ঢাকা ০৫:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জাতিসংঘ সফর শেষে সচিবালয়ে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী, শুরু দাপ্তরিক কার্যক্রম জাতিসংঘ অধিবেশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ সার্থক হয়েছে : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশের উন্নয়ন প্রচেষ্টায় চীনের সমর্থন অব্যাহত থাকবে: রাষ্ট্রদূত ১৮ দেশের বাজারকেন্দ্রিক রপ্তানি কৌশল প্রণয়ন করছে সরকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি সরকারের সমালোচনা এনসিপি আহ্বায়কের কাগজে নদীর সংখ্যা বাড়ছে নদী রক্ষাই এখন সবচেয়ে বড় সংকট সাশ্রয়ী আবাসন অর্থায়নে বাংলাদেশকে ১০ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে এডিবি শেরপুর সীমান্তে ভারতীয় সাবান-মদ জব্দ বিজিবির গরু আটক নিয়ে চাঞ্চল্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘাতের সমাধান কেবল কূটনীতিতেই: ইরান চুরির অভিযোগে খুঁটিতে বাঁধা বাবা, চা-রুটি খাইয়ে দিচ্ছিল ৯ বছরের মেয়ে

জ্বালানি বিপর্যয়ের আশঙ্কায় ফিলিপাইনে জরুরি অবস্থা ঘোষণা

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১২:৩৯:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬ ১৯৫ বার পড়া হয়েছে

প্রেসিডেন্ট ফার্দিনান্দ মার্কোস জুনিয়রছবি : রয়টার্স

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত এবং বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর এর প্রভাবকে কেন্দ্র করে ফিলিপাইন সরকার ‘জাতীয় জ্বালানি জরুরি অবস্থা’ ঘোষণা করেছে। দেশটির প্রেসিডেন্ট ফার্দিনান্দ মার্কোস জুনিয়র গত মঙ্গলবার এ ঘোষণা দেন, যা আগামী এক বছরের জন্য কার্যকর থাকবে।

সরকারি ঘোষণায় বলা হয়েছে, ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল-এর চলমান সামরিক উত্তেজনা এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে।

এর প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়ছে জ্বালানি তেলের সরবরাহ, মূল্য এবং সামগ্রিক জ্বালানি নিরাপত্তার ওপর।

প্রেসিডেন্ট মার্কোস জুনিয়র সতর্ক করে বলেছেন, দেশের জ্বালানি সরবরাহের প্রাপ্যতা ও স্থিতিশীলতা বর্তমানে ‘আসন্ন ঝুঁকি’র মুখে রয়েছে।

এ পরিস্থিতিতে জাতীয় অর্থনীতি, পরিবহন খাত এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ ব্যবস্থায় সম্ভাব্য বিঘ্ন মোকাবিলায় সরকার সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।

জরুরি অবস্থা মোকাবিলায় একটি উচ্চপর্যায়ের বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে, যা জ্বালানি তেল, খাদ্য, ওষুধ এবং কৃষিপণ্যসহ প্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ ও সুষ্ঠু বণ্টন নিশ্চিত করতে কাজ করবে।

পাশাপাশি বাজার ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং সরবরাহ শৃঙ্খলে বিঘ্ন রোধে নজরদারি জোরদার করা হবে।

গৃহীত পদক্ষেপগুলোর মধ্যে রয়েছে,

  • জ্বালানি সাশ্রয়ে বাধ্যতামূলক ও কঠোর নীতিমালা বাস্তবায়ন;
  • পরিবহন ব্যয় নিয়ন্ত্রণে জ্বালানিতে ভর্তুকি ও প্রণোদনা প্রদান;
  • মজুতদারি, অতিরিক্ত মুনাফা অর্জন এবং কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ;
  • ক্ষতিগ্রস্ত পরিবহন খাতের শ্রমিকদের জন্য সরাসরি আর্থিক সহায়তা প্রদান।

এ প্রেক্ষাপটে মোটরসাইকেল ট্যাক্সিচালক ও পরিবহন কর্মীদের জন্য ৫ হাজার পেসো (প্রায় ৮৩ মার্কিন ডলার) করে সহায়তা ঘোষণা করা হয়েছে। একই সঙ্গে কৃষক, জেলে এবং নিম্নআয়ের শ্রমজীবী জনগোষ্ঠীর জন্য বিশেষ সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিও চালু করা হচ্ছে, যাতে তারা ক্রমবর্ধমান জ্বালানি ব্যয়ের প্রভাব মোকাবিলা করতে সক্ষম হয়।

সরকারের এই পদক্ষেপগুলো সামগ্রিকভাবে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, বাজার স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং বৈশ্বিক অস্থিরতার প্রভাব থেকে জাতীয় অর্থনীতিকে সুরক্ষিত রাখার লক্ষ্যেই গৃহীত হয়েছে।

তথ্যসূত্র: সিএনএন

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :