ঢাকা ০৬:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬, ২৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কোরবানির পশুর হাটে জাল নোট প্রতিরোধে বাংলাদেশ ব্যাংকের ১০ নির্দেশনা ইরানের ইউরেনিয়াম নিয়ে ‘টানাটানি’ ট্রাম্প-পুতিনের, কোন দিকে যাবে তেহরান? বাংলাদেশ থেকে পোশাক ও চামড়াজাত পণ্য আমদানিতে আগ্রহী ইতালি মার্কিন আদালতের রায়েও বহাল ১০ শতাংশ পাল্টা শুল্ক, নতুন অনিশ্চয়তায় রফতানিকারকরা পুলিশের যৌক্তিক দাবিগুলো পূরণ করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জুনে ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার হিসাবে যোগ দেবেন দিনেশ ত্রিবেদী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমেদের পদত্যাগ হামে মৃত্যু: ৩৫২ শিশুর পরিবারকে দুই কোটি টাকা করে ক্ষতিপূরণ চেয়ে রিট মোহাম্মদপুরে ৯ হত্যা: সাবেক মন্ত্রী   নানকসহ ২৮ জনের বিচার শুরু দেশে শান্তি ও গণতন্ত্র রক্ষায় মানবিক পুলিশ বাহিনী গড়ে তোলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

চট্টগ্রাম বন্দরে আটকে আছে ৮ হাজার কোটি টাকার পণ্য, রপ্তানি বিপর্যয়ের শঙ্কা

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১১:৩৭:৫১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৪৩৪ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রাম বন্দরে আটকে আছে ৮ হাজার কোটি টাকার পণ্য, রপ্তানি বিপর্যয়ের শঙ্কা

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চট্টগ্রাম বন্দরে চলমান অচলাবস্থার কারণে বাংলাদেশের রপ্তানি খাত গভীরভাবে প্রভাবিত হচ্ছে। বাংলাদেশে ইউরোপীয় ইউনিয়ন চেম্বার অব কমার্স (ইউরোচ্যাম) জানিয়েছে, বর্তমানে প্রায় ১৩ হাজার কনটেইনারে আনুমানিক ৬৬০ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকা) মূল্যের পণ্য বন্দরে আটকা পড়েছে। এ পরিস্থিতি রপ্তানি কার্যক্রমকে ঝুঁকিতে ফেলে এবং দেশের অর্থনীতিতে সরাসরি ক্ষতি তৈরি করছে।

চট্টগ্রাম বন্দরে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে চলমান কর্মবিরতির কারণে বন্দরের কার্যক্রম প্রায় স্থবির হয়ে গেছে। ফলে পণ্য ও কনটেইনারের সরবরাহে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে, রপ্তানি সময়মতো সম্পন্ন হচ্ছে না এবং লজিস্টিক খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দীর্ঘস্থায়ী অচলাবস্থা দেশের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বিশ্বাসহীনতা সৃষ্টি করছে এবং সরবরাহ চেইনের স্থিতিশীলতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

ইউরোচ্যাম বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম দ্রুত পুনরায় চালু করার আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে তারা বন্দর আধুনিকায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেছে, যাতে দক্ষতা, নির্ভরযোগ্যতা ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। এই সমস্যার মূল কারণ হলো ডিপি ওয়ার্ল্ডের কাছে বন্দর ইজারার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সংগ্রাম পরিষদের কর্মবিরতি।

চট্টগ্রাম বন্দর দেশের মোট আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ৯০ শতাংশের বেশি পরিচালনা করে এবং রপ্তানিনির্ভর শিল্পের প্রধান প্রবেশদ্বার হিসেবে কাজ করে। স্বাভাবিক সময়ে প্রতিদিন প্রায় দুই থেকে দুই হাজার ৫০০ কনটেইনার রপ্তানি হয়, যা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। দ্রুত সমাধান না হলে রপ্তানি খাতের উন্নয়ন ও বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহের ওপর দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

চট্টগ্রাম বন্দরে আটকে আছে ৮ হাজার কোটি টাকার পণ্য, রপ্তানি বিপর্যয়ের শঙ্কা

আপডেট সময় : ১১:৩৭:৫১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

চট্টগ্রাম বন্দরে চলমান অচলাবস্থার কারণে বাংলাদেশের রপ্তানি খাত গভীরভাবে প্রভাবিত হচ্ছে। বাংলাদেশে ইউরোপীয় ইউনিয়ন চেম্বার অব কমার্স (ইউরোচ্যাম) জানিয়েছে, বর্তমানে প্রায় ১৩ হাজার কনটেইনারে আনুমানিক ৬৬০ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকা) মূল্যের পণ্য বন্দরে আটকা পড়েছে। এ পরিস্থিতি রপ্তানি কার্যক্রমকে ঝুঁকিতে ফেলে এবং দেশের অর্থনীতিতে সরাসরি ক্ষতি তৈরি করছে।

চট্টগ্রাম বন্দরে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে চলমান কর্মবিরতির কারণে বন্দরের কার্যক্রম প্রায় স্থবির হয়ে গেছে। ফলে পণ্য ও কনটেইনারের সরবরাহে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে, রপ্তানি সময়মতো সম্পন্ন হচ্ছে না এবং লজিস্টিক খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দীর্ঘস্থায়ী অচলাবস্থা দেশের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বিশ্বাসহীনতা সৃষ্টি করছে এবং সরবরাহ চেইনের স্থিতিশীলতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

ইউরোচ্যাম বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম দ্রুত পুনরায় চালু করার আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে তারা বন্দর আধুনিকায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেছে, যাতে দক্ষতা, নির্ভরযোগ্যতা ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। এই সমস্যার মূল কারণ হলো ডিপি ওয়ার্ল্ডের কাছে বন্দর ইজারার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সংগ্রাম পরিষদের কর্মবিরতি।

চট্টগ্রাম বন্দর দেশের মোট আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ৯০ শতাংশের বেশি পরিচালনা করে এবং রপ্তানিনির্ভর শিল্পের প্রধান প্রবেশদ্বার হিসেবে কাজ করে। স্বাভাবিক সময়ে প্রতিদিন প্রায় দুই থেকে দুই হাজার ৫০০ কনটেইনার রপ্তানি হয়, যা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। দ্রুত সমাধান না হলে রপ্তানি খাতের উন্নয়ন ও বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহের ওপর দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।