ঢাকা ০৫:৪৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নৃশংস ৭ বছরের শিশুর হাত চেপে ধরেন স্ত্রী আঙ্গুল কাটেন পুলিশ  কনস্টেবল জাতিসংঘ সফর শেষে সচিবালয়ে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী, শুরু দাপ্তরিক কার্যক্রম জাতিসংঘ অধিবেশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ সার্থক হয়েছে : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশের উন্নয়ন প্রচেষ্টায় চীনের সমর্থন অব্যাহত থাকবে: রাষ্ট্রদূত ১৮ দেশের বাজারকেন্দ্রিক রপ্তানি কৌশল প্রণয়ন করছে সরকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি সরকারের সমালোচনা এনসিপি আহ্বায়কের কাগজে নদীর সংখ্যা বাড়ছে নদী রক্ষাই এখন সবচেয়ে বড় সংকট সাশ্রয়ী আবাসন অর্থায়নে বাংলাদেশকে ১০ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে এডিবি শেরপুর সীমান্তে ভারতীয় সাবান-মদ জব্দ বিজিবির গরু আটক নিয়ে চাঞ্চল্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘাতের সমাধান কেবল কূটনীতিতেই: ইরান

ঘর ছাড়া তরুণদের জঙ্গিবাদে প্রশিক্ষণ দিতেন মুহিবুল্লাহ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৩১:০৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ২৪৪ বার পড়া হয়েছে

পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার মহিবুল্লাহ : ছবি সংগ্রহ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক 

নতুন করে সংগঠিত হওয়া জঙ্গি সংগঠনটির নাম ‘জামাতুল আনসার ফিল হিন্দাল শারকস্ফীয়া’। এর প্রধান তথা নায়েবে আমির মো. মুহিবুল্লাহ। ধর্মীয় অপব্যাখ্যার মাধ্যমে জঙ্গিবাদে উৎসাহ এবং জিহাদের জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত করার দায়িত্ব পালন করতেন। এমন ৫০ থেকে ৬০ তরুণকে প্রশিক্ষণ দিয়েছেন মহিবুল্লাহ। মুহিবুল্লাহর চার দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।

পুলিশের দাবি, মঙ্গলবার ঢাকার একটি বাস টার্মিনাল এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে দুটি মোবাইল ফোন ও একটি ল্যাপটপ জব্দ করা হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা বলেছেন, সংগঠনের শীর্ষ নেতা মুহিবুল্লাহর বরিশালে বিশাল নেটওয়ার্ক ছিল।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে সাংবাদিক সম্মেলনে কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের (সিটিটিসি) প্রধান মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ২০২২ সালের জানুয়ারিতে সিটিটিসির হাতে গ্রেপ্তার শূরা সদস্য ডা. শাকের ওরফে শিশির, পলাতক জঙ্গি নেতা শামিন মাহফুজ ও মো. মুহিবুল্লাহ ওরফে ভোলার শায়েখ বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার দুর্গম পাহাড়ে গিয়েছিলেন।

সেখানে তারা জামাতুল আনসার ফিল হিন্দাল শারকস্ফীয়ার প্রশিক্ষণ ক্যাম্পে অবস্থান নেন। এ সময় ক্যাম্পটিতে পাহাড়ি সংগঠন কেএনএফের (কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট) তত্ত্বাবধানে সশস্ত্র প্রশিক্ষণ চলত। তাঁদের সঙ্গে কেএনএফের প্রধান নাথান বম ও অন্যান্য নেতার সাক্ষাৎ হয়। এর পর আনুষ্ঠানিকভাবে সংগঠনের নাম ‘জামাতুল আনসার ফিল হিন্দাল শারকস্ফীয়া’ রাখা হয় এবং শূরা কমিটি গঠন করে এবং মুহিবুল্লাহকে সংগঠনটির নায়েবে আমির হিসেবে নির্বাচিত করা হয়।

পাহাড়ে কিছুদিন অবস্থানের পর ঢাকায় চলে আসেন তিনি। ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে দাওয়াতের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম চালাতে থাকেন। সংগঠনের শূরা পর্যায়ের একাধিক সদস্যের সঙ্গে ঢাকা, সিলেট ও কিশোরগঞ্জে সংগঠনের কার্যক্রম জোরদার করাসহ বিভিন্ন বিষয়ে তিনি একাধিক বৈঠকে অংশ নেন। এ ছাড়া তিনি হাটহাজারীসহ বিভিন্ন মাদ্রাসায় আসা-যাওয়া করতেন। সেখান থেকে পেনড্রাইভের মাধ্যমে বিভিন্ন জিহাদি দলিলপত্র সংগ্রহ করেন। এসব নিজের ল্যাপটপে সংরক্ষণ করতেন। ডা. শাকের গ্রেপ্তারের পর মুহিবুল্লাহ নিজেকে আড়াল করতে সিম ও মোবাইল ফোন নষ্ট করে ফেলেছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :