভারতের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে এসেছেন।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার স্বীকৃতির গুরুত্বের জন্য ও বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে দিয়েছেন।

এই সম্পর্ক সব সময় বিশেষ গুরুত্বের। ভারতীয় হাইকমিশনার  আরও বলেন, যদিও একটা অস্বাভাবিক সময়ের মধ্য দিয়ে আমরা এখন যাচ্ছি। আশা করি পবিত্র রমজান মাসে আমরা সবাই মিলে প্রার্থনা করে ইতিবাচক শক্তি জোগাতে পারব। আমরা সবাই মিলে এই পরিস্থিতি থেকে বের হতে পারব।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

টিকা কর্মসূচি চলমান রাখতে বাংলাদেশের পাশে  থাকবে ভারত

আপডেট সময় : ০২:২০:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ এপ্রিল ২০২১

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

 

ভারতের হাইকমিশনার বিক্রম দোরাইস্বামী বলেছেন,  চুক্তি অনুযায়ী  ৭ মিলিয়ন টিকা বাংলাদেশ গ্রহণ করেছে।  বাংলাদেশে যাতে করে   টিকা কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারে,  সেই বিষয়ে সহযোগিতা করবে ভারত।  সহযোগিতার আরও ৩.৩ মিলিয়ন টিকা সরবরাহ করা হয়েছে।

এসময় তিনি আরও বলেছেন, বিশ্বব্যাপী করোনার টিকার প্রাপ্যতা নিয়ে একটা সংকট রয়েছে। সরবরাহের তুলনায় চাহিদা অনেক বেশি।

দিল্লি থেকে আগরতলা-আখাউড়া সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের সময় বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন, বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার বিক্রম দোরাইস্বামী।

ভারতীয় হাইকমিশনার দোরাইস্বামী ১৮ এপ্রিল একই  সীমান্ত পথে ভাতে যান।

বিক্রম দোরাইস্বামী বলেন, ‘ভারত যতগুলো দেশকে করোনার টিকা সরবরাহ করেছে, তার মধ্যে সর্ববৃহৎ দেশ বাংলাদেশ।’

ভারতের হাইকমিশনার বলেন, বাংলাদেশ ও ভারত সরকারসহ বিভিন্ন দেশের ও কোম্পানি এবং টিকা প্রস্তুতের আসল ফর্মুলার মালিকদের সঙ্গে টিকার চুক্তিমূলক সীমাবদ্ধতা রয়েছে। সবাই মিলে টিকার প্রাপ্যতা ও সরবরাহ বাড়াতে কাজ করছে।

বাংলাদেশে করোনার টিকার কার্যক্রম চলমানে ভারত কাজ করে যাচ্ছে। টিকা  সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে হাইকমিশনার বলেন, ‘আমাদের কাছে যা আছে এর বেশি তো দেওয়া সম্ভব না।

উৎপাদনের প্রাপ্যতার তুলনায় যত বেশি সম্ভব, বাংলাদেশকে টিকা প্রদানের নিশ্চয়তা আমরা দিয়েছি। আর আমাদের যা আছে তা বলতে পারব। যা নেই তা বলতে পারব না।

ভারতের পত্রপত্রিকায়ও টিকার ঘাটতি নিয়ে সংবাদ পরিবেশন হচ্ছে। ভারতের বড় বড় শহরেও টিকার ঘাটতি রয়েছে।’

দোরাইস্বামী বলেন, ‘করোনার দ্বিতীয় ঢেউটা অনেক বড়। ইন্ডিয়ার অবস্থাও দিন দিন কঠিন হচ্ছে। আমরা সবাই একত্রে কাজ করছি। দুই দেশ মিলে আমরা এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করার চেষ্টা করছি। আমরা এর সমাধানে উভয় দেশ মিলেই সর্বাত্মক সহযোগিতার চেষ্টা করছি।’

ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্কের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘দুই দেশের সম্পর্ক অনেক বিশেষ। বাংলাদেশের সঙ্গে যে আমরা যুক্ত এর গুরুত্ব তুলে ধরার জন্যই করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের মধ্যে ভারতের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে এসেছেন।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার স্বীকৃতির গুরুত্বের জন্য ও বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে দিয়েছেন।

এই সম্পর্ক সব সময় বিশেষ গুরুত্বের। ভারতীয় হাইকমিশনার  আরও বলেন, যদিও একটা অস্বাভাবিক সময়ের মধ্য দিয়ে আমরা এখন যাচ্ছি। আশা করি পবিত্র রমজান মাসে আমরা সবাই মিলে প্রার্থনা করে ইতিবাচক শক্তি জোগাতে পারব। আমরা সবাই মিলে এই পরিস্থিতি থেকে বের হতে পারব।’